ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৬ ভাদ্র ১৪২৬, ২২ আগস্ট ২০১৯
bangla news

কাজ বন্ধ করে সিএন্ডএফ কর্মচারীদের প্রতিবাদ

51 |
আপডেট: ২০১৪-০২-২৭ ৯:২৯:০০ এএম

চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের উর্ধ্বতন এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অসৌন্যমূলক আচরণের অভিযোগ এনে পণ্য খাসাসের কাজ বন্ধ করে প্রতিবাদ জানিয়েছে পণ্য খালাসের দায়িত্বে নিয়োজিত সিএন্ডএফ কর্মচারীরা।

চট্টগ্রাম: চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের উর্ধ্বতন এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অসৌন্যমূলক আচরণের অভিযোগ এনে পণ্য খাসাসের কাজ বন্ধ করে প্রতিবাদ জানিয়েছে পণ্য খালাসের দায়িত্বে নিয়োজিত সিএন্ডএফ কর্মচারীরা।

কাস্টমসের যুগ্ম কমিশনার ফয়সাল মুরাদের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ এনে বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৩টা থেকে পণ্য খালাসের কাজ বন্ধ করে দেয় সিএন্ডএফ কর্মচারীরা।

সিএন্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের কর্মকর্তারা কাস্টমস কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছেন। অন্যদিকে কাস্টমসের যুগ্ম কমিশনার বলছেন, অনিয়ম বন্ধে কঠোর হওয়াতেই তার বিরুদ্ধে এ অভিযোগ আনা হয়েছে।

কাস্টমসের যুগ্ম কমিশনার ফয়সাল মুরাদ বাংলানিউজকে বলেন, একটি সিএন্ডএফ এজেন্ট প্রতিষ্ঠানের একজন কর্মচারী আমার কাছে ফাইল নিয়ে আসে। সেখানে বিভিন্ন ধরণের অসঙ্গতি ধরা পড়ে। কিন্তু সিএন্ডএফ কর্মচারীরা কাজ করতে চাপ সৃষ্টি করে।

‘এক পর্যায়ে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে জানিয়ে দেয়া হলে সিএন্ডএফ এজেন্ট কর্মচারী ইউনিয়নের দুইজন নেতা এসে আমাকে হুমকি দেয়। দুই নেতা এসে বলেন আমাদের কথা শুনতে হবে।’  

তবে ঘুষ দাবির প্রতিবাদ করায় সিএন্ডএফ এজেন্ট কর্মচারীর সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেছেন বলে অভিযোগ চট্টগ্রাম কাস্টমস সিএন্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের বন্দর বিষয়ক সম্পাদক লিয়াকত আলী হাওলাদারের।

তিনি বাংলানিউজকে বলেন, ফাইল নিয়ে গেলে সিএন্ডএফ কর্মচারীর কাছে ঘুষ দাবি করেন যুগ্ম কমিশনার। ঘুষদানে অস্বীকৃতি জানালে তার সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন।

এ বিষয়ে যুগ্ম কমিশনার ফয়সাল মুরাদ বলেন, তাদের ইন্টারেস্ট অনুযায়ী কাজ না করলেই কাস্টমস কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঘুষের অভিযোগ তোলেন। এটা তাদের নিয়ম হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এর আগেও যারা অনিয়ম বন্ধে কঠোর হয়েছিলেন তাদের বিরুদ্ধেও একই অভিযোগ এনেছিল। আন্দোলন করে ওইসব কর্মকর্তাদের বদলি দাবি করেছিল।

তিনি বলেন, ‘অনিয়ম করবেন, সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দেবেন। ব্যবসার নামে মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করবেন। তাদের ইচ্ছা এসব অনিয়নে সহযোগিতা করি।‘

কাস্টমসের এ কর্মকর্তা বলেন, একজন কর্মচারী হয়ে আমার দপ্তরে এসে আমাকে হুমকি দেবেন আর আমি প্রতিবাদও করতে পারবো না?

চট্টগ্রাম কাস্টমসের অতিরিক্ত কমিশনার সুরেশ চন্দ্র বাংলানিউজকে বলেন, কাজ করতে গিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে একটু ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। আগামী রোববার বিষয়টি নিয়ে উভয় পক্ষ বৈঠকে বসবেন।

বাংলাদেশ সময়: ২০৩০ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০১৪

        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
cache_14 2014-02-27 09:29:00