bangla news

চবির কর্মচারী নিয়োগে অনিয়ম তদন্তে দুদক

সরওয়ার কামাল, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১৯-০৫-২৭ ৪:২৮:৫৯ পিএম
লোগো

লোগো

চট্টগ্রাম: মেয়াদের শেষ সময়ে এসে ‘গণহারে’ কর্মচারী নিয়োগ দিয়েছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) উপাচার্য প্রফেসর ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী। এসব নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ থাকায় তা তদন্তে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

চবিতে ১৪২ জন কর্মচারী নিয়োগে বিশ্ববিদ্যালয় নিয়োগ কমিটির দুর্নীতি ও অনিয়ম তদন্তে দুই সদস্যের একটি তদন্ত টিমও গঠন করেছে দুদক। দুদক সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়-২ এর উপ-পরিচালক মুহা. মাহবুবুল আলমকে প্রধান করে এ তদন্ত কমিটি গঠন করে দুদক। তদন্ত টিমে সদস্য রাখা হয়েছে দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়-২ এর উপ-সহকারী পরিচালক মো. রিয়াজ উদ্দিনকে। দুদকের বিভাগীয় পরিচালক মো. আবদুল করিম তদারকি কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করবেন।

গত ২১ মে দুদকের বিভাগীয় পরিচালক মো. আবদুল করিমের স্বাক্ষরে এ সংক্রান্ত একটি চিঠি ইস্যু করা হয়।

দুদক সূত্র জানায়, সম্প্রতি চবিতে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির ১৪২ জন কর্মচারী নিয়োগে দুর্নীতি, অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ উঠে। এ নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়। গত বছরের ১৭ ডিসেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫১৯ তম সিন্ডিকেট সভায় এ নিয়োগ চূড়ান্ত হলেও সিন্ডিকেট সভায় নিয়োগপ্রাপ্তদের নাম উপস্থাপন করা হয়নি।

দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়-২ এর উপ-পরিচালক মুহা. মাহবুবুল আলম বাংলানিউজকে বলেন, ‘চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মচারী নিয়োগ নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এ অনিয়ম তদন্তে দুদক কাজ করছে।’

২০১৫ সালের ১৫ জুন চবি উপাচার্যের দায়িত্ব পান প্রফেসর ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী। এ বছর ১৫ জুন তার মেয়াদ শেষ হতে যাচ্ছে। শেষ সময়ে এসে নিয়োগ নিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েছেন উপাচার্য। ফের তিনি উপাচার্য হওয়ার জন্য দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন।

বাংলাদেশ সময়: ১৬২৫ ঘণ্টা, মে ২৭, ২০১৯
এসকে/এসি/টিসি

        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
cache_14 2019-05-27 16:28:59