bangla news

পাঁচ নদীর দখল-দূষণ রোধে মাস্টারপ্ল্যান হচ্ছে

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১৯-০৫-২০ ১:৩৪:১৪ পিএম
পাঁচ নদীর দখল-দূষণ রোধে মাস্টারপ্ল্যান হচ্ছে। ছবি: উজ্জ্বল ধর

পাঁচ নদীর দখল-দূষণ রোধে মাস্টারপ্ল্যান হচ্ছে। ছবি: উজ্জ্বল ধর

চট্টগ্রাম: নৌ প্রতিমন্ত্রী খালেদ মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, কর্ণফুলী, বালু, তুরাগ, শীতলক্ষ্যা ও বুড়িগঙ্গা নদী নিয়ে মাস্টারপ্ল্যান হয়েছে। শিগগির এসব নদী দখলমুক্ত করা হবে। ১০ বছরে দূষণমুক্ত করা হবে। দু-এক দিনের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী দেখে মাস্টারপ্ল্যান অনুমোদন দেবেন।

সোমবার (২০ মে) দুপুরে চট্টগ্রাম বন্দরের সম্মেলন কক্ষে মতবিনিময় সভা শেষে কর্ণফুলীর অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ সম্পর্কিত সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, কর্ণফুলীর অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে ভূমি মন্ত্রণালয়ে টাকা চাওয়া হয়েছিল, ভূমি মন্ত্রণালয় টাকা দিয়েছে। আমরা ৫টি নদী ধরেছি। নদী এক দিনে দখল হয়নি। একশ' বছর ধরে দখল হচ্ছে। বিদ্যুৎ প্লান্টও বসে গেছে নদীর পাড়ে। সেটিও সরিয়ে নেওয়া হবে।

নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী বলেন, চট্টগ্রাম বন্দর ভালো ভাবে চলছে। ভাবনার কিছু নেই। চট্টগ্রাম বন্দর প্রথম অগ্রাধিকার। পর্যায়ক্রমিকভাবে সব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হবে।

নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নকে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, বে টার্মিনালের কার্যক্রম থেমে নেই। যদিও দৃশ্যমান হয়নি এখনো। ১৩২ বছরের পথচলা বন্দরের। আমরা বিশ্বের বন্দরগুলোর মধ্যে শীর্ষ অবস্থানে যেতে চাই। এটি প্রধানমন্ত্রীর লক্ষ্য।

এ সময় হুইপ সামশুল হক চৌধুরী, বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল জুলফিকার আজিজসহ বন্দরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সভা শেষে তিনি বন্দরের সিসিটি, এনসিটি, পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনাল, বে টার্মিনালসহ গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পগুলো পরিদর্শন করেন।

বাংলাদেশ সময়: ১৩১৯ ঘণ্টা, মে ২০, ২০১৯

এআর/টিসি

        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
cache_14 2019-05-20 13:34:14