bangla news

বিষ দিয়ে মারা হলো শতাধিক পাখি

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১৯-০৯-১৪ ৪:১৩:৪০ পিএম
বিষ দিয়ে মারা হলো শতাধিক পাখি। ছবি: বাংলানিউজ

বিষ দিয়ে মারা হলো শতাধিক পাখি। ছবি: বাংলানিউজ

লালমনিরহাট: লালমনিরহাটে বিষ প্রয়োগে পাখি হত্যার অভিযোগ উঠেছে আবুল কাশেম নামে এক চাতাল মালিকের বিরুদ্ধে।

শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পাখির নমুনা জব্দ করে সেগুলো জেলা পশু হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে সদর থানা পুলিশ।

স্থানীয়রা জানান, লালমনিরহাট পৌরসভার সুকান দিঘী এলাকায় কাশেমের চাতাল মিলে শুকাতে দেওয়া ধান খেয়ে ফেলে পাখি। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ওই চাতাল মালিক কিছু ধানে বিষ মিশিয়ে চাতালের চার দিকে রেখে দেন। এসব ধান খেয়ে প্রায় শতাধিক বিভিন্ন প্রজাতির পাখির মৃত্যু হয়। শনিবার সকালে স্থানীয়রা চাতাল থেকে শতাধিক বিভিন্ন প্রজাতির মৃত পাখি উদ্ধার করে। এসব মৃত পাখির ছবি তুলে পাখি হত্যার বিচার দাবি করে মাহাবুব হাসান মনু নামে একটি ফেসবুক পেজ থেকে শেয়ার দেওয়া হলে তা ভাইরাল হয়ে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ মৃত কয়েকটি পাখি সংগ্রহ করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা পশু হাসপাতালে পাঠায়। 

এদিকে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা হয়নি।

স্থানীয় ফেসবুক পোস্টকারী যুবক মাহাবুব হাসান মনু বাংলানিউজকে বলেন, ধান খাওয়ার অপরাধে দুই/তিনদিন ধরে বিষ প্রয়োগে পাখি হত্যা করেই চলেছেন চাতাল মালিক কাশেম। শনিবার সকালেও ওই চাতাল থেকে শতাধিক বিভিন্ন প্রজাতির মৃত পাখি উদ্ধার করা হয়েছে। 

সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার ডা. মকবুল হোসেন বাংলানিউজকে বলেন, বন্য পাখিগুলো কীভাবে মারা পড়েছে তা তদন্ত করা হচ্ছে। 

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহফুজ আলম বাংলানিউজকে বলেন, প্রতিটি প্রজাতির একটি করে পাখির নমুনা সংগ্রহ করে ময়নাতদন্তের জন্য পশু হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন দেখে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক (ডিসি) আবু জাফর বাংলানিউজকে বলেন, ঘটনা তদন্তে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

বাংলাদেশ সময়: ১৬১০ ঘণ্টা, সেপ্টেম্বর ১৪, ২০১৯
এসআরএস

ক্লিক করুন, আরো পড়ুন :   লালমনিরহাট
        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

জলবায়ু ও পরিবেশ বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত

Alexa
cache_14 2019-09-14 16:13:40