ঢাকা, শনিবার, ২৪ শ্রাবণ ১৪২৭, ০৮ আগস্ট ২০২০, ১৭ জিলহজ ১৪৪১

চট্টগ্রাম প্রতিদিন

কর্ণফুলী ড্রেজিং

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১২২৫ ঘণ্টা, জুন ২, ২০১৪
ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব ছবি : বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

চট্টগ্রাম: কর্ণফুলী ক্যাপিটাল ড্রেজিং এর কাজ শেষ না করে পালিয়ে যাওয়া ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন নৌ-পরিবহন সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মেজর (অব.) রফিকুল ইসলাম।  

সোমবার সকালে কর্ণফুলী ড্রেজিং প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, প্রকল্পের কাজ শেষ না করে পালিয়ে যাওয়া প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কেবল অসন্তোষ প্রকাশই যথেষ্ঠ নয়।

তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

চুক্তি করার পরও  কাজ না করে পালিয়ে যাওয়ায় মালয়েশিয়ান মেরিটাইম অ্যান্ড ড্রেজিং করপোরেশনকে কালো তালিকাভুক্ত করা হবে বলেও জানান তিনি।

সংসদীয় কমিটির সভাপতি বলেন, আমরা প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করে দেখেছি। এখানে অনেক কাজ হয়েছে, তবে চুক্তি অনুযায়ী কাজ করেনি ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান।

বন্দরের সঙ্গে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের চুক্তিপত্র খতিয়ে দেখা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, চুক্তিতে এককভাবে অর্থ পরিশোধের কথা থাকলে বন্দর কর্তৃপক্ষ যদি পৃথকভাবে অর্থ পরিশোধ করে তাহলে সেটাও খতিয়ে দেখা হবে।

জনগণের চেয়ে ঠিকাদার বেশি শক্তিশালী নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, বন্দর যদি অতিরিক্ত টাকা দিয়ে থাকে তাহলে সে টাকা ফেরত আনা হবে।

সোমবার সকালে সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতির নের্তৃত্বে ছয় সদস্যের দল কর্ণফুলী ড্রেজিং প্রকল্প এলাকা পরিদর্শনে যান। এসময় তারা সদরঘাট থেকে চাক্তাই খাল এলাকা পর্যন্ত পরিদর্শন করেন।

এসময় সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য তালুকদার আব্দুল খালেক, মো. আব্দুল হাই, মো. হাবিবুর রহমান, রণজিৎ কুমার রায়, মো. আনোয়ারুল আজিম, অ্যাডভোকেট মমতাজ বেগম, চট্টগ্রাম বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল নিজাম উদ্দিন আহমেদসহ বন্দরের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে সংসদীয় কমিটির প্রকল্প পরিদর্শনের খবর পেয়ে মালয়েশিয়ান মেরিটাইম অ্যান্ড ড্রেজিং করপোরেশনের স্থানীয় এজেন্ট প্যাসিফিক মেরিন সার্ভিসের শতাধিক শ্রমিক-কর্মচারী ছয় মাসের বকেয়া বেতনের দাবিতে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে।  

সরকারের অগ্রাধিকার প্রকল্প হিসেবে কর্ণফুলী নদীর ক্যাপিটাল ড্রেজিং প্রকল্প বাস্তবায়নে মালয়েশিয়ান মেরিটাইম অ্যান্ড ড্রেজিং করপোরেশনের সঙ্গে ২০১১ সালের ২৮ এপ্রিল চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চুক্তি হয়। প্রকল্পটির স্থানীয় এজেন্ট হিসেবে কাজ করে প্যাসিফিক মেরিন সার্ভিস। প্রতিষ্ঠানটির কর্ণধার আবু সালেহ মো. জাফর (প্রকাশ বালু জাফর)।

একই বছরের ১৫ মে ঠিকাদার কাজ শুরু করেন, যা ২০১৩ সালের ২ জানুয়ারি শেষ হওয়ার কথা ছিল। এরপর কয়েক দফা সময় বাড়িয়ে কাজ শেষ করতে পারেনি। পরে কাজ বন্ধ রেখে গা ঢাকা দেয় প্রতিষ্ঠানটি।

বাংলাদেশ সময়: ১২২৪ ঘণ্টা, জুন ২০১৪

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa