ঢাকা, সোমবার, ২৪ শ্রাবণ ১৪২৯, ০৮ আগস্ট ২০২২, ০৯ মহররম ১৪৪৪

কর্পোরেট কর্নার

মার্সেল ফ্রিজ কিনে ১০ লাখ টাকা পেলেন শরবত বিক্রেতা শামীন

নিউজ ডেস্ক | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৬৩৯ ঘণ্টা, জুন ১৫, ২০২২
মার্সেল ফ্রিজ কিনে ১০ লাখ টাকা পেলেন শরবত বিক্রেতা শামীন

ঢাকা: ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেশব্যাপী চলছে মার্সেলের ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-১৫। এর আওতায় পণ্য কেনায় ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত নিশ্চিত ক্যাশব্যাকসহ নানান ক্রেতা সুবিধা দিচ্ছে জনপ্রিয় দেশীয় ইলেকট্রনিক্স ব্র্যান্ড মার্সেল।

এর পরিপ্রেক্ষিতে মার্সেল ফ্রিজ কিনে ১০ লাখ টাকা পেয়েছেন ময়মনসিংহের ফুলপুর পৌরসভার চরপাড়া এলাকার মোহাম্মদ শামীন।  

মার্সেল ফ্রিজ কিনে ভাগ্য বদলে গেল পেশায় আখের শরবত বিক্রেতা শামীনের।

উল্লেখ্য, অনলাইন অটোমেশনের মাধ্যমে গ্রাহকদের আরও দ্রুত ও সর্বোত্তম বিক্রয়োত্তর সেবা দিতে সারা দেশে ডিজিটাল ক্যাম্পেইন চালাচ্ছে মার্সেল।  

এ পদ্ধতিতে ক্রেতার নাম, মোবাইল নম্বর এবং বিক্রি করা পণ্যের মডেল নম্বরসহ বিস্তারিত তথ্য মার্সেলের সার্ভারে সংরক্ষণ করা হচ্ছে। ফলে ওয়ারেন্টি কার্ড হারিয়ে গেলেও দেশের যেকোনো মার্সেল সার্ভিস সেন্টার থেকে দ্রুত সেবা পাচ্ছেন গ্রাহক। অন্যদিকে সার্ভিস সেন্টারের প্রতিনিধিরাও গ্রাহকের ফিডব্যাক জানতে পারছেন। এ কার্যক্রমে ক্রেতাদের স্বতস্ফূর্ত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতেই ১০ লাখ টাকার নিশ্চিত ক্যাশব্যাকসহ নানান সুবিধা দেওয়া হচ্ছে।

গত ৯ জুন ফুলপুরে মার্সেলের এক্সক্লুসিভ শোরুম ‘খান মটরস অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্সে’ আনুষ্ঠানিকভাবে শামীনের হাতে ১০ লাখ টাকার চেক তুলে দেন মার্সেলের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর চিত্রনায়ক আমিন খান এবং মার্সেলের হেড অব সেলস ড. মো. শাখাওয়াত হোসেন।

সেসময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ফুলপুর থানার এসআই মুকুল সরকার, খান মটরসের স্বত্ত্বাধিকারী আইয়ুব খান, মার্সেলের ডিভিশনাল সেলস ম্যানেজার তৈয়বুর রহমান খান এবং রিজিওনাল সেলস ম্যানেজার নুরুল আমিন প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে আমিন খান বলেন, মার্সেল তার ব্যবসায়িক লভ্যাংশ ক্রেতার সঙ্গে ভাগাভাগি করতে চায়। তাই পণ্য কেনায় ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত নিশ্চিত ক্যাশব্যাকসহ নানা সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। মার্সেল যে ক্রেতাদের দেওয়া কথা রাখে সেটার সবচেয়ে বড় প্রমাণ আজকের অনুষ্ঠান।

মার্সেল থেকে পাওয়া এই টাকায় শামীনের ভাগ্যে পরিবর্তন এলো। সংসারে এলো স্বচ্ছলতা। মার্সেল সারা দেশে এ রকম হাজারো মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করে চলেছে।

ড. মো. শাখাওয়াত হোসেন বলেন, ক্রেতাদের আস্থা ও ভালোবাসায় মার্সেল আজ দেশের জনপ্রিয় ব্র্যান্ড। মানুষ বাংলাদেশে তৈরি মার্সেল পণ্য ক্রয় ও ব্যবহার করছে বলে দেশের টাকা দেশেই থাকছে। দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী হচ্ছে।

সৌভাগ্যবান ক্রেতা শামীন জানান, তিনি ৩১ মে শেরপুর রোডের খান মটরস অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স থেকে ২১ হাজার টাকা দিয়ে একটি ফ্রিজ কেনেন। কিছুক্ষণের মধ্যে মার্সেল থেকে ১০ লাখ টাকার মেসেজ যায় তার মোবাইলে। যা দেখে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন তিনি।  

৩ ছেলেমেয়েসহ ৭ সদস্যের সংসার চালাতে ভ্যানে করে আখের শরবত বিক্রি করেন মোহাম্মদ শামীন। শরবতের বরফ তৈরি করতে একটি ফ্রিজ দরকার ছিলো তার। শোরুমে গিয়ে মার্সেল ফ্রিজের ডিজাইন এবং ফিচার দেখে খুবই ভালো লাগে। সেজন্যই মার্সেল ফ্রিজ কেনেন তিনি। আর এই ফ্রিজই তাকে এনে দিলো ১০ লাখ টাকা। ওই টাকা ছেলে মেয়েদের ভবিষ্যতে জন্য জমা রাখবেন শামীন।

জানা গেছে, মার্সেল ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-১৫ এর আওতায় ঈদ অফারে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত নিশ্চিত ক্যাশব্যাকের পাশাপাশি লাখ লাখ টাকার ফ্রি পণ্যসহ বিভিন্ন ক্রেতাসুবিধা দেওয়া হচ্ছে। দেশের যেকোনো মার্সেল শোরুম থেকে ফ্রিজ, টিভি, এসি, ওয়াশিং মেশিন, মাইক্রোওয়েভ ওভেন, ব্লেন্ডার, গ্যাস স্টোভ, রাইস কুকার ও ফ্যান কেনায় এসব সুবিধা পাচ্ছেন গ্রাহক।

পণ্য কেনার সময় সেটির ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন করা হচ্ছে। এরপর ক্রেতার দেওয়া মোবাইল নাম্বারে এসএমএসের মাধ্যমে ক্যাশব্যাকের পরিমাণ কিংবা ফ্রি পণ্য সম্পর্কে জানিয়ে দেওয়া হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট শোরুম থেকে প্রাপ্ত ক্যাশব্যাক অথবা ফ্রি পণ্য ক্রেতাকে যথাসময়ে বুঝিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

বাংলাদেশ সময়: ১৬৩৮ ঘণ্টা, জুন ১৫, ২০২২
এএটি

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa