bangla news

চট্টলা এক্সপ্রেসে ডাকাতিতে অংশ নেয় ১০জন

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১৯-০৬-১৮ ১:৩৬:২৩ পিএম
প্রতীকী

প্রতীকী

চট্টগ্রাম: ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের ফেনী এলাকা অতিক্রম করার সময় চট্টগ্রামগামী ‘চট্টলা এক্সপ্রেস’ ট্রেনে ডাকাতির সময় ১০জন অংশ নেয়। এদের মধ্যে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তারা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছে।

বুধবার (১২ জুন) রাতে ডাকাতির ঘটনার পর বৃহস্পতিবার রেলওয়ে পুলিশের ডিআইজি মো. শামসুদ্দিন শামসের নেতৃত্বে ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। পরে কুমিল্লার লাকসাম থানায় একটি ডাকাতির মামলা হয়।

মামলার তদন্তে থাকা লাকসাম রেলওয়ে থানার ওসি নাজিম উদ্দিন বাংলানিউজকে বলেন, ফেনীর মুহুরীগঞ্জ রেলসেতুর কাছে চট্টলা এক্সপ্রেস ট্রেনে ডাকাতির ঘটনায় অভিযান চালিয়ে সহদেবপুর থেকে তিন ডাকাতকে গ্রেফতার করা হয়। তারা হলো-জুয়েল, শিপন ও বড় শাকিল। তাদের সোমবার (১৭ জুন) ফেনী আদালতে নেওয়া হয়। আদালতে তিনজনই স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। ডাকাতিতে তারা ১০ জন অংশ নেয় বলে জানিয়েছে।

তিনি বলেন, বাকিদেরও গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত আছে। এছাড়া লাকসাম স্টেশনের আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে।

রেলওয়ে পুলিশ সূত্র জানায়, ফেনী রেলস্টেশন এলাকায় কিছুদিন ধরে নিয়মিত ছিনতাই ও ডাকাতি বৃদ্ধি পেয়েছে। ঈদের আগে ও পরে কয়েকটি ছিনতাইয়ের ঘটনাও ঘটেছে। এদের নেতৃত্ব দিচ্ছে স্থানীয় এক নেতা। গ্রেফতার হওয়া তিন ডাকাত জিজ্ঞাসাবাদে ওই নেতার নামও বলেছে। ডাকাত দলের সদস্যদের মধ্যে অনেকের বাড়ি দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে। তারা ফেনী রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় ও সহদেবপুরে বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস করে।

বুধবার (১২ জুন) রাত সাড়ে ৯টায় ঢাকা থেকে চট্টগ্রামগামী চট্টলা এক্সপ্রেস ট্রেনটি ফেনী এলাকা অতিক্রম করার সময় ডাকাতির কবলে পড়ে। এসময় ডাকাত দল ট্রেনের তিনটি বগির ছাদ থেকে যাত্রীদের মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। পরে যাত্রীদের শোর চিৎকারে ডাকাতরা ট্রেন থামিয়ে মুহুরীগঞ্জ রেল সেতু এলাকা থেকে পালিয়ে যায়।

বাংলাদেশ সময়: ১৩৩০ ঘণ্টা, জুন ১৮, ২০১৯
জেইউ/এসি/টিসি

ক্লিক করুন, আরো পড়ুন :   চট্টগ্রাম
        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
cache_14 2019-06-18 13:36:23