ঢাকা, সোমবার, ৯ কার্তিক ১৪২৮, ২৫ অক্টোবর ২০২১, ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

চট্টগ্রাম প্রতিদিন

দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী মা-বাবার সন্তান রিয়াদ বাঁচতে চায়

নিউজ ডেস্ক | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৪৫২ ঘণ্টা, সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২১
দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী মা-বাবার সন্তান রিয়াদ বাঁচতে চায় ...

চট্টগ্রাম: দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী নাজমা আক্তার ও মোখলেসুর রহমান মুকুলকে হারাতে পারেনি অন্ধকার। কিন্তু অন্ধের যষ্ঠী যদি অকালেই হারিয়ে যায়, তবে সেই অন্ধকার যে আবারও গ্রাস করবে তাদের।

ঢাকার ইডেন মহিলা কলেজের বাংলা বিভাগের শিক্ষক ৩৫তম বিসিএস শিক্ষা ক্যাডার নাজমা আক্তার  ও চট্টগ্রামের সরকারি দৃষ্টি প্রতিবন্ধী  বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক, সংগীতশিল্পী মোখলেসুর রহমান মুকুল এখন সেই চিন্তায় অস্থির।

এই দৃষ্টি প্রতিবন্ধী মা-বাবার সন্তান রিয়াদ ৭ম শ্রেণির ছাত্র। গত ১৬ আগস্ট রাতে বাসায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে গুরুতর আহত হয়। তার পিঠ, দুই হাত ঝলসে যায়। বর্তমানে শেখ হাসিনা বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট এর ল্যাভেন্ডা ইউনিট ১৩৪২-এ চিকিৎসাধীন ছেলেটি  জীবন-শংকায়।  

চিকিৎসকরা বলেছেন, যে কোনও মুহূর্তে ছেলেটির জীবনপ্রদীপ নিভে যেতে পারে। অথবা কেটে ফেলতে হতে পারে দুই হাত। যদি এমন পরিণতি হয়, তবে  অন্ধ মা-বাবাকে হাত ধরে রাস্তা পার করে দেওয়ার আর কেউ থাকবে না।  

রিয়াদকে সুস্থ করতে পারে মাত্র ৩০ লাখ টাকার অর্থশক্তি। এই টাকায় থাইল্যান্ড কিংবা ভারতে উন্নত চিকিৎসায় রক্ষা হতে পারে ছেলেটির দেহ-প্রাণ দুটোই। কিন্তু সেই টাকা নেই দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিক্ষক বাবা-মায়ের।

সমাজের সামর্থ্যবান, সহৃদয়বান মানুষগুলোর সহযোগিতা-আনুকূল্যে ঘুরে দাঁড়াতে পারে অসহায় পরিবারটি। ৩০ হাজার মানুষের মাত্র একশ টাকা করে দান-অনুদানে বাঁচতে পারে ছেলেটির জীবন।  তাদের পারসোনাল বিকাশ, রকেট, নগদ অ্যাকাউন্ট নাম্বার: ০১৬১২-৯২১০৬৭ 

বাংলাদেশ সময়: ১৪৪৫ ঘণ্টা, সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২১ 
এসি/টিসি

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa