ঢাকা, রবিবার, ৩১ ভাদ্র ১৪২৬, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯
bangla news

পচা আপেল-কমলা ধ্বংস করলো কাস্টমস

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১৯-০২-১২ ৮:৪৫:৩৯ পিএম
চসিকের আবর্জনাগারে ফেলা হচ্ছে পচা আপেল-কমলা।

চসিকের আবর্জনাগারে ফেলা হচ্ছে পচা আপেল-কমলা।

চট্টগ্রাম: খাওয়ার অযোগ্য আপেল, কমলা, ম্যান্ডারিন, পেঁয়াজ, আদাসহ আমদানি করা মেয়াদবিহীন শিশুদের প্যাম্পার্স ও বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক পদার্থ আবর্জনাগারে ফেলে ধ্বংস করেছে কাস্টম হাউস কর্তৃপক্ষ।  

মঙ্গলবার (১২ মার্চ) নগরের হালিশহর আনন্দবাজারের আবর্জনাগারে এসব পণ্য ফেলে কনটেইনারগুলো খালি করা হয়। প্রথম দিন ধ্বংস করা হয়েছিল ১৭ কনটেইনার পণ্য। আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ১৩০ কনটেইনার পণ্য ধ্বংস করার লক্ষ্যে কাজ করছেন সংশ্লিষ্টরা।

>> নিলাম অযোগ্য পণ্য আবর্জনাগারে ফেলছে কাস্টমস

চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের উপ-কমিশনার তপন চন্দ্র দে বাংলানিউজকে জানান, নিলাম অযোগ্য পণ্যগুলোর মধ্যে প্রথমে আমরা শীততাপ নিয়ন্ত্রিত (রেফার) কনটেইনারগুলো খালি করছি। এ ধরনের কনটেইনারে ফলমূল ও হিমায়িত খাদ্য আমদানি করা হয়।

এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ধ্বংস কার্যক্রমের দ্বিতীয় দিনে ১৪ কনটেইনার আদা, আপেল, কমলা, ম্যান্ডারিন, পেঁয়াজ, শিশুদের প্যাম্পার্স, বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক পণ্য ধ্বংস করা হয়েছে। ছয় মাস থেকে এক বছর আগে এসব পণ্যভর্তি কনটেইনার চট্টগ্রাম বন্দরে আসে। ফলমূলগুলো উদ্ভিদ সংঘনিরোধ কেন্দ্রের ছাড়পত্র না পাওয়ায় নিলাম করা হয়নি। কারণ এসব ফল খেলে জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি হতো। অন্যদিকে প্যাম্পার্স ও রাসায়নিক পদার্থগুলোর উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার তারিখ নেই। তাই ধ্বংস করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। বিএসটিআই ও পরমাণু শক্তি কমিশনের ছাড়পত্র ছাড়া এ ধরনের পণ্য সরবরাহ দেওয়া হয় না।

বন্দর ও কাস্টম সূত্রে জানা গেছে, আমদানি করা পণ্য জাহাজ থেকে বন্দর ইয়ার্ডে নামার ৩০ দিনের মধ্যে সরবরাহ নিতে হয়। এ সময়ের মধ্যে আমদানিকারক সরবরাহ না নিলে কাস্টম হাউস কর্তৃপক্ষ নোটিশ ইস্যু করে। এর ১৫ দিন পর ওই পণ্য নিলামে তোলা হয়। তবে দীর্ঘসূত্রতার কারণে বছরের পর বছর নিলাম প্রক্রিয়া আটকে থাকে।

বাংলাদেশ সময়: ২০৩৫ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ১২, ২০১৯
এআর/টিসি

ক্লিক করুন, আরো পড়ুন :   চট্টগ্রাম চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবসা
        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
db 2019-02-12 20:45:39