ঢাকা, বুধবার, ১৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৭, ০২ ডিসেম্বর ২০২০, ১৫ রবিউস সানি ১৪৪২

চট্টগ্রাম প্রতিদিন

চাঁদা চেয়ে প্রাণনাশের হুমকি, তিনজনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৪৫৪ ঘণ্টা, অক্টোবর ২৩, ২০২০
চাঁদা চেয়ে প্রাণনাশের হুমকি, তিনজনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা

চট্টগ্রাম: প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ১ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে কর্ণফুলী উপজেলার চরলক্ষ্যার বাসিন্দা তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন মো. ওয়াসিম নামে এক কেয়ারটেকার।

১৯ অক্টোবর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ মামলাটি দায়ের করা হয়।

মামলার বাদি মো. ওয়াসিম কর্ণফুলী উপজেলার চরপাথরঘাটা ইউনিয়নের দিল মোহাম্মদ ছেলে।  

মামলায় আসামিরা হলেন-চরলক্ষ্যা গ্রামের খোরশেদ আলমের ছেলে ইকবাল খোরশেদ প্রকাশ ডা. ইকবাল (৪০), গোলাম কাদেরের ছেলে আনু মিয়া (৪২) ও চান মিয়ার ছেলে জিকু (২৫)। এছাড়া মামলায় ৪/৫ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।  

বাদি পক্ষের আইনজীবী জোবাইরুল হক বাংলানিউজকে বলেন, প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ১ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে কর্ণফুলী উপজেলার চরলক্ষ্যার বাসিন্দা তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন মো. ওয়াসিম। আদালত মামলাটি কর্ণফুলী থানাকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।  

মামলার অভিযোগে বাদী মো. ওয়াসিম উল্লেখ করেন, দীর্ঘদিন তিনি উপজেলার চরলক্ষ্যা এলাকার মাহবুব আলমের কেয়ারটেকার হিসেবে চাকরি করেন। ঘটনার ২০ দিন পূর্বে আসামিরা অজ্ঞাত আরও ৪/৫ জনসহ কেয়ারটেকারের কর্মস্থলে এসে তার কাছ থেকে ১ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করেন। তিনি কেয়ারটেকার হিসেবে চাকরি করেন বলে জানালে আসামিরা জায়গার মালিকের কাছ থেকে ১ লক্ষ টাকা চাঁদা এনে রাখার কথা জানান। অন্যথায় জায়গাতে নির্মাণ কাজ করতে দেবে না এবং উচ্ছেদসহ প্রাণে মেরে ফেলার হুমকির দেন।

বাদি অভিযোগে আরও উল্লেখ করেন, গত ১৭ অক্টোবর আসামিরা পুর্ব পরিকল্পিতভাবে দেশীয় অস্ত্রসহ ঘটনাস্থলে এসে পুনরায় ১ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করেন। এসময় আসামিরা তাকে মারধর করেন এবং হত্যার উদ্দেশ্যে গলা টিপে ধরেন। পরে তার চিৎকার শুনে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে আসামিরা ভাঙচুর চালিয়ে পালিয়ে যায়।  

বাংলাদেশ সময়: ১৪৫০ ঘণ্টা, অক্টোবর ২৩, ২০২০
এসকে/টিসি

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa