ঢাকা, রবিবার, ১২ আশ্বিন ১৪২৭, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৮ সফর ১৪৪২

চট্টগ্রাম প্রতিদিন

আমার মেয়াদে কেউ দুর্নীতি করে পার পাবে না: সুজন

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৭৩৪ ঘণ্টা, আগস্ট ১৩, ২০২০
আমার মেয়াদে কেউ দুর্নীতি করে পার পাবে না: সুজন চসিক রাজস্ব বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে বৈঠক করেন খোরশেদ আলম সুজন

চট্টগ্রাম: দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার ঘোষণা দিয়ে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন বলেছেন, আমার মেয়াদে কেউ দুর্নীতি করে পার পাবে না। আমি যদি নিজে দুর্নীতি করি তাহলে আমাকে কেন আপনারা সুযোগ দেবেন।

আপনাদেরও দায়িত্ব আছে।

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) নগরের টাইগারপাসে চসিকের অস্থায়ী কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে চসিক রাজস্ব বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে বৈঠকে এ ঘোষণা দেন তিনি।  

সেই সঙ্গে নির্দেশ দিয়েছেন নগরের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে চসিকের বেহাত হওয়া সম্পত্তি উদ্ধারের।  

চলতি অর্থবছরের রাজস্ব আদায়ের চিত্র দেখে প্রশাসক অসন্তোষ প্রকাশ করে আগামী এক মাসের  মধ্যে সর্বোচ্চ  রাজস্ব আদায় এবং  চট্টগ্রাম মহানগরের সব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের নির্দেশ দেন।  

রাজস্ব বিভাগে কর্মরতদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব ও কর্তব্য সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে পালন করার তাগাদা দিয়ে প্রশাসক বলেন, আপনাদের ওপরই চসিকের আর্থিক সঙ্গতি নির্ভরশীল। বকেয়া হোল্ডিং ট্যাক্স, ট্রেড লাইসেন্সসহ চসিকের আয় সংশ্লিষ্ট খাতগুলো শক্তিশালী করতে রাজস্ব বিভাগে কর্মরতদের ভূমিকা অপরিসীম।  

তিনি বলেন, চসিকের রাজস্ব খাতটি হচ্ছে আমাদের মূল চালিকা শক্তি। এখান থেকেই চসিকের সব কার্যক্রম পরিচালিত হয়।  

তাই হোল্ডিং ট্যাক্স প্রদানে নগরবাসীকে উদ্বুদ্ধ করতে রাজস্ব বিভাগে কর্মরতদের পরামর্শ দেন প্রশাসক।  

সম্প্রতি রাজস্ব বিভাগে অভ্যন্তরীণ বদলির বিষয় তুলে ধরে প্রশাসক বলেন, এটি একটি চলমান পক্রিয়া। এতে করে এক সার্কেলে কর্মরতরা অন্য সার্কেলে গিয়ে অভিজ্ঞতা আদান-প্রদানের সুযোগ পাবেন। রাজস্ব আদায়কারীদের মধ্যে যারা তাদের টার্গেট পূরণ ও আয়বর্ধক কাজে অবদান রাখবেন তাদের চসিকের পক্ষ থেকে পুরস্কৃত করা হবে।

ব্যর্থতার দায়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে উল্লেখ করে প্রশাসক রাজস্ব আনাদায়ী হোল্ডিং নম্বরগুলো চিহ্নিত করে স্ব স্ব এলাকায় প্রদর্শনের ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেন।  

মতবিনিময়কালে চসিক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শামসুদ্দোহা, সচিব আবু শাহেদ চৌধুরী, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা মুফিদুল আলম, প্রশাসকের একান্ত সচিব মোহাম্মদ আবুল হাশেম, রাজস্ব কর্মকর্তা সাহেদা পারভীন, সহকারী এস্টেট অফিসার আবদুল্লাহ আল মামুন, কর কর্মকর্তা মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন, মোহাম্মদ মেজবাহ উদ্দিন, মোহাম্মদ আনিসুর রহমান, নুরুল আলম, এসএম সালাউদ্দিন, মোহাম্মদ ইউসুফ, উপ কর কর্মকর্তা এখলাস উদ্দিন আহমদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ সময়: ১৭৩১ ঘণ্টা, আগস্ট ১৩, ২০২০
এআর/এসকে/টিসি

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa