ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৬ মাঘ ১৪২৭, ২১ জানুয়ারি ২০২১, ০৭ জমাদিউস সানি ১৪৪২

চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ইরানি পেঁয়াজ এলো খাতুনগঞ্জের আড়তে

আল রাহমান, সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০০১ ঘণ্টা, অক্টোবর ১৫, ২০২০
ইরানি পেঁয়াজ এলো খাতুনগঞ্জের আড়তে পেঁয়াজ। ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রাম: ভারত পেঁয়াজ রফতানির পর সমুদ্রপথে চট্টগ্রাম বন্দরে প্রথম পেঁয়াজের চালান আসে মিয়ানমার ও পাকিস্তান থেকে। এরপর চীন।

সর্বশেষ এ তালিকায় যুক্ত হলো ইরান।  

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) ভোগ্যপণ্যের বড় পাইকারি বাজার খাতুনগঞ্জের আড়তে প্রতিকেজি ইরানি পেঁয়াজ পাইকারিতে বিক্রি হয়েছে ৬৫-৬৮ টাকা। মিয়ানমারের পেঁয়াজ ৬৮-৭০ টাকা, চীনা পেঁয়াজ ৫০-৫৫ টাকা, পাকিস্তানি পেঁয়াজ ৬০-৬২ টাকা এবং দেশি পেঁয়াজ ৭৬-৭৮ টাকা বিক্রি হয়েছে।  

খাতুনগঞ্জের বড় পেঁয়াজ বিপণিকেন্দ্র হামিদুল্লাহ মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইদ্রিস বাংলানিউজকে বলেন, মিয়ানমার, পাকিস্তান, চীনের পর সমুদ্রপথে ইরানের পেঁয়াজ এসেছে। পাইপলাইনে মিশর, তুরস্ক, হল্যান্ডসহ আরও বেশ কয়েকটি দেশের পেঁয়াজ আছে। আশাকরি, আগামী সপ্তাহে পেঁয়াজের সরবরাহ আরও বাড়বে।  

মোহাম্মদীয়া বাণিজ্যালয়ের মালিক হাজি মিন্টু সওদাগর বাংলানিউজকে বলেন, মিশরের পেঁয়াজের কোয়ালিটি ভালো। তুরস্কের পেঁয়াজের স্যাম্পল মোবাইল ফোনে দেখেছি, ভালো মনে হয়েছে। সমস্যা হচ্ছে মিয়ানমারের যেসব পেঁয়াজ সমুদ্রপথে রেফার (শীততাপ নিয়ন্ত্রিত) কনটেইনারে আসছে সেখানে কিছু চালানে পেঁয়াজ লতা (অঙ্কুর বা চারা) হয়ে যাচ্ছে। কিন্তু টেকনাফ স্থলবন্দর দিয়ে যেসব মিয়ানমারের পেঁয়াজ আসছে সেগুলোর কোয়ালিটি ভালো। চারা গজিয়ে যাওয়া পেঁয়াজ ১০-১৫ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে পাইকারিতে।  

তিনি বলেন, ইরানি পেঁয়াজ দেখতে একটু কালোরঙের হলেও খোসা ছাড়ানোর পর চমৎকার দেখলাম। শিগগির বাংলাদেশের মানুষ এক ডজনের বেশি দেশের ছোট, বড়, লম্বাটে, সোনালি, সাদা, গোলাপি রঙের বিচিত্রসব পেঁয়াজের স্বাদ পাবেন।  

চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরের উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপ-পরিচালক ড. মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান বুলবুল বাংলানিউজকে জানান, বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) পর্যন্ত চট্টগ্রাম বন্দরে ৭৫টি আমদানি অনুমতিপত্রের (আইপি) বিপরীতে আসা বিভিন্ন দেশের ৪ হাজার ৪৫৯ টন পেঁয়াজের ছাড়পত্র ইস্যু করা হয়েছে। এসব পেঁয়াজ আমদানিকারক থেকে পাইকারি বাজার হয়ে খুচরা বাজারে ঢুকছে।  

তিনি জানান, এ পর্যন্ত চট্টগ্রাম থেকেই ৪০৬টি আইপির বিপরীতে ১ লাখ ৮৩ হাজার ২০৩ টন পেঁয়াজ আমদানি অনুমতি নিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। চীন, মিশর, তুরস্ক, মিয়ানমার, নিউজিল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস, মালয়েশিয়া, সাউথ আফ্রিকা, ইউক্রেন, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই), ভারত (২০০ টন) ও পাকিস্তান থেকে এসব পেঁয়াজ আনার উদ্যোগ নিয়েছেন তারা।

বাংলাদেশ সময়: ১৯৫২ ঘণ্টা, অক্টোবর ১৫, ২০২০
এআর/টিসি

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
welcome-ad
Alexa