ঢাকা, মঙ্গলবার, ১ শ্রাবণ ১৪২৬, ১৬ জুলাই ২০১৯
bangla news

নিলাম অযোগ্য পণ্য আবর্জনাগারে ফেলছে কাস্টমস

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১৯-০২-১১ ৬:০৪:০৩ পিএম
পচা-গলা পণ্য চসিকের আবর্জনাগারে ফেলে খালি করা হচ্ছে কনটেইনার। ছবি: বাংলানিউজ

পচা-গলা পণ্য চসিকের আবর্জনাগারে ফেলে খালি করা হচ্ছে কনটেইনার। ছবি: বাংলানিউজ

চট্টগ্রাম: বিদেশ থেকে আমদানি করা মেয়াদোত্তীর্ণ নিলাম অযোগ্য পণ্য চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) হালিশহর আবর্জনাগারে ফেলে ধ্বংস করছে কাস্টম হাউস কর্তৃপক্ষ।

সোমবার (১১ ফেব্রুয়ারি) ১৭ কনটেইনার পচে-গলে নষ্ট হওয়া পণ্য ধ্বংস করা হয়। আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ১৩০ কনটেইনার পণ্য ধ্বংস করার লক্ষ্যে কাজ করছেন সংশ্লিষ্টরা।

চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের উপ-কমিশনার তপন চন্দ্র দে বাংলানিউজকে জানান, এক বছর থেকে শুরু করে ছয় বছর আগে আমদানি করা নিলাম অযোগ্য পণ্য জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশের ক্ষতির দিক বিবেচনা করা ধ্বংস করা হচ্ছে। এ লক্ষ্যে বন্দর, পুলিশ, পরিবেশ অধিদফতরসহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার প্রতিনিধির সমন্বয়ে একটি শক্তিশালী কমিটি গঠন করে কনটেইনার বাছাই করা হয়েছে।

তিনি জানান, প্রথম দিন প্রায় এক বছর আগে আমদানি করা পচা-গলা আপেল, কমলা ইত্যাদি ফল এবং পাঁচ-ছয় বছর আগে আনা ব্যবহার অযোগ্য পণ্যসামগ্রী ধ্বংস করা হয়েছে।

বন্দর ও কাস্টম সূত্রে জানা গেছে, আমদানি করা পণ্য জাহাজ থেকে বন্দর ইয়ার্ডে নামার ৩০ দিনের মধ্যে সরবরাহ নিতে হয়। এ সময়ের মধ্যে আমদানিকারক সরবরাহ না নিলে কাস্টম হাউস কর্তৃপক্ষ নোটিশ ইস্যু করে। এর ১৫ দিন পর ওই পণ্য নিলামে তোলা হয়। তবে দীর্ঘসূত্রতার কারণে বছরের পর বছর নিলাম প্রক্রিয়া আটকে থাকে। সোমবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টা পর্যন্ত বন্দরে নিলামযোগ্য কনটেইনার ছিল ৬ হাজার ৬৫৪টি।

বাংলাদেশ ফ্রেইট ফরওয়ার্ডারস অ্যাসোসিয়েশনের (বাফা) পরিচালক খায়রুল আলম সুজন বাংলানিউজকে বলেন, বছরের পর বছর লোকসান, মাশুল, আইনি জটিলতাসহ নানা কারণে সরবরাহ না নেওয়ায় আমদানি পণ্য যেমন নষ্ট হয়েছে তেমনি কনটেইনারগুলো আটকে থাকায় সংশ্লিষ্ট শিপিং লাইনের ক্ষতি হয়েছে। নিলাম অযোগ্য পণ্য ধ্বংস করার উদ্যোগকে অবশ্যই ব্যবসায়ীরা সাধুবাদ জানাই। এর ফলে শতাধিক কনটেইনার মুক্ত হবে, বন্দরের ইয়ার্ড খালি হবে। তবে নিলাম প্রক্রিয়া যদি দ্রুততর করা হয় তবে কোটি কোটি টাকার আমদানি পণ্য ভালো, ব্যবহারযোগ্য থাকাবস্থায় ভোক্তা বা গ্রাহক পর্যায়ে পৌঁছাবে।

চসিকের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা শফিকুল মান্নান সিদ্দিকী যিশু বাংলানিউজকে জানান, বন্দরে পচে-গলে ব্যবহার অযোগ্য হওয়া আমদানি পণ্য ধ্বংস করার জন্য হালিশহরে চসিকের আবর্জনাগারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।        

বাংলাদেশ সময়: ১৭৪৪ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ১১, ২০১৯
এআর/টিসি

 

ক্লিক করুন, আরো পড়ুন :   চট্টগ্রাম চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবসা
        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
cache_14 2019-02-11 18:04:03