ঢাকা, শুক্রবার, ১০ আশ্বিন ১৪২৭, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৬ সফর ১৪৪২

চট্টগ্রাম প্রতিদিন

খুলশীতে ভবন লকডাউন, কোরিয়ান রেস্তোরাঁ বন্ধ

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২২১৩ ঘণ্টা, মার্চ ২৪, ২০২০
খুলশীতে ভবন লকডাউন, কোরিয়ান রেস্তোরাঁ বন্ধ খুলশীতে ভবন লকডাউন, কোরিয়ান রেস্তোরাঁ বন্ধ। ছবি: বাংলানিউজ

চট্টগ্রাম: নগরের খুলশী আবাসিক এলাকার ২ নম্বর রোডের একটি ভবন লকডাউন করে দিয়েছে প্রশাসন। ওই ভবনের একটি ফ্ল্যাটের বাসিন্দা জাপানি নাগরিক আকিরো সাইতো হোম কোয়ারেন্টিন না মেনে কর্মস্থলে যাতায়াত করায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) বিকেলে খুলশী এলাকায় বসবাস করা বিদেশি নাগরিকদের যারা সম্প্রতি বাইরে থেকে এসেছেন তারা হোম কোয়ারেন্টিন মানছেন কি না- তা মনিটরিং করতে অভিযান পরিচালনা করে জেলা প্রশাসন। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. তৌহিদুল ইসলাম এতে নেতৃত্ব দেন।

তিনি বাংলানিউজকে জানান, জাপানি নাগরিক আকিরো সাইতো ১১ মার্চ জাপান থেকে বাংলাদেশে আসেন। নির্দেশনা অনুযায়ী ২৫ মার্চ পর্যন্ত তার হোম কোয়ারেন্টিনে থাকার কথা। কিন্তু অভিযানে গিয়ে তাকে হোম কোয়ারেন্টিনে পাইনি আমরা। বাড়ির কেয়ারটেকার এবং স্থানীয়রা আমাদের জানিয়েছেন, তিনি হোম কোয়ারেন্টিন না মেনে ইপিজেড এলাকার একটি ফ্যাক্টরিতে কাজ করেন।

মো. তৌহিদুল ইসলাম জানান, খুলশী থানা পুলিশকে ওই ভবনে যাতে কেউ যাতায়াত করতে না পারে, সে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ভবনটির কেউ বাইরে আসতে পারবেন না। বাইরে থেকে কেউ ভবনে প্রবেশ করতে পারবেন না।  

ভবনটিতে লাল পতাকা লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে। এটি আপাতত লকডাউন অবস্থায় থাকবে। এছাড়া জাপানি নাগরিক আকিরো সাইতো’র ওপর নজরদারি করতে খুলশী থানাকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।  

এদিকে দক্ষিণ কোরিয়ার নাগরিক সি জং কিম বাংলাদেশে আসেন ১৫ মার্চ। তিনি বাংলাদেশের ঠিকানা হিসেবে ইমিগ্রেশনে খুলশীর একটি রেস্টুরেন্টের নাম উল্লেখ করেন। অভিযানে গিয়ে তাকেও হোম কোয়ারেন্টিনে পাননি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। তবে রেস্টুরেন্টের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সি জং কিম প্রায়ই এ রেস্টুরেন্টে খেতে আসেন। এ কারণে রেস্টুরেন্টটি বন্ধ করে দেওয়া হয়।  

মঙ্গলবার খুলশীর ঠিকানা ব্যবহার করা দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান, কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া ও চীনের প্রায় ৩০ নাগরিকের মধ্যে ১০ জন নাগরিকের বাসায় অভিযান পরিচালনা করা হয় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে। যারা সম্প্রতি বাইরে থেকে বাংলাদেশে এসেছেন। এর মধ্যে ৪ জন হোম কোয়ারেন্টিনে থাকলেও বাকি ৬ জনকে হোম কোয়ারেন্টিনে পাওয়া যায়নি।

বিদেশি নাগরিকদের মধ্যে যারা হোম কোয়ারেন্টিন মানছেন না, তাদের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দূতাবাসগুলোকে জানাতে পুলিশকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানান নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. তৌহিদুল ইসলাম।  

বাংলাদেশ সময়:২২০০ ঘণ্টা, মার্চ ২৪, ২০২০
এমআর/টিসি

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa