ঢাকা, মঙ্গলবার, ৪ কার্তিক ১৪২৭, ২০ অক্টোবর ২০২০, ০২ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ছাত্রলীগকে গৌরবময় ঐতিহ্য ধরে রাখতে হবে : রেজাউল

নিউজ ডেস্ক | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৮২৭ ঘণ্টা, সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২০
ছাত্রলীগকে গৌরবময় ঐতিহ্য ধরে রাখতে হবে : রেজাউল বক্তব্য দেন চসিক নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী এম রেজাউল করিম চৌধুরী

চট্টগ্রাম: নগর আওয়ামী লীগের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী এম রেজাউল করিম চৌধুরী বলেছেন, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ একটি ঐতিহ্যবাহী সংগঠন। অনেক সোনালি অর্জনের গৌরবে সমৃদ্ধ ছাত্রলীগ তার ঐতিহ্যের ধারা বজায় রাখতে হবে।

 

শুক্রবার (১৭ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের বঙ্গবন্ধু হলে জাতীয় শিক্ষা দিবস উপলক্ষে নগর ছাত্রলীগের আলোচনা সভা ও ছাত্রসমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, জাতির স্বার্থে ছাত্রলীগ বার বার রক্ত দিয়েছে, আত্মবলিদান করেছে। আমাদের ইতিহাস করুণ আর্তনাদের ইতিহাস। শোষণ, নিপীড়ন, বঞ্চনার ইতিহাস। করুণ ইতিহাসের বিপরীতে ছাত্রলীগ অধিকার আদায়ের সংগ্রাম, আত্মত্যাগ ও গৌরবের ইতিহাস সৃষ্টি করেছে বারবার।  

তিনি বলেন, বাঙালি জাতিকে যাতে অশিক্ষিত, মূর্খ করে রাখা যায়, যাতে সহজেই প্রহসন-প্রবঞ্চনা করা যায় সেজন্য স্বৈরাচারী আইয়ুব সরকার শরীফ কমিশনের মাধ্যমে একটি শিক্ষানীতি প্রণয়ন করে। যাতে কেবল পাকিস্তানের ধনী পরিবারের লেখাপড়ার সুযোগ ছিল। আমাদের মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্তদের জন্য শিক্ষা লাভের পথ কঠিন করে দিয়েছিল এ শরীফ শিক্ষা কমিশন রিপোর্ট।

‘প্রতিবাদে সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের মূল নেতৃত্বে থেকে ছাত্রলীগ সফল আন্দোলনের মধ্য দিয়ে এ শিক্ষানীতি বর্জন করে এবং সরকারকে এ নীতি বাতিল করতে বাধ্য করে। শিক্ষা গ্রহণ আমাদের সুযোগ নয়, আমাদের অধিকার। ’

তিনি বলেন, যারা শিক্ষকদের কিনে নিতে চায়, শিক্ষাকে যারা পণ্য বানাতে চায় তাদের সর্বক্ষেত্রে বর্জন করতে হবে। সব শ্রেণি পেশার নাগরিকরা যাতে শিক্ষার অধিকার পায়, ছাত্রলীগকে সে বিষয়ে সজাগ থাকতে হবে। শিক্ষা ক্ষেত্রে বৈষম্য দূরীকরণে ছাত্রলীগকে ভূমিকা রাখতে হবে।  

প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির উপাচার্য ও বিশিষ্ট সমাজবিজ্ঞানী ড. অনুপম সেন বলেন, আইয়ুব খান সরকারের শরীফ কমিশন যে শিক্ষানীতি প্রণয়ন করে তা ছিল ধনীদের জন্য। এ শিক্ষা্ কমিশনের মাধ্যমে গরিব-অসহায় মানুষ পড়ালেখার সুযোগ হারিয়ে ফেলে। ছাত্রলীগ সেসময় তীব্র আন্দোলন করলে আইয়ুব খান সরকার এ শিক্ষানীতি বাতিল করতে বাধ্য হয়।  

নগর ছাত্রলীগের সভাপতি ইমরান আহম্মেদ ইমুর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া দস্তগীরের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য দেন সহ-সভাপতি তালেব আলী, ইয়াছিন আরাফাত কচি, নোমান চৌধুরী, একরামুল হক রাসেল, নাঈম রনি, জয়নাল উদ্দিন জাহেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক খোরশেদ আলম মানিক, আমির হামজা, ত্রাণ ও দুর্যোগ বিষয়ক সম্পাদক  আবুল মনসুর টিটু, গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক ওসমান গনি বাপ্পি, উপ-সম্পাদক শফিকুল আলম, শরিফুল ইসলাম আদনান, সহ-সম্পাদক এম হাসান আলী, কায়ছার মোহাম্মদ রাজু, শুভ ঘোষ, সদস্য মিজানুর রহমান, আরাফাত রুবেল, শেখর দাশ প্রমুখ।

বাংলাদেশ সময়: ১৮২০ ঘণ্টা, সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২০ 
জেইউ/টিসি

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa