ঢাকা, মঙ্গলবার, ১ আশ্বিন ১৪২৬, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯
bangla news

সমুদ্র সঙ্গমে উন্মুক্ত বিনোদন

উজ্জ্বল ধর, সিনিয়র ফটো করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১৯-০৮-১৭ ৩:১৩:৫০ পিএম
পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত। ছবি: বাংলানিউজ

পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত। ছবি: বাংলানিউজ

চট্টগ্রাম: ৬০ লক্ষ মানুষের বসবাস চট্টগ্রাম নগরে। এখানকার অধিবাসীদের সাধ আর সাধ্যের মধ্যে উন্মুক্ত বিনোদন কেন্দ্র বলতে বুঝায় উত্তর প্রান্তের পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতকেই, যেখানে শেষ হয়েছে শহরের সীমানা।

এছাড়া সকল শ্রেণির মানুষকে এক স্রোতে মিলিয়ে প্রকৃতির সাহ্নিধ্যে যাওয়ার ডাক দেয় শহর থেকে মাত্র ১৪ কিলোমিটার দূরের আনোয়ারা পারকী  সৈকত। 

পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত। ছবি: বাংলানিউজএক সময় শুধু বছরের দুই ঈদে আর দুর্গাপূজার শেষ দিনে প্রতিমা বিসর্জনকে কেন্দ্র করে মিলনমেলায় পরিণত হতো পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত।

কালের পরিক্রমায় এখন এই সৈকতে লেগেছে আধুনিকতার ছোঁয়া। পানির ঢেউয়ের হাতছানিতে সাপ্তাহিক ছুটিসহ বিভিন্ন বন্ধের দিন লাখো মানুষের ঢল নামে এই সৈকতে।

পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত। ছবি: বাংলানিউজবেড়াতে এসেই কিশোর আর যুবকরা নেমে পড়ে লবণ পানির সমুদ্র স্নানে। ভাটার সময় অনেকে আবার ঘোড়া আর স্কুটি নিয়ে ছুটে চলে সৈকতের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে। কেউবা স্পীড বোর্ডে চড়ে ঢেউয়ের তালে লাফিয়ে লাফিয়ে ছুটে বেড়ায় সাগরের বুকে।

চোখের সামনে দৃষ্টিজুড়ে অসংখ্য দেশি-বিদেশি জাহাজ পণ্য নিয়ে নোঙ্গর করে থাকে সব সময়। জাহাজের মাস্তুলের ফাঁক গলিয়ে সূর্যটা হেলে পড়ে যেন অতল পানিতে হারিয়ে যায়। আর সেই দৃশ্য অবলোকন করে প্রেমিক জুটি থেকে শুরু করে পরিবার-পরিজন নিয়ে আসা দর্শনার্থীরা। কেউবা ক্যামেরাবন্দি করে রাখে সেই মুহূর্তগুলো।

পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত। ছবি: বাংলানিউজএই সৈকতে পর্যটক আকর্ষণে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দীর্ঘ ওয়াকওয়ে নির্মাণ কাজ চলছে। চলছে ২২ কিলোমিটার লম্বা বেড়িবাঁধ কাম চার লাইনের গাড়ি চলাচলের রাস্তা, যা আউটার রিং রোড নামে পরিচিত।

রাতে পর্যটকদের নিরাপত্তার জন্য প্রায় এক কিলোমিটার এলাকায় লাগানো হয়েছে এলইডি বাতি। সৃজন করা হয়েছে ফুলের বাগান, যা এই সৈকতের সৌন্দর্য বাড়িয়েছে। মানুষের বসার জন্য বানানো হয়েছে আলাদা ব্লক।

পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতে সূর্যাস্ত। ছবি: বাংলানিউজতবে পাথর ডিঙিয়ে সৈকতে নামার জন্য নেই  কোনও সিঁড়ি। ফলে ঝুঁকি নিয়েই এলোমেলো পাথরের ওপর দিয়েই সৈকতে নামতে হচ্ছে পর্যটকদের।

বাংলাদেশ সময়: ১৫০০ ঘণ্টা, আগস্ট ১৭, ২০১৯
ইউডি/এসি/টিসি

ক্লিক করুন, আরো পড়ুন :   চট্টগ্রাম
        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
cache_14 2019-08-17 15:13:50