[x]
[x]
ঢাকা, শনিবার, ৫ কার্তিক ১৪২৫, ২০ অক্টোবর ২০১৮
bangla news

গতি আসছে রেলওয়ের যোগাযোগ ব্যবস্থায়

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১৮-১০-০৯ ১২:২৭:২৭ পিএম
ফাইল ফটো

ফাইল ফটো

চট্টগ্রাম: রেলওয়ের যোগাযোগ ব্যবস্থায় গতি আসছে।বাস্তবায়ন হচ্ছে সরকারের নেয়া উন্নয়ন প্রকল্প।এসব প্রকল্পের কাজ শেষ হলে  আধুনিক যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবে শীর্ষে থাকবে রেল।

রেলওয়ে সূত্র জানায়, ২০০৯ সালের পর থেকে এ পর্যন্ত ৮৪ হাজার ৮৯২ কোটি ১৩ লাখ টাকা ব্যয়ে মোট ৭৫ টি নতুন প্রকল্প গ্রহণ এবং ৯০ হাজার ৯১৯ কোটি ২৪ লাখ টাকা ব্যয়ে ৬৩ টি সংশোধিত প্রকল্প অনুমোদন করা হয়। ২৯৭ দশমিক ৯৮ কিলোমিটার নতুন রেলপথ নির্মাণ এবং ১১২৩ দশমিক ৭৪ কিলোমিটার রেলপথ সৃষ্টি করা হয়েছে। এছাড়া অনেকগুলো নতুন রেলপথের সমীক্ষা শেষ হয়েছে।

এডিবির অর্থায়নে ২০ বছর মেয়াদী (২০১০-২০৩০) রেলওয়ের মাস্টারপ্ল্যানে ২৩৩৯.৪৪ বিলিয়ন টাকা ব্যয়ে আরও ২৩৫টি প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিকল্পনা আছে।

রেলের সিগন্যালিং ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, নতুন রেল লাইন নির্মাণ, পুরাতন রেল লাইন সংস্কার, লোকোমোটিভ, যাত্রীবাহী কোচ ও মালবাহী ওয়াগন সংগ্রহ এবং পুনর্বাসন, মিটারগেজ লাইন ডুয়েল গেজে রূপান্তর, ট্রেন সার্ভিস চালুতে এসেছে সাফল্য।

বাংলাদেশ রেলওয়েকে জনবান্ধব হিসেবে গড়ে তুলতে এবং ‘রূপকল্প ২০২১’ বাস্তবায়নের লক্ষে বর্তমান সরকার বিশেষ উদ্যোগ নেয়। রেলওয়ের সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য ২০১১ সালের ৪ ডিসেম্বর পৃথক রেলপথ মন্ত্রণালয় গঠন করা হয়।

এরই ধারাবাহিকতায় ঢাকা-চট্টগ্রাম হাইস্পিড ট্রেন নির্মাণ প্রকল্প, পদ্মা সেতুতে রেল সংযোগ প্রকল্পের মতো বড় বড় প্রকল্পের কাজ চলছে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে রেলওয়েতে আমূল পরিবর্তন আসবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

জানা গেছে, রেলওয়েতে প্রতিদিন ১৩২টি মেইল এক্সপ্রেস ও ডেমু ট্রেন, ১২৬টি লোকাল ট্রেন, ৮৮টি আন্তঃনগর ট্রেন এবং ৪টি আন্তঃদেশীয় ট্রেনসহ ৩৫০টি ট্রেন পরিচালিত হচ্ছে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার গঠনের  পর ২৭০টি কোচ এবং ইঞ্জিন আমদানির মাধ্যমে ১১৬টি নতুন ট্রেন চালু করা হয়েছে।  আরো প্রায় ৭শ’ কোচ ও ইঞ্জিন আমদানির প্রকল্প রয়েছে।

নিরাপদ, সাশ্রয়ী ও পরিবেশবান্ধব হওয়ায় রেলওয়ের যাত্রী সংখ্যা বাড়ছে। ই-টিকেটিং এবং অনলাইন ব্যবস্থা চালুর মাধ্যমে যাত্রীদের টিকেট কেনা সহজ করা হয়েছে।

রেলপথ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির এক বৈঠকে ট্রেন ও ট্রেনের যাত্রীর নিরাপত্তার স্বার্থে রেল স্টেশনগুলোতে স্ক্যানার মেশিন বসানোর জন্য সুপারিশ করা হয়েছে।

এছাড়া দেশে রেলওয়ে প্রকৌশল সংক্রান্ত একটি বিশ্ববিদ্যালয় নির্মাণের সুপারিশও করেছে ওই কমিটি।

রেলপথ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরী বাংলানিউজকে বলেন, রেলওয়ে সেক্টর দীর্ঘদিন অবহেলিত ছিল। বাংলাদেশের মত জনবহুল দেশে গণপরিবহণ হিসেবে রেলওয়ের গুরুত্ব আছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ রেলওয়েকে শক্তিশালী পরিবহণ নেটওয়ার্ক হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার বহুমুখী পদক্ষেপ নিয়েছে। চলমান প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন হলে গতি আসবে রেলওয়ের যোগাযোগ ব্যবস্থায়।

বাংলাদেশ সময়: ১১০০ ঘণ্টা, অক্টোবর ০৯, ২০১৮
এসি/টিসি/

        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
cache