ঢাকা, মঙ্গলবার, ৪ আষাঢ় ১৪২৬, ১৮ জুন ২০১৯
bangla news

দু’দিনেও সরেনি অক্সিজেন মোড়ের পানি

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১৯-০৫-২৫ ৯:১৫:১১ পিএম
দু’দিনেও সরেনি অক্সিজেন মোড়ের পানি। ছবি: উজ্জ্বল ধর

দু’দিনেও সরেনি অক্সিজেন মোড়ের পানি। ছবি: উজ্জ্বল ধর

চট্টগ্রাম: বৃষ্টি হয়েছে শুক্রবার সন্ধ্যায়। কিন্তু শনিবার (২৫ মে) রাত ৯টা পর্যন্ত হাঁটুপানি জমে ছিল নগরের অক্সিজেন মোড়ে। সেই পানি ভেঙেই দুই দিন ধরে চলাচল করছে মানুষ।  

এদিকে মোড় থেকে ছেড়ে যায় পাহাড়ি জেলা রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ির বাসগুলো। কিন্তু পানিতে ডুবে আছে বাস কাউন্টার। ফলে স্থানীয় বাসিন্দার পাশাপাশি ভুগছেন এ সড়ক ব্যবহারকারীরা।

সরেজমিনে দেখা যায়, সড়কটির ডিভাইডারের পশ্চিম পাশে হাটু পানি জমে আছে। সিএনজি অটোরিক্সা চলাচল করতে গিয়ে অনেকগুলো সড়কে নষ্ট হচ্ছে। ভারী যানবাহন চলাচল করলে পানি ডিভাইডারের ফাঁক দিয়ে পূর্ব পাশে চলে যাচ্ছে। পশ্চিম পাশে অবস্থিত জেলা পরিষদ মার্কেটের দোকানগুলো বন্ধ রয়েছে।

দু’দিনেও সরেনি অক্সিজেন মোড়ের পানি। ছবি: উজ্জ্বল ধরস্থানীয় লোকজন জানান, এ জায়গায় আগে পানি জমতো না। তবে চলতি বর্ষায় সামান্য বৃষ্টিতে পানি জমে যাচ্ছে।

স্থানীয় দোকানদার জাবেদ হোসেন বাংলানিউজকে বলেন, একবার পানি জমলে তা সরতে কয়েকদিন গড়িয়ে যায়। কিন্তু কোনো প্রতিকার পাচ্ছেন না তারা। সামান্য বৃষ্টি হলেই শঙ্কিত হয়ে পড়েন এখানকার বাসিন্দারা।

মূলত ড্রেনের ওপর জেলা পরিষদ মার্কেট তৈরির কারণে পানি চলাচল করতে পারছে না বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সুদীপ বসাক।

তিনি বাংলানিউজকে বলেন, মার্কেটটি ড্রেনে ওপর গড়ে উঠেছে। ওই মার্কেটে বেশিরভাগ ফলের দোকান। দোকানিরা পলিথিনসহ সব ময়লা দোকানের নিচে ড্রেনে ফেলেন। এজন্য মূলত পানি যেতে পারছে না।

‘তবে সিটি করপোরেশনের একাধিক টিম কাজ করছে। আশাকরি শিগগির পানি নেমে যাবে।’

এ বিষয়ে জানতে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এমএ সালামের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন ধরেননি।

বাংলাদেশ সময়: ২১১০ ঘণ্টা, মে ২৫, ২০১৯
এসইউ/টিসি

ক্লিক করুন, আরো পড়ুন :   জল‍াবদ্ধতা চট্টগ্রাম পানিবন্দি
        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
cache_14 2019-05-25 21:15:11