ঢাকা, শনিবার, ৩০ শ্রাবণ ১৪২৭, ১৫ আগস্ট ২০২০, ২৪ জিলহজ ১৪৪১

চট্টগ্রাম প্রতিদিন

চবির পদার্থবিদ্যা বিভাগ: প্রশ্নকর্তা জানেন না সিলেবাস!

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ০১৫৮ ঘণ্টা, জানুয়ারী ১০, ২০২০
চবির পদার্থবিদ্যা বিভাগ: প্রশ্নকর্তা জানেন না সিলেবাস! প্রতীকী ছবি

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) পদার্থবিদ্যা বিভাগের ২য় বর্ষের একটি কোর্সের পরীক্ষায় প্রশ্নপত্রে সিলেবাস অনুসরণ না করার অভিযোগ উঠেছে। গত ২ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত বিভাগের ২০৫ নম্বর কোর্সের পরীক্ষায় এ অসঙ্গতি দেখা গেছে।

সিলেবাসে ২০৫ নম্বর কোর্সে ৮টি প্রশ্নের মধ্যে ৫টি প্রশ্নের উত্তর দেয়ার কথা বলা আছে। প্রতি প্রশ্নের মান ১০ নম্বর করে।

তবে পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে দেখা যায় ৭টি প্রশ্নের মধ্যে ৪টি প্রশ্নের উত্তর দিতে বলা হয়েছে। অর্থাৎ প্রতিটি প্রশ্নে মান ১২.৫ নম্বর করে ধরা হয়েছে।

পরীক্ষা কমিটির চেয়ারম্যান ও ২০৫ নম্বর কোর্সের শিক্ষক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইদ্রিস মিয়া বাংলানিউজকে বলেন, পুরনো সিলেবাসে ৪টি প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার কথা বলা আছে। তবে এ বছর পরিবর্তিত সিলেবাসে কীভাবে ৪টি প্রশ্নের জায়গায় ৫টি প্রশ্ন কখন যুক্ত করা হয়েছে সেটা আমারও প্রশ্ন।

তিনি জানান, যেহেতু এ কোর্সের শিক্ষক আমি, তাই সিলেবাস পরিবর্তন হলে আমি জানার কথা। হতে পারে সিলেবাস যে প্রিন্ট করেছে সে অন্য কোর্সের প্রশ্নের পেটার্নের সঙ্গে এটা মিলিয়ে ফেলেছে।

এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, নতুন সিলেবাসের সঙ্গে প্রশ্নপত্রের প্যাটার্নের যে অমিল হয়েছে, তাতে শিক্ষার্থীদের কোনো সমস্যা হয়নি। কারণ সাবজেক্ট কনটেন্টে কোনো পরিবর্তন হয়নি। পুরনো সিলেবাসে যা ছিলো, নতুন সিলেবাসেও তা রয়েছে।

‘বরং লাভ হয়েছে। কারন তিন ঘণ্টার পরীক্ষায় শিক্ষার্থীদের জন্য ৫টি প্রশ্নের উত্তর দেয়া কঠিন। সে হিসেবে ৭টি প্রশ্নের মধ্যে ৪টি উত্তর দেয়া সহজ। ’

তিনি বলেন, পরীক্ষা চলাকালীন ২০৩ নম্বর রুমে এক শিক্ষার্থী বিষয়টি জিজ্ঞেস করে। আমি তখনই সিলেবাস চেক করে জানতে পারি সিলেবাসে ৫টি প্রশ্ন লেখার বিষয়ে বলা আছে। তবে সিলেবাসের এ পরিবর্তনটা হয়তো ভুলেই হয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ঐ কোর্সের পরীক্ষায় অংশ নেয়া একাধিক শিক্ষার্থী বাংলানিউজকে বলেন, বছরের শুরু থেকেই সিলেবাস অনুসরণ করে আমরা পড়াশোনা করেছি। শিক্ষকরাও সিলেবাস অনুসরণ করে পড়িয়েছেন। তবে পরীক্ষা দিতে এসে দেখলাম, সিলেবাসের সঙ্গে প্রশ্নেপত্রের মিল নেই। এতে স্বাভাবিকভাবেই সমস্যায় পড়তে হয়েছে আমাদের।

পদার্থবিদ্যা বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. দিল আফরোজ বেগম বাংলানিউজকে বলেন, আমরা বিষয়টি জেনেছি। এ নিয়ে অ্যাকাডেমিক কমিটির জরুরি সভায় আলোচনাও হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী পরীক্ষা নিয়ন্ত্রককে আমরা বিষয়টি জানিয়েছি। তারা সিদ্ধান্ত দেবেন।

বাংলাদেশ সময়: ২০৫৭ ঘণ্টা, জানুয়ারি ০৯, ২০২০
এমএ/টিসি

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa