ঢাকা, শনিবার, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ২৫ মে ২০১৯
bangla news

চট্টগ্রামের সেরা তিন কলেজিয়েট-মুসলিম হাই-খাস্তগীর

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১৭-০৫-০৪ ৭:৫১:২০ এএম
কলেজিয়েট স্কুলের শিক্ষার্থীদের উচ্ছ্বাস। ছবি: সোহেল সরওয়ার-বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

কলেজিয়েট স্কুলের শিক্ষার্থীদের উচ্ছ্বাস। ছবি: সোহেল সরওয়ার-বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

চট্টগ্রাম: এসএসসি পরীক্ষায় চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডে এবার পাসের হার ও জিপিএ-৫ প্রাপ্তির দিক দিয়ে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে কলেজিয়েট স্কুল।  মুসলিম হাই স্কুল দ্বিতীয় এবং তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে ডা.খাস্তগীর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়।

কলেজিয়েট স্কুলের ৪৫২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪২৪ জন এবং শতভাগ পাস করেছে।  মুসলিম হাই স্কুলের ৪২১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩৫৭ জন এবং পাস করেছে সবাই। খাস্তগীর স্কুলের ৩১৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৮৪ জন এবং পাস করেছে সবাই।

বৃহস্পতিবার (৪ মে) সকালে চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডে প্রকাশিত ফলাফলে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ মহিলা সমিতি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় (বাওয়া)। ৪৩৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে বাওয়া স্কুলে জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৮০ জন এবং পাস করেছে ৪৩১ জন। পঞ্চম অবস্থানে থাকা নাসিরাবাদ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ৩৫৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ২২২ জন এবং পাস করেছে ৩৫৫ জন। ষষ্ঠ অবস্থানে থাকা নৌবাহিনী স্কুল অ্যান্ড কলেজের ৫১৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৯৬ জন এবং পাস করেছে ৫০৫ জন।ডা.খাস্তগীর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উচ্ছ্বাস। ছবি: উজ্জ্বল ধর-বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

সপ্তম অবস্থানে থাকা চট্টগ্রাম সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ২৭৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৯৫ জন এবং পাস করেছে ২৭২ জন। অষ্টম অবস্থানে থাকা চট্টগ্রাম সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ৩১২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৯৩ জন এবং পাস করেছে ৩১১ জন। নবম অবস্থানে থাকা বাকলিয়া সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ২৯৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৬৪ জন এবং পাস করেছে ২৯২ জন। দশম অবস্থানে থাকা কক্সবাজার সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ২৫৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৩৪ জন এবং পাস করেছে ২৪৭ জন।

কলেজিয়েট স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. গিয়াস উদ্দিন বাংলানিউজকে বলেন, ‘শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় পাসের হার ও জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে আমরা শীর্ষ স্থান অর্জন করেছি। শিক্ষকদের নিয়মিত মনিটরিং ও শ্রেণি কার্যক্রমে শিক্ষার্থীদের মনোযোগ আশানুরূপ ছিল। ফলে কলেজিয়েট স্কুলের ৪৫২ জন পরীক্ষার্থীদের মধ্যে সবাই পাস করেছে এবং ৪২৪ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে।’

মুসলিম হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক জিয়াউল হায়দার হেনরী বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের ভাল ফলাফলে স্কুলের শিক্ষকদের যথেষ্ট আন্তরিকতা ছিল। পাশাপাশি অভিভাবকরাও যথেষ্ট যত্নবান ছিলেন। কেননা স্কুলে শিক্ষার্থীদের যে পাঠদান করা হতো তা বাড়ি গিয়ে তারা অধ্যয়ন করতো। পরদিন এসে স্কুলের শিক্ষকদের কাছে তা উপস্থাপন করতো।  এতে অভিভাবকদের অবদান আছে।  সার্বিকভাবে পাসের হার ও জিপিএ-৫ প্রাপ্তির দিক দিয়ে মুসলিম হাইস্কুল দ্বিতীয় অবস্থান অর্জন করার পেছনে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক সবার অবদান রয়েছে।’

বাংলাদেশ সময়: ১৭৫১ ঘণ্টা, মে ০৪, ২০১৭

এসবি/আইএসএ/টিসি

        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
cache_14 2017-05-04 07:51:20