ঢাকা, মঙ্গলবার, ১২ শ্রাবণ ১৪২৮, ২৭ জুলাই ২০২১, ১৬ জিলহজ ১৪৪২

চট্টগ্রাম প্রতিদিন

সমুদ্র ও সমুদ্রপথের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনায় হাইড্রোগ্রাফি সেবা বাড়ছে

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৮১৮ ঘণ্টা, জুন ২১, ২০২১
সমুদ্র ও সমুদ্রপথের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনায় হাইড্রোগ্রাফি সেবা বাড়ছে ...

চট্টগ্রাম: নৌপথের সুরক্ষা, সমুদ্রসম্পদ আহরণ, ব্লু-ইকোনমির সক্ষমতা বৃদ্ধি, সামুদ্রিক নিরাপত্তা জোরদার, জাতীয় পর্যায়ে সামুদ্রিক অবকাঠামো উন্নয়ন, বৈজ্ঞানিক গবেষণা, পর্যটন এবং পরিবেশ রক্ষাসহ বিভিন্ন বিষয় গুরুত্ব পেয়েছে হাইড্রোগ্রাফি দিবসের সেমিনারে।  

এ ছাড়া বাংলাদেশ সরকারের ‘ডেল্টা প্ল্যান ২১০০’ বাস্তবায়নে হাইড্রোগ্রাফি সেবা এবং এ সেবা কাজে লাগিয়ে আন্তর্জাতিক হাহউড্রোগ্রাফিক সংস্থার সদস্য দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয় সেমিনারে।

 

সোমবার (২১ জুন) বাংলাদেশ নৌবাহিনীর চিফ হাইড্রোগ্রাফারের ব্যবস্থাপনায় চট্টগ্রাম নৌঅঞ্চল থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সেমিনারটি আয়োজন করা হয়। সমুদ্রপথে নিরাপদ বাণিজ্য, ব্লু-ইকোনমি এবং সমুদ্রে বিভিন্ন অর্থনৈতিক কার্যক্রমে হাইড্রোগ্রাফির গুরুত্ব জনসাধারণের কাছে তুলে ধরতে ‘হাইড্রোগ্রাফি দিবস-২০২১’ পালন করা হয়েছে। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য বিষয় ‘হাইড্রোগ্রাফিতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার একশত বছর। ’ 

সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম নৌ অঞ্চলের আঞ্চলিক কমান্ডার রিয়ার অ্যাডমিরাল এম মোজাম্মেল হক। বর্তমানে বিশ্বব্যাপী করোনা পরিস্থিতির কারণে সেমিনারে ভিটিসির মাধ্যমে ঊর্ধ্বতন নৌ কর্মকর্তা, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, হাইড্রোগ্রাফি ও মেরিটাইম সংস্থাগুলোর প্রতিনিধি, ন্যাশনাল হাইড্রোগ্রাফিক কমিটির সদস্য, বন্দর, বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি এবং সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তারা অংশ নেন।  

বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক হাইড্রোগ্রাফিক সংস্থার ৭০তম সদস্য দেশ হিসেবে হাইড্রোগ্রাফি সংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ নৌবাহিনী দেশের সমুদ্র অঞ্চলের সব হাইড্রোগ্রাফিক কার্যক্রমের ফোকাল পয়েন্ট হিসেবে কাজ করছে। বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সহকারী নৌপ্রধান (অপারেশন্স) ন্যাশনাল হাইড্রোগ্রাফিক কমিটির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করে আসছেন। এ কমিটি হাইড্রোগ্রাফির প্রচার-প্রসার, জাতীয় হাইড্রোগ্রাফিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পারস্পারিক সহযোগিতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।  

ইতিমধ্যে বাংলাদেশ নৌবাহিনী আন্তর্জাতিক হাইড্রোগ্রাফিক সংস্থার মান অনুযায়ী পেপার ও ইলেকট্রনিক নটিক্যাল চার্ট তৈরিতে সক্ষমতা ও সফলতা অর্জন করেছে। বর্তমানে বাংলাদেশ নৌবাহিনী সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের মাধ্যমে দেশের অধিকৃত সমুদ্র অঞ্চলের ৯টি আন্তর্জাতিক সিরিজের চার্ট এবং ১১টি ইলেক্ট্রনিক নেভিগেশনাল চার্টসহ ৬৩টি নটিক্যাল চার্ট প্রকাশ করেছে, যা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ব্যাপক সমাদৃত হয়েছে। এ সব চার্ট সমুদ্রপথে নিরাপদ চলাচলে নিয়মিতভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

বাংলাদেশ সময়: ১৮১৭ ঘণ্টা, জুন ২১, ২০২১
এআর/টিসি

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa