ঢাকা, শুক্রবার, ৮ ভাদ্র ১৪২৬, ২৩ আগস্ট ২০১৯
bangla news

চাকতাই খালে উচ্ছেদ অভিযান শুরু

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১৯-০৭-২২ ১২:০০:৩৮ পিএম
চাকতাই খালে উচ্ছেদ অভিযান। ছবি: উজ্জ্বল ধর

চাকতাই খালে উচ্ছেদ অভিযান। ছবি: উজ্জ্বল ধর

চট্টগ্রাম: নগরের চাকতাই খালের ওপর গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান শুরু হয়েছে। সোমবার (২৩ জুলাই) সকাল ১১টার দিকে খালের বহদ্দারহাট অংশে উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়।

জলাবদ্ধতা নিরসনে ‘মেগা প্রকল্প’ বাস্তবায়নকারী সংস্থা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সহায়তায় চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সাইফুল আলম চৌধুরী এ অভিযান পরিচালনা করছেন।

সিডিএ সূত্র জানায়, চাকতাই খালটির দৈর্ঘ্য ৫ দশমিক ৮৮১ কিলোমিটার। বিএস খতিয়ান অনুযায়ী খালের ৮ দশমিক ১৩৭ একর জায়গা বেদখল। খালটির ওপর অবৈধ স্থাপনা ৩০০টি।

চাকতাই খালে উচ্ছেদ অভিযান। ছবি: উজ্জ্বল ধরএর আগে রাজখালী খাল-২ ও নোয়াখালে উচ্ছেদ করা হয়।

সিডিএর নির্বাহী প্রকৌশলী ও প্রকল্প পরিচালক আহমেদ মাঈনুদ্দিন বাংলানিউজকে বলেন, চাকতাই খালে উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়েছে। বিকেল ৫টা পর্যন্ত অভিযান চলবে। পর্যায়ক্রমে নগরের ১৩টি খালের ওপর গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে। এ অভিযান আগামী দুই মাস পর্যন্ত চলবে।

সেনাবাহিনীর প্রকল্প পরিচালক লে. কর্নেল শাহ আলী বাংলানিউজকে বলেন, খালগুলোর ওপর গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়েছে। সিডিএকে আমরা সহযোগিতা করছি।

সিডিএ সূত্র জানায়, ওই খালে বহুতল ভবনসহ ৩০০ স্থাপনা রয়েছে। উচ্ছেদ অভিযানে এসব স্থাপনা সরানো হবে।

চাকতাই খালে উচ্ছেদ অভিযান। ছবি: উজ্জ্বল ধরপ্রসঙ্গত, ২০১৮ সালের ৯ এপ্রিল চট্টগ্রাম শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনে গৃহীত মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সঙ্গে সিডিএর সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর হয়। এরপর সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং কোর খালের উভয় পাশে রিটেইনিং ওয়াল, রাস্তা নির্মাণ ও নিচু ব্রিজগুলো ভেঙে উঁচু করার কাজ শুরু করে। পাশাপাশি খাল থেকে ময়লা পরিষ্কার কার্যক্রমও শুরু হয়।

ডিপিপি অনুযায়ী গৃহীত এ মেগা প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয় ৫ হাজার ৬১৬ কোটি ৫০ লাখ টাকা। তিন বছর মেয়াদি এ প্রকল্পে প্রাথমিক পর্যায়ে ২০১৮ সালে ৩৬ খালের মাটি অপসারণসহ ৩০০ কিলোমিটার নতুন ড্রেন নির্মাণ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়।

চাকতাই খালে উচ্ছেদ অভিযান। ছবি: উজ্জ্বল ধরএছাড়া প্রকল্পের আওতায় নতুন করে ১০০ কিলোমিটার ড্রেন নির্মাণ, ২০২০ সালের মধ্যে নগরে ৩৬টি খাল খনন, খালের পাশে ১৭৬ কিলোমিটার প্রতিরোধক দেয়াল, ৮৫ কিলোমিটার সড়ক, ৪২টি সিল্ট ট্র্যাপ নানা অবকাঠামো নির্মাণ করার কথা রয়েছে।

বাংলাদেশ সময়: ১১৫৪ ঘণ্টা, জুলাই ২২, ২০১৯
এসইউ/এসি/টিসি

ক্লিক করুন, আরো পড়ুন :   চট্টগ্রাম
        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
cache_14 2019-07-22 12:00:38