ঢাকা, সোমবার, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ২০ মে ২০১৯
bangla news

পিসি রোডে ঝটিকা পরিদর্শনে মেয়র নাছির

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১৯-০৩-১৪ ৯:২৭:৩০ পিএম
পিসি রোডের উন্নয়নকাজ পরিদর্শন করেন মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন

পিসি রোডের উন্নয়নকাজ পরিদর্শন করেন মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন

চট্টগ্রাম: কাজের গুণগতমান ঠিক রেখে নির্দিষ্ট সময়ে নগরের গুরুত্বপূর্ণ পোর্ট কানেকটিং (পিসি) রোডের কাজ শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন।

জাইকার অর্থায়নে ১০০ কোটি টাকা ব্যয়ে নিমতলা থেকে নয়াবাজার পর্যন্ত সড়ক উন্নয়ন কাজ দেখতে গিয়ে মেয়র সংশ্লিষ্টদের এ নির্দেশ দিয়ে বলেন, এ কাজে কোনো ধরনের আপস রফা হবে না।

এ সময় চসিকের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, নির্বাহী প্রকৌশলী আবু সাদাত মোহাম্মদ তৈয়ব, রাজনীতিক বেলাল আহমদ, মোহাম্মদ মনসুর, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান রানা ব্রাদার্সের প্রতিনিধি জাকির হোসন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

মেয়র নিমতলা পিসি রোড থেকে বড়পুল, বড়পুল থেকে নয়াবাজার পর্যন্ত রাস্তার দু’পাশে ২ মিটারের আরসিসি ড্রেন ও ফুটপাত নির্মাণের কাজ দেখেন। এ প্রকল্পে রাস্তার মাঝখানে সাড়ে ৩ ফুট প্রশস্ত বিশিষ্ঠ মিডিয়ান নিমার্ণ ও এলইডি আলোকায়ন ব্যবস্থা। ছয় লেনের ১২০ ফুট প্রস্থের সড়কটি ি২ কিলোমিটার দীর্ঘ। জাইকার অর্থায়নে এ উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ ২০১৮ সালের জানুয়ারি থেকে শুরু হয়, আগামী ১৯ মে কাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

নগরবাসীর সহযোগিতা ছাড়া উন্নয়ন সম্ভব নয় মন্তব্য করে মেয়র বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরের পণ্য পরিবহনে নিমতলা পোর্ট কানেকটিং রোড এবং আগ্রাবাদ এক্সেস রোড গুরুত্বপূর্ণ। এ সড়ক দিয়েই বন্দর থেকে পণ্য বা কনটেইনারবাহী গাড়ি ঢাকাসহ দেশের নানাপ্রান্তে চলাচল করে। সড়ক উন্নয়ন কাজের জন্য বন্দরের পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্টদের দুর্ভোগ এবং হয়রানি পোহাতে হচ্ছে এর জন্য আমরা দুঃখিত। পিসি রোড এবং আগ্রাবাদ এক্সেস রোডের উন্নয়নকাজ বাস্তবায়িত হলে বন্দরের পণ্য পরিবহনে গতিশীলতা আসবে। 

বাংলাদেশ সময়: ২১২০ ঘণ্টা, মার্চ ১৪, ২০১৮
এআর/টিসি

 

ক্লিক করুন, আরো পড়ুন :   চট্টগ্রাম চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
cache_14