ঢাকা, বুধবার, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১, ২২ মে ২০২৪, ১৩ জিলকদ ১৪৪৫

ক্রিকেট

অস্ট্রেলিয়ার লজ্জা, এমসিজি পিচকে ‘বাজে’ বললো আইসিসি

স্পোর্টস ডেস্ক | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১০২৭ ঘণ্টা, জানুয়ারি ২, ২০১৮
অস্ট্রেলিয়ার লজ্জা, এমসিজি পিচকে ‘বাজে’ বললো আইসিসি ছবি: সংগৃহীত

ক্রিকেট ইতিহাসে এই প্রথম অস্ট্রেলিয়ার কোনো আন্তর্জাতিক পিচ ‘বাজে’ হিসেবে মূল্যায়ন করলো আইসিসি। তাও আবার বিখ্যাত মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডের (এমসিজি) উইকেট। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ড্র হওয়া অ্যাশেজের বক্সিং ডে টেস্টের (২৬-৩০ ডিসেম্বর) পর পিচ নিয়ে এমন রেটিংয়ে লজ্জার মুখেই পড়লো ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া (সিএ)।

আইসিসির কাছে প্রতিক্রিয়া জানাতে ১৪ দিন সময় পাবে সিএ। মেলবোর্ন টেস্ট দিয়ে চালু হচ্ছে ভেন্যুর ওপর নতুন ডিমেরিট পয়েন্ট সিস্টেম।

যেখানে সর্বোচ্চ দু’বছর আন্তর্জাতিক ক্রিকেট আয়োজনে নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকি রয়েছে।

অ্যাভারেজ পিচে ২টি ডিমেরিট পয়েন্ট, বাজে পিচের জন্য ৩টি ডিমেরিট পয়েন্ট ও আনফিট উইকেটকে দেওয়া হবে ৫টি ডিমেরিট পয়েন্ট। ডিমেরিট পয়েন্টগুলো স্থায়ী হবে পাঁচ বছর। কোনো ভেন্যু পাঁচটি ডিমেরিট পয়েন্ট পেলে এক বছরের নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়বে। ১০টি হলে নিষিদ্ধ থাকবে দুই বছর।

ব্যাটিংবান্ধব এমসিজির উইকেট নিয়ে স্টিভেন স্মিথ ও জো রুট দুই অধিনায়কই অসন্তুষ্টি প্রকাশ করেছিলেন। ক্রিসমাসের (বড়দিন) পরদিন থেকে শুরু হওয়া বক্সিং ডে টেস্টের পাঁচ দিনে মাত্র ২৪টি উইকেট নিতে পেরেছেন বোলাররা। বৃষ্টিবিঘ্নিত চতুর্থ দিনে ৪৪ ওভারের খেলা হয়। শেষদিনে ৮০ ওভারের বেশি সময়ে মাত্র দু’টি উইকেট হারায় অজিরা। অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ড্র নিশ্চিত করেন স্মিথ। ৪ উইকেটে ২৬৩ রান করে স্বাগতিকদের ইনিংস ঘোষণার পর নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংস শুরু না করেই ড্র মেনে নেয় ইংলিশরা। ১০০ রানের স্বল্প টার্গেট হলেও পর্যাপ্ত সময় ছিল না।  প্রথম ইনিংসে অজিদের ৩২৭ রানের জবাবে ৪৯১ করে ১৬৪ রানের লিড নিয়েছিল সফরকারীরা।

ছবি: সংগৃহীতম্যাচ রেফারি রঞ্জন মাদুগালের মূল্যায়ন, ‘এমসিজি পিচের বাউন্স ছিল মিডিয়াম। পাঁচ দিনেও পিচের গতিপ্রকৃতি পরিবর্তন হয়নি এবং কোনো প্রাকৃতিক ক্ষয়ও দেখা যায়নি। ব্যাটসম্যান ও বোলারদের লড়াইয়ে সহায়ক ভূমিকা রাখেনি পিচ। ব্যাটসম্যানের জন্য অনেক বেশি সহায়ক কিংবা বোলারদের পর্যাপ্ত উইকেট নেওয়ার সুযোগ ছিল না। ’

স্মিথের ভাষ্য, ‘পাঁচ দিনেও কোনো পরিবর্তন হয়নি এবং আমি বলবো যদি আরও কয়েকদিন খেলা হতো তাও সম্ভবত কোনো পরিবর্তন হতো না। পেস এবং বাউন্স অথবা স্পিন খুঁজে পাওয়া প্রয়োজন। আমরা কিছু রিভার্স সুইং দেখেছিলাম কিন্তু বল তা বয়ে নিতে পারেনি। ফ্ল্যাট উইকেটে আমার কোনো আপত্তি নেই কিন্তু এখানে পেস থাকা দরকার এবং তা অব্যাহত থাকতে হবে। এই উইকেটটাতে এসব কিছুই ছিল না। ’

টানা তিন ম্যাচ হেরে আগেই সিরিজ হেরে যাওয়া ইংল্যান্ড মেলবোর্নে জয়ের আশা জাগিয়েও বৃষ্টি, স্মিথ-ওয়ার্নারের মার্টি কামরানো মন্থর ব্যাটিং নৈপুণ্যে শেষ পর্যন্ত তা অধরাই থেকে যায়। সিডনিতে ৪ জানুয়ারি শুরু পঞ্চম ও শেষ টেস্ট।

বাংলাদেশ সময়: ১৬২৭ ঘণ্টা, ২ জানুয়ারি, ২০১৭
এমআরএম

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।