bangla news

বাঁশখালীর ১১ হত্যা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ পেছাল

59 |
আপডেট: ২০১৪-০৫-১৯ ৯:৪২:০০ এএম

চট্টগ্রামের বাঁশখালীর সাধনপুরের শীলপাড়ায় ১১ জনকে পুড়িয়ে হত্যা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ পিছিয়েছে। আদালত ২৯ মে এ মামলার পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের সময় নির্ধারণ করেছেন।

চট্টগ্রাম: চট্টগ্রামের বাঁশখালীর সাধনপুরের শীলপাড়ায় ১১ জনকে পুড়িয়ে হত্যা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ পিছিয়েছে। আদালত ২৯ মে এ মামলার পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের সময় নির্ধারণ করেছেন।

চট্টগ্রামের তৃতীয় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ লা মংয়ের আদালতে এ মামলার কার্যক্রম চলছে।

চট্টগ্রামের জেলা পিপি অ্যাডভোকেট আবুল হাশেম বাংলানিউজকে বলেন, বিচারক অসুস্থ থাকায় সোমবার এ মামলার নির্ধারিত সাক্ষ্যগ্রহণ হয়নি।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, সোমবার দেলোয়ার হোসেন নামে একজন সাক্ষীর অসমাপ্ত সাক্ষ্য প্রদানের কথা ছিল। গত ২৮ এপ্রিল তিনি আংশিক সাক্ষ্য দিয়েছিলেন।

চাঞ্চল্যকর এ মামলায় এ পর্যন্ত বাদিসহ পাঁচজনের সাক্ষ্য ও জেরা সম্পন্ন হয়েছে।

উল্লেখ্য ২০০৩ সালের ১৮ নভেম্বর রাতে বাঁশখালীর সাধনপুর ইউনিয়নের শীলপাড়ায় তেজেন্দ্র লাল শীলের বাড়িতে একই পরিবারের ১১ জনকে পুড়িয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা।

নির্মম খুনের শিকার ব্যক্তিরা হলেন, তেজেন্দ্র লাল শীল (৭০), তার স্ত্রী বকুল বালা শীল (৬০), ছেলে অনিল কান্তি শীল (৪২) ও তার স্ত্রী স্মৃতি রাণী শীল (৩০), তাদের মেয়ে মুনিয়া শীল (৭) ও রুমি শীল (১১), চারদিন বয়সী শিশু কার্তিক শীল, তেজেন্দ্রর ছোট ভাইয়ের মেয়ে বাবুটি শীল (২৫), প্র‍সাদী শীল (১৭), অ্যানি শীল (১৫) এবং তেজেন্দ্রর বেয়াই দেবেন্দ্র শীল (৭৫)।

এ ঘটনায় কয়েক দফা অভিযোগপত্র দাখিল, বাদির নারাজিসহ নানা নাটকীয়তার পর ২০১২ সালের ১৯ এপ্রিল ৩৮ আসামির বিরুদ্ধে সম্পত্তি দখল করতে গিয়ে পরিকল্পিত হত্যাকান্ডের ধারায় অভিযোগ গঠন করেন আদালত।  এরপর আদালতে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়।

তবে উচ্চ আদালতের নির্দেশে মামলার মূল আসামী আমিনুর রহমান বিচার কার্যক্রমের বাইরে আছেন।

বাংলাদেশ সময়: ১৯২০ঘণ্টা, মে ১৯,২০১৪

        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
db 2014-05-19 09:42:00