[x]
[x]
ঢাকা, রবিবার, ৫ কার্তিক ১৪২৫, ২১ অক্টোবর ২০১৮
bangla news

বন্ড সুবিধায় আনা ২৩ লাখ টাকার কাপড়সহ গ্রেফতার ৩ 

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১৮-০৮-০৯ ১১:২৯:১৬ এএম
কাপড় বোঝাই একটি কাভার্ডভ্যান

কাপড় বোঝাই একটি কাভার্ডভ্যান

চট্টগ্রাম: বন্ড সুবিধায় আমদানি করা ২৩ লাখ টাকার কাপড়সহ তিন পাচারকারীকে গ্রেফতার করেছে পাহাড়তলী থানা পুলিশ। এসময় কাপড় বোঝাই একটি কাভার্ডভ্যান (ঢাকা মেট্রো-ট-১৪-৫৮৭০) জব্দ করা হয়। 

বৃহস্পতিবার (০৯ আগস্ট) ভোররাতে পাহাড়তলী থানার একে খান মোড় এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয় বলে বাংলানিউজকে জানান চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী কমিশনার আশিকুর রহমান। 

গ্রেফতার তিনজন হলেন-নোয়াখালী জেলার সুধারাম দেবীপুর এলাকার নজির আহমদের ছেলে মো. আলমগীর হোসেন (৫৫), চাঁদপুর জেলার আশিকাটি সেনগাঁও এলাকার মো. আনোয়ার হোসেন তালুকদারের ছেলে মো. সম্রাট (৩১) ও নড়াইল জেলার ডুমুরতলা এলাকার মো. কিবরিয়ার ছেলে মো. সজীব (২০)।

এদের মধ্যে সম্রাট কাভার্ডভ্যানের চালক ও সজীব হেলপার এবং আলমগীর এসব কাপড়ের ‘মালিকপক্ষের লোক’ বলে জানা গেছে।

গ্রেফতার তিনজনের কাছ থেকে জব্দ করা হয়েছে ২৩৩ রোল গার্মেন্টেসের কাপড়। এর মধ্যে রয়েছে ১৩৫ রোল কালো রংয়ের কাপড়, ৪৪ রোল কফি রংয়ের কট কাপড়, ৫৪ রোল কালো রংয়ের কট কাপড়। এসব কাপড়ের মূল্য প্রায় ২৩ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে পুলিশ। 

বৃহস্পতিবার বিকেলে তিনজনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। এসময় তিনজন প্রত্যেকের পাঁচদিন করে রিমান্ডের আবেদন জানায় পুলিশ। তবে বৃহস্পতিবার রিমান্ড শুনানি হয়নি।

পাহাড়তলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম বাংলানিউজকে বলেন, বন্ড সুবিধায় আমদানি করা কাপড়সহ গ্রেফতার তিন পাচারকারীকে আদালতে হাজির করে পাঁচদিন করে রিমান্ড চাওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, তারা তিনজন বড় একটি চক্রের সদস্য। তারা বন্ড সুবিধায় কাপড় আমদানি করে সেই কাপড় কিছুদিন বিভিন্ন গুদামে মজুদ রাখে। পরে ভুয়া ঠিকানায় চালান তৈরি করে এসব কাপড় পাচার করে দেয়। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করলে বড় একটি চক্রের সন্ধান পাওয়া যাবে বলেও জানান পাহাড়তলী থানার ওসি। 

গ্রেফতারের পর তিনজন পুলিশের কাছে দাবি করেছে এসব কাপড় নগরের বায়েজীদ এলাকা থেকে নারায়ণগঞ্জের সাইনবোর্ড এলাকায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছিলো। 

এদিকে, এসব কাপড় কাভার্ডভ্যানসহ বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে খুলশী থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক শেখ ফরিদ আটক করলেও রাত ১১টার দিকে ‘মোটা অঙ্কের ঘুষের’ বিনিময়ে ছেড়ে দেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

রাত সাড়ে ৯টা থেকে ১১টা পর্যন্ত কাভার্ডভ্যানটি (ঢাকা মেট্রো-ট-১৪-৫৮৭০) জাকির হোসেন রোডের খুলশী থানার পাশে দাঁড়ানো ছিল বলে স্থানীয় সূত্র নিশ্চিত করেছে। কাভার্ডভ্যানে জুলেখা কার্গো সার্ভিস ও মেসার্স খাঁন জাহান আলী ট্রান্সপোর্ট এজেন্সীর নাম লেখা ছিল বলে নিশ্চিত করেছে সূত্র।

তবে কাভার্ডভ্যানসহ তিনজনকে আটকের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন সহকারী উপ-পরিদর্শক শেখ ফরিদ। তিনি বাংলানিউজের কাছে দাবি করেন-এমন কোনো ঘটনা সম্পর্কে তিনি জানেন না।

পাহাড়তলী থানা পুলিশের হাতে গ্রেফতার হওয়ার পর কাভার্ডভ্যানের চালক সম্রাট পুলিশকে উদ্দেশ্য করে বলেছিল-‘কিছুক্ষণ আগেই তো খুলশী থানা থেকে আমাদের ছাড়া হলো, আপনারা আবার আটক করছেন কেন?’

বাংলাদেশ সময়: ২১২৮ ঘণ্টা, আগস্ট ০৯, ২০১৮
এসকে/টিসি

        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
cache