[x]
[x]
ঢাকা, শনিবার, ৪ কার্তিক ১৪২৫, ২০ অক্টোবর ২০১৮
bangla news

ইডিইউর তিন মেধাবী: যে রাঁধে, সে চুলও বাঁধে

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১৮-০৫-১৬ ৯:০৪:৪৯ এএম
ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটির (ইডিইউর) তিন মেধাবী কন্যা

ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটির (ইডিইউর) তিন মেধাবী কন্যা

চট্টগ্রাম: যে রাঁধে, সে চুলও বাঁধে। একজন গান গাইতে ভালোবাসেন। অন্যজন র‌্যাম্পে হেঁটে সবার মন জয় করেছেন। আরেকজন তো সংগঠক হয়ে বন্ধুদের সুখে-দুঃখে পাশে থেকে সবার জন্য কাজ করে যাচ্ছেন।

বলছিলাম চট্টগ্রামের ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটির (ইডিইউর) তিন মেধাবী কন্যার কথা। যারা কেবল পড়ালেখায় নন, সাংস্কৃতিক অঙ্গনেও নিজেদের মেধায় বয়ে আনছেন সমান সাফল্য। চলুন তাদের মুখেই শুনি সেইসব সাফল্যের গল্প। 

কাজ ভালোবাসেন সাফা: ক্যান্টিনে বসে সবাই যখন আলাপে মশগুল, তখন একজন ছিলেন ভিন্ন মেজাজে। একেবারে সবার চেয়ে আলাদা।

মেয়েটির নাম সাফা ইকবাল। একজন ভালো সংগঠক। বর্তমানে ইডিইউর কালচারাল ক্লাবের কনভেনারের দায়িত্ব পালন করছেন। সহপাঠীদের ভাষায় ‘ও খুব পরিশ্রমী। কাজের চাপ খুব সহজেই মানিয়ে নিতে পারে।’

সত্যি কি তাই? বিজয় দিবস, স্বাধীনতা দিবস কিংবা পয়লা বৈশাখ। সব অনুষ্ঠানের দায়িত্ব নাকি এই সাফার কাধে গিয়ে পড়ে। কোনো অনুষ্ঠান যখন সফল হয়, তখন দারুণ ভালো লাগে মেয়েটির। অবশ্য এই কাজে বন্ধুদের সহযোগিতার কথা বলতে ভুললেন না মেয়েটি। সাফার ইচ্ছে ইংরেজি সাহিত্যের উপর বিদেশ থেকে ডিগ্রি নিবেন। বাবা-মায়ের ইচ্ছে মেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হবেন। সে পথেই নাকি নিজের স্বপ্ন বুনছেন সদা হাস্যোজ্জ্বল সাফা।

বৃদ্ধাশ্রম করবেন মুমু: সালসাবিল মুমু ইডিইউর ক্যাম্পাসের পরিচিত মুখ। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হলেই মঞ্চে দেখা যায় গানের মেয়েটিকে। কখনও তার কণ্ঠে শোনা যায় বাংলা ফোক, কখনও আবার বিভিন্ন ভাষার চমৎকার সব গান।

পড়ালেখায় ভালো ফলাফলকারী মুমু ইডিইউর ‘স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েট’ পদে চাকরিও করছেন। চাকরি, পড়ালেখা আর গান। সবকিছুই যেন সমানতালে চলছে।

জানতে চাইলে মুমুর জবাব ‘গান ছাড়া বাঁচতে পারবো না। গান গাইতে ও শোনাতে খুবই ভালো লাগে।’ সাংস্কৃতিক চর্চায় উদ্বুদ্ধ করেন সহপাঠীদের। মাটির গান, দেশের গান, লালনের গান খুব টানে মুমুকে।

গুন গুন করে গাইতে গাইতে কিছু গানের নাকি সুরও করেছেন। হয়তো সেগুলো নিয়ে একটি অ্যালাবামও বের করবেন। সমাজের মানুষের জন্য কিছু করতে চান। বৃদ্ধাশ্রম তৈরি করে সেখানে রাখতে চান বয়স্ক বাবা-মা’দের। 

রাজনীতি টানে ফারিয়াকে: সারাদিন ক্লাস-ল্যাব-পরীক্ষা শেষ করে সন্ধ্যায় মঞ্চে আবার র‌্যাম্পের শোতে হাজির ফারিয়া আকবর রিয়া! পড়ছেন কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে। হওয়ার কথা ইঞ্জিনিয়ার অথচ মেয়েটিকে কিনা টানে রাজনীতি।

ছোট বেলা থেকে দেশের বড় বড় মডেলদের পায়ে হাঁটার অনুকরন করতেন। এক পা-দু পা করে এগিয়ে যাওয়ার অভ্যাস থেকে নাম লেখালেন মডেলিংয়ের মঞ্চে।

বাংলাদেশ টেলিভিশন চট্টগ্রামের কেন্দ্রের ছোট নাটিকা দিয়ে শুরু। স্কুলের পাঠ চুকিয়ে কলেজের করিডোরে পা রাখতেই ডাক এল বন্ধুদের বানানো ফ্ল্যাশ মব করার। ব্যস্! তাতেই চোখে পড়ে গেল শ্যামলা বর্নের মেয়েটি। উড়তে লাগলেন রঙের বাতাসে।

ইতিমধ্যে ৩০টির বেশি স্টেজ শো করেছেন। মিস চিটাগংয়ের সেরা ছয়ে ছিলেন। থিয়েটার, ইউনিভার্সিটি, কলেজ, মেরিন অ্যাকাডেমি, কর্পোরেট হাউজের ফ্যাশন শো-সবখানেই ফারিয়ার প্রিয় মুখ।

বাংলাদেশ সময়: ১৯০৫ ঘণ্টা, মে ১৬, ২০১৮

এসবি/টিসি

        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
cache