bangla news

নতুন বেঞ্চ দিয়ে শিক্ষার্থীদের সারপ্রাইজ ইউএনও’র

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১৯-০৮-২৫ ৯:১৮:১২ পিএম
ট্রাকভর্তি নতুন বেঞ্চ নিয়ে শিক্ষার্থীদের সারপ্রাইজ ইউএনওর

ট্রাকভর্তি নতুন বেঞ্চ নিয়ে শিক্ষার্থীদের সারপ্রাইজ ইউএনওর

চট্টগ্রাম: প্রতিটি শ্রেণিকক্ষে বেঞ্চ সংকট। যেক’টি আছে সেগুলোও জরাজীর্ণ। ভাঙাচোরা এসব বেঞ্চ কিংবা ফ্লোরে বসেই শ্রেণি কার্যক্রমে অংশ নেয় শিক্ষার্থীরা। হাটহাজারীর সন্দ্বীপ পাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এ দৃশ্য এক যুগেরও বেশি সময়ের।

তবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রুহুল আমিনের ছোট্ট একটি উদ্যোগে বদলে গেছে বিদ্যালয়টির দীর্ঘদিনের সেই দৃশ্য।

রোববার (২৫ আগস্ট) সারপ্রাইজ ভিজিটে গিয়ে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ট্রাকভর্তি নতুন বেঞ্চ উপহার দিয়েছেন তিনি।

ইউএনও মো. রুহুল আমিন বাংলানিউজকে বলেন, উপজেলা সদর থেকে তিন কিলোমিটার দূরে সন্দ্বীপ পাড়ার অবস্থান। এ এলাকার প্রায় আড়াই হাজার পরিবারের শিশুদের একমাত্র প্রাথমিক বিদ্যালয় সন্দ্বীপ পাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়।

‘এক যুগেরও বেশি সময় ধরে সংস্কারবিহীন বিদ্যালয়টির বেহাল দশা চলতি বছরের শুরুতে উপজেলা প্রাশাসনের নজরে আসার পর সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়। সেমিপাকা বিদ্যালয় ভবন নির্মাণ করা হয়। বিদ্যুৎ সংযোগ, স্বাস্থ্য সম্মত টয়লেটের ব্যবস্থা করা হয়।’

তিনি আরও বলেন, ভবন নির্মাণের পর বিদ্যালয় পরিপাটি করার দিকে আমরা মনোযোগ দিই। তিন মাস ধরেই বিদ্যালয়ে শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ তৈরির নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সর্বশেষ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন বেঞ্চের ব্যাবস্থা করা হলো।

‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে হাজার কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছেন। প্রতিটি শিশুকে বিদ্যালয়মুখী করার নানা উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। এর সুফল আমরা প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে পৌঁছে দিতে চাই। হাটহাজারীর প্রতিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সমস্যা দূর করে শিশুদের জন্য শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে চাই।’

সন্দ্বীপ পাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হাসিনা খানম বাংলানিউজকে জানান, সকালে যথারীতি বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের পড়াচ্ছিলাম, হঠাৎ দেখি ইউএনও স্যার ট্রাকভর্তি নতুন বেঞ্চ নিয়ে হাজির। দীর্ঘদিন পর বিদ্যালয়ে নতুন বেঞ্চ দেখে আনন্দে মেতে উঠে শিক্ষার্থীরা।

তিনি বলেন, সন্দ্বীপ পাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৮৬ জন শিক্ষার্থী পড়াশোনা করে। চারজন শিক্ষক তাদের পড়ান। উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় দীর্ঘদিন ধরে নানা সমস্যায় ভূগতে থাকা বিদ্যালয়টি ঘুরে দাঁড়িয়েছে।

বাংলাদেশ সময়ঃ ২১১৫ ঘণ্টা, আগস্ট ২৫, ২০১৯
এমআর/টিসি

ক্লিক করুন, আরো পড়ুন :   চট্টগ্রাম
        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
cache_14 2019-08-25 21:18:12