ঢাকা, শুক্রবার, ১৪ মাঘ ১৪২৮, ২৮ জানুয়ারি ২০২২, ২৪ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ইউজিসির এপিএ মূল্যায়নে যেভাবে দ্বিতীয় হলো চবি

ইউনিভার্সিটি করেসপন্ডেন্ট  | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০২৩ ঘণ্টা, ডিসেম্বর ৬, ২০২১
ইউজিসির এপিএ মূল্যায়নে যেভাবে দ্বিতীয় হলো চবি ...

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়: ২০২০-২১ অর্থবছরে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) বার্ষিক কর্ম সম্পাদন চুক্তির (এপিএ) অন্তর্ভুক্ত ৪৬টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে এপিএ মূল্যায়নে ৯৩ দশমিক ০৮ নম্বর পেয়ে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি)।  

দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম গতিশীল করা, দক্ষতা বৃদ্ধি ও জবাবদিহি নিশ্চিতকরণে এপিএ মূল্যায়নের মাধ্যমে র‍্যাংকিং ঘোষণা করে ইউজিসি।

 

ইউজিসির এপিএ মূল্যায়নের ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন কার্যক্রমগুলো পর্যালোচনা করেছে- জানতে চাইলে চবির ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক এসএম মনিরুল হাসান বাংলানিউজকে বলেন, অনেক বিষয় পর্যালোচনা করে এ র‍্যাংকিং নির্ধারণ করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে- পিএইচডি, এমফিল, গবেষণা প্রতিবেদন, গবেষণা সম্প্রসারণ, প্রশিক্ষণ কর্মশালা, শ্রেণিকক্ষে পাঠদান, দেশীয় ও আন্তর্জাতিক সেমিনারের সংখ্যা এবং ভৌত অবকাঠামো উন্নয়ন।

তিনি বলেন, বছরের প্রথমে ইউজিসি নিজেদের পরিকল্পনাগুলো উল্লেখের মাধ্যমে একটি লক্ষ্য নির্ধারণ করে দেওয়া হয়। বছর শেষে এ লক্ষ্যে কতটুকু পৌঁছাতে পেরেছি, এপিএ মূল্যায়ন করে ইউজিসি একটি র‍্যাংকিং নির্ধারণের মাধ্যমে তা প্রকাশ করে। সে তালিকায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এবার দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছে।

চবি প্রক্টর ড. রবিউল হাসান ভূঁইয়া বাংলানিউজকে বলেন, গত ০২ ডিসেম্বর ইউজিসি ২০২০-২১ অর্থবছরের এপিএ মূল্যায়ন প্রতিবেদনে প্রকাশ করে। সরকারি দফতর-সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের দক্ষতা ও দায়বদ্ধতা বাড়ানোর লক্ষ্যে ২০১৪-১৫ অর্থবছরে এপিএ প্রবর্তন করা হয়। সে সময় এ চুক্তি ছিলো মন্ত্রিসভা ও মন্ত্রণালয়ের মধ্যে। পরবর্তীতে ২০১৫-১৬ অর্থবছরে মন্ত্রণালয় ও ইউজিসির মধ্যে এ চুক্তি হয়। সর্বশেষ ২০১৬-১৭ অর্থবছরে এ চুক্তিটি ইউজিসি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে হয়। এরপর থেকে ইউজিসি এপিএ মূল্যায়নের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রমগুলো পর্যালোচনা করে আসছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী ২০২০-২১ অর্থবছরে এপিএ মূল্যায়নে সর্বোচ্চ ৯৮ দশমিক ৩৮ নম্বর পেয়ে প্রথম হয়েছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়। ৯৩ দশমিক ৮ নম্বর পেয়ে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়। ৯২ দশমিক ১৫ নম্বর পেয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে কুয়েট।  

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. শিরীণ আখতার বাংলানিউজকে বলেন, চট্টগ্রাম একটি প্রান্তিক জায়গা। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় আরও প্রান্তিক অঞ্চলে অবস্থিত। নানান প্রতিকূলতা উপেক্ষা করে আমাদের কাজ করতে হয়। এরপরও সংশ্লিষ্টদের আন্তরিকতা ও সহযোগিতায় আমরা এ অবস্থানে পৌঁছেছি। এটি বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের একটি অর্জন। আমাদের আগামীর লক্ষ্য বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি মূল্যায়নে প্রথম স্থান অর্জন করা।  

বাংলাদেশ সময়: ১৯৫০ ঘণ্টা, ডিসেম্বর ০৬, ২০২১
এমএ/টিসি

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa