ঢাকা, সোমবার, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮, ১৪ জুন ২০২১, ০৩ জিলকদ ১৪৪২

চট্টগ্রাম প্রতিদিন

বন্দর চেয়ারম্যান ও কাস্টম কমিশনারের সহযোগিতা চায় বিজিএমইএ

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৭৫১ ঘণ্টা, মে ৫, ২০২১
বন্দর চেয়ারম্যান ও কাস্টম কমিশনারের সহযোগিতা চায় বিজিএমইএ চট্টগ্রাম বন্দর চেয়ারম্যানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন বিজিএমইএ নেতারা

চট্টগ্রাম: তৈরি পোশাক শিল্পের মন্দাবস্থা উত্তরণে পণ্য চালান দ্রুত খালাস ও রফতানি সহজতর করতে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এম শাহজাহান ও কাস্টম হাউসের কমিশনার এম ফখরুল আলমের সহযোগিতা চেয়েছে বিজিএমইএ।  

বুধবার (৫ মে) বিজিএমইএর নব-নির্বাচিত প্রথম সহ-সভাপতি সৈয়দ নজরুল ইসলামের নেতৃত্বে সংগঠনের নেতারা বন্দর চেয়ারম্যান ও কাস্টম হাউস কমিশনারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এ সহযোগিতা চান।

  

সৈয়দ নজরুল ইসলাম বলেন, বিশ্বব্যাপী করোনা মহামারিতে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পে চরম বিপর্যয় নেমে এসেছে। জাতীয় অর্থনীতিতে এর ব্যাপক নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া ইতিমধ্যে দৃশ্যমান। পরিস্থিতি উত্তরণে সরকারসহ সবার সহযোগিতায় পোশাক শিল্পখাত ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।  

তিনি বলেন, কর্মসংস্থান ও বৈদেশিক মুদ্রা আহরণসহ অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে পোশাক শিল্পের কোনো বিকল্প নেই।  

করোনাকালীন দুঃসময়ের মধ্যেও সার্বক্ষণিকভাবে কাস্টমস ও চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সহযোগিতার জন্য তিনি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।  

চলমান মন্দাবস্থা উত্তরণে পোশাক শিল্পের পণ্য চালান দ্রুত খালাস ও ক্রেতার নির্ধারিত সময়ে রফতানি নিশ্চিতকরণে কাস্টমস ও চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।  
বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়াল অ্যাডমিরাল এম শাহজাহান বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতিতে পোশাক শিল্প অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। রফতানি প্রবৃদ্ধি অব্যাহত রাখার লক্ষ্যে বন্দর কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন সীমাবদ্ধতার মধ্যেও আমদানি-রফতানি সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম সুচারুভাবে সম্পাদন করছে।  

তিনি আসন্ন ঈদুল-ফিতরের ছুটি পরবর্তীতে বন্দর থেকে পণ্য চালান দ্রুত ডেলিভারি নেওয়া, আমদানি খরচ কমানোর লক্ষ্যে বন্দর কর্তৃপক্ষের বিভিন্ন পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন। পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনাল, বে-টার্মিনালসহ বন্দরের অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন পরিকল্পনা তুলে ধরেন। এ লক্ষ্যে বিজিএমইএসহ সব স্টেকহোল্ডারদের সহযোগিতা কামনা করেন।
কাস্টম হাউসের কমিশনার এম ফখরুল আলম বলেন, করোনা পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী সমাজকে সহযোগিতা তথা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ধরে রাখার লক্ষ্যে কাস্টম হাউস, চট্টগ্রাম সার্বক্ষণিকভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করছে।  

পোশাক শিল্পের আমদানি-রফতানি কার্যক্রম সহজীকরণসহ দ্রুততার সঙ্গে সম্পাদনে পারস্পরিক আলোচনার ভিত্তিতে পদক্ষেপ গ্রহণের আশ্বাস দেন তিনি।  

বক্তব্য দেন বিজিএমইএর সাবেক প্রথম সহ-সভাপতি এরশাদ উল্ল্যাহ, নাসিরউদ্দিন চৌধুরী, সাবেক পরিচালক হেলাল উদ্দিন চৌধুরী ও অঞ্জন শেখর দাশ।  

উপস্থিত ছিলেন বিজিএমইএর সহ-সভাপতি রাকিবুল আলম চৌধুরী, পরিচালক এমডিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী, এএম শফিউল করিম (খোকন), মো. হাসান (জেকি), এম এহসানুল হক, মিরাজ-ই-মোস্তফা (কায়সার), মেসার্স শার্ট মেকার্স লিমিটেডের এমডি শাহাদাত মোশাররফ খান প্রমুখ।

বন্দর চেয়ারম্যানের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য (প্রশাসন ও পরিকল্পনা) মো. জাফর আলম সদস্য, সদস্য (হারবার ও মেরিন), কমোডর মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান, সচিব মো. ওমর ফারুক, সচিব, পরিচালক (পরিবহন) এনামুল করিম ও পরিচালক (নিরাপত্তা) লে. কর্নেল মোস্তফা আরিফ উর রহমান খান প্রমুখ।  

বাংলাদেশ সময়: ১৭৪৬ ঘণ্টা, মে ০৫, ২০২১
এআর/টিসি
 

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa