ঢাকা, শুক্রবার, ১৪ কার্তিক ১৪২৭, ৩০ অক্টোবর ২০২০, ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

চট্টগ্রাম প্রতিদিন

বিজিএমইএর ৫৫ প্রতিষ্ঠানের ৮০ কর্মকর্তাকে প্রশিক্ষণ

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট  | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০৩৫ ঘণ্টা, সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২০
বিজিএমইএর ৫৫ প্রতিষ্ঠানের ৮০ কর্মকর্তাকে প্রশিক্ষণ প্রশিক্ষণ সনদ বিতরণ

চট্টগ্রাম: নগরের খুলশীর বিজিএমইএর আঞ্চলিক কার্যালয়ের মাহাবুব আলী মিলনায়তনে ৫৫ প্রতিষ্ঠানের ৮০ জন মিড-লেভেল কর্মকর্তাকে প্রশিক্ষণ সনদ বিতরণ করা হয়েছে।  

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিজিএমইএ-সেইফ (স্কিল ফর এমপ্লয়মেন্ট ইনভেস্টমেন্ট প্রোগ্রাম) প্রকল্পের আওতায় এ প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।


    
সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদফতর চট্টগ্রামের উপ-মহাপরিদর্শক মো. আল আমীন প্রধান অতিথি ছিলেন। সভাপতিত্ব করেন বিজিএমইএর পরিচালক এনামুল আজিজ চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিজিএমইএর পরিচালক অঞ্জন শেখর দাশ, মোহাম্মদ আতিক, খন্দকার বেলায়েত হোসেন ও মিরাজ-ই-মোস্তফা কায়ছার, সাবেক পরিচালক এমডিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী ও সাইফ উল্ল্যাহ মনসুর।  

মো. আল আমীন বলেন, বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্প বাংলাদেশের অর্থনীতি ও জিডিপিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। রফতানি বৃদ্ধির লক্ষ্যে পোশাক শিল্প সংশ্লিষ্ট মিড-লেভেল কর্মকর্তাসহ শ্রমিকদের প্রশিক্ষণের কোনো বিকল্প নেই। প্রশিক্ষিত জনশক্তিই দেশের অর্থনীতিতে ভূমিকা পালন করে ভবিষ্যতে বিদেশে রফতানি সম্ভব হবে।

তিনি চলমান করোনা মহামারী পরিস্থিতিতে সরকার নির্দেশিত স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালন করে পোশাক কারখানা চালু রেখে দেশের অর্থনীতিকে সচল রাখার জন্য বিজিএমইএসহ পোশাক শিল্প মালিকদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।

এনামুল আজিজ চৌধুরী বলেন, বিজিএমইএ-সেইফ প্রকল্পটি সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত। চট্টগ্রাম বিজিএমইএতে প্রথমবারের মতো এ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু করার বিষয়ে সার্বিক সহযোগিতার জন্য বিজিএমইএর সভাপতি ড. রুবানা হক ও প্রথম সহ-সভাপতি মোহাম্মদ আবদুস সালামের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই।  

তিনি বলেন, পোশাক শিল্পের উন্নয়নের জন্য প্রশিক্ষিত মানবসম্পদের বিকল্প নেই। সোশ্যাল কমপ্লায়েন্স অ্যান্ড ফায়ার সেইফটি বিষয়ে যারা প্রশিক্ষণ নিয়েছেন তা নিজ নিজ কারখানায় কাজে লাগিয়ে অন্যদের প্রশিক্ষিত করে মানসম্পন্ন কারখানা তৈরিতে ভূমিকা রাখতে হবে।  

অঞ্জন শেখর দাশ বলেন, পোশাক শিল্পের বর্তমান ক্রান্তিকাল উত্তরণে এ ধরনের প্রশিক্ষণ বিশেষ ভূমিকা রাখবে।  

এমডিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী বলেন, বর্তমান করোনাকালীন দুর্যোগ পরিস্থিতি মোকাবেলায় স্বাস্থ্য-বিধি যথাযথ ভাবে প্রতিপালন করতে হবে।

স্বাগত বক্তব্যে বিজিএমইএর এনজিও অ্যান্ড সেইফ বিষয়ক স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান ওয়াদুদ মোহাম্মদ চৌধুরী বলেন, এ প্রকল্পের আওতায় আরও বড় পরিসরে প্রশিক্ষণ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

অনুভূতি জানান প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত জেএমএস গ্রুপের এক্সিকিউটিভ অফিসার সায়েরা খাতুন ও এশিয়ান গ্রুপের এক্সিকিউটিভ অফিসার সৈয়দ জিয়াউল ইসলাম।

বাংলাদেশ সময়: ২০৩৩ ঘণ্টা, সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২০
এআর/এসকে/টিসি

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa