[x]
[x]
ঢাকা, সোমবার, ৭ কার্তিক ১৪২৫, ২২ অক্টোবর ২০১৮
bangla news

চবির ১৭১ শিক্ষার্থীর কী হবে?

জমির উদ্দিন, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১৮-০৫-১৭ ৮:৫১:০৮ এএম
চবির কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ৫ শতাধিক উত্তরপত্র পুড়িয়ে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা

চবির কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ৫ শতাধিক উত্তরপত্র পুড়িয়ে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা

চট্টগ্রাম: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ৫ শতাধিক উত্তরপত্র পোড়ানোর ঘটনায় উদ্বিগ্ন ১৭১ শিক্ষার্থী। তৃতীয়, পঞ্চম ও সপ্তম সেমিস্টারের এসব শিক্ষার্থীর এখন কী হবে? আবার পরীক্ষা নেওয়া হবে, না সবাইকে পাস ধরা হবে?

এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হয় চবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরীর সঙ্গে। তিনি বাংলানিউজকে বলেন, দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে এমন ঘটনা আর ঘটেনি। দোষীদের আগে বিচারের আওতায় আনা হবে। এ জন্য থানায় মামলাও করা হয়েছে।

তিনি বলেন, তদন্ত কমিটি প্রতিবেদন দেওয়ার পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে এ ১৭১ শিক্ষার্থীর বিষয়ে।

বিভাগের সভাপতি অছিয়র রহমান বাংলানিউজকে বলেন, ঘটনা ঘটার পর এখনো চলমান রয়েছে বাকি পরীক্ষাগুলো। বুধবার (১৬ মে) ও বৃহস্পতিবার (১৭ মে) বিভিন্ন সেমিস্টারের পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। মূলত ১৭১ শিক্ষার্থীর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে অ্যাকাডেমিক ও সিন্ডিকেট কমিটি। আবার পরীক্ষা নেওয়া দরকার হলে পরীক্ষা হবে। আর যদি সবাইকে পাস করে দেওয়া দরকার হয় তাহলে তা-ই করা হবে।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ১৭১ শিক্ষার্থীর মধ্যে তৃতীয় সেমিস্টারে ৫৬ জন, পঞ্চম সেমিস্টারে ৫৫ জন ও সপ্তম সেমিস্টারে ৬০ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। তাদের টিউটোরিয়াল পরীক্ষার ফলাফল সংরক্ষিত আছে। যদি সিদ্ধান্ত হয় সবাইকে পাস করে দেওয়ার তাহলে টিউটোরিয়াল পরীক্ষার ফলাফল দিয়ে মূল্যায়ন হবে। তবে সবকিছু নির্ভর করছে অ্যাকাডেমিক ও সিন্ডিকেট কমিটির সিদ্ধান্তের ওপর।

চবির উত্তরপত্র পোড়ানোর পেছনে দুই ছাত্র!

চবিতে পরীক্ষার উত্তরপত্র পুড়িয়ে দিলো দুর্বৃত্তরা

বাংলাদেশ সময়: ১৮৫২ ঘণ্টা, মে ১৭, ২০১৮
জেইউ/টিসি

 

        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
cache