bangla news

বন্দর সিবিএ ভবনে করোনা পরীক্ষার নমুনা সংগ্রহ শুরু 

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০২০-০৫-২৮ ১১:৫১:০৪ এএম
প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি

চট্টগ্রাম: দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দরের কর্মীদের করোনার পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ বুথ চালু করা হয়েছে। প্রতিদিন ১৪ জনের নমুনা সংগ্রহ করে পাঠানো হচ্ছে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের ল্যাবে। সেখান থেকে অনলাইনে জানিয়ে দেওয়া হবে ফলাফল।

বন্দরের চিকিৎসক ডা. আহসান হাবিব বাংলানিউজকে জানান, আমরা একজন চিকিৎসক ও প্রশিক্ষিত একজন প্যাথলজিস্টকে নমুনা সংগ্রহ বুথে রেখেছি। চিকিৎসক তাপমাত্রা, লক্ষণ ইত্যাদি বিবেচনা করে ১৪ জনকে নমুনা সংগ্রহের জন্য নির্বাচিত করছেন। এরপর নমুনা সংগ্রহ করে বিশেষ ব্যবস্থায় সেগুলো চমেক হাসপাতালের করোনা ল্যাবে পাঠিয়ে দিচ্ছি। সেখান থেকে অনলাইনে ফলাফল পাঠানোর কথা রয়েছে। 

সূত্র জানায়, বুধবার (২৭ মে) থেকে নমুনা সংগ্রহ বুথের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। প্রথম দিন নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ১৪ জনের।

নমুনা সংগ্রহের পাশাপাশি বন্দর রিপাবলিক ক্লাবকে ১০ শয্যার কোয়ারেন্টিন সেন্টার হিসেবে গড়ে তুলেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। বর্তমানে সেখানে কোয়ারেন্টিনে রয়েছেন ২ জন। 

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব মো. ওমর ফারুক বাংলানিউজকে বলেন, বৈশ্বিক মহামারী করোনাভাইরাস প্রতিরোধে বন্দর কর্তৃপক্ষ সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করার পাশাপাশি ব্যক্তিগত সুরক্ষা মেনে দায়িত্ব পালনে কর্মীদের নির্দেশনা দিয়েছে। প্রয়োজনীয় জায়গাগুলোতে হাত ধোয়ার ব্যবস্থা করেছে। তাপমাত্রা পরীক্ষার ব্যবস্থা রেখেছে। মাস্ক, হ্যান্ড স্যানিটাইজার, পিপিই, গ্লভস ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ করেছে। এসব কারণে সরকারি সাধারণ ছুটির মধ্যেও ২৪ ঘণ্টা ৭ দিন বন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম ও ডেলিভারি সচল রাখা সম্ভব হয়েছে। 

সর্বশেষ বন্দর কর্তৃপক্ষ রিপাবলিক ক্লাবকে কোয়ারেন্টিন সেন্টার ও পাশের সিবিএ ভবনে নমুনা সংগ্রহ বুথ চালু করেছে। কোয়ারেন্টিন সেন্টারটি ৫০ শয্যায় উন্নীত করা যাবে। এখানে যারা থাকছেন তাদের খাবার, ওষুধসহ প্রয়োজনীয় সব কিছু কর্তৃপক্ষ সরবরাহ করছে। যদি কারও আইসিইউ সাপোর্ট প্রয়োজন হয় তবে তাদের সরকারি হাসপাতালে পাঠানো হবে। 

বন্দরে দায়িত্বরত স্বাস্থ্য অধিদফতরের কর্মকর্তা ডা. মোতাহার হোসেন বাংলানিউজকে জানান, করোনার শুরু থেকে বৃহস্পতিবার সকাল আটটা পর্যন্ত চট্টগ্রাম বন্দরে আসা ১৪ হাজার ৪৭০ জন দেশি-বিদেশি জাহাজের নাবিক, ক্যাপ্টেন ও পাইলটের স্ক্রিনিং কার্যক্রম সম্পন্ন করেছি আমরা। কিছু জাহাজ বহির্নোঙরে অবস্থানকালে এবং কিছু জাহাজ বন্দরের মূল জেটিতে প্রবেশের পর নাবিকদের স্ক্রিনিং করা হয়েছে। পাশাপাশি ইমিগ্রেশন পয়েন্টেও স্ক্রিনিং কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

সূত্র জানায়, গত ৫ মে বন্দরের ওয়ান স্টপ সার্ভিসের কর্মী আবদুল হালিম মিয়া করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা যান। আক্রান্ত হয়েছেন আরও কয়েকজন। 

বাংলাদেশ সময়: ১১৪১ ঘণ্টা, মে ২৮, ২০২০
এআর/টিসি

        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
cache_14 2020-05-28 11:51:04