ঢাকা, সোমবার, ১১ ভাদ্র ১৪২৬, ২৬ আগস্ট ২০১৯
bangla news

মৌলভীবাজারে উদ্ধার বিপন্ন ‘সন্ধি কাছিম’

ডিভিশনাল সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১৯-০৭-১৬ ২:৫৬:২৩ এএম
উদ্ধারকৃত সন্ধি কাছিম। ছবি: বাংলানিউজ

উদ্ধারকৃত সন্ধি কাছিম। ছবি: বাংলানিউজ

মৌলভীবাজার: মৌলভীবাজারের বন্যপ্রাণী বিভাগের সহায়তায় সোমবার (১৫ জুলাই) রাত পৌনে ১২টায় উদ্ধার করা হয়েছে বিপন্ন প্রজাতির একটি ‘সন্ধি কাছিম’। 

বিকেলে কমলগঞ্জ উপজেলার আদমপুর ইউনিয়নের ঘোড়ামারা এলাকায় জনৈক নির্মল সিংহ বন্যার পানিতে ভেসে আসা কচ্ছপটি দেখতে পান এবং ধরে নিজের বাড়িতে নিয়ে যান। 

কচ্ছপ আটকের খবরটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ বিষয়ক সামাজিক সংগঠন ‘মিতা ফাউন্ডেশন’ কচ্ছপটি উদ্ধারে বন্যপ্রাণী বিভাগের সহায়তা কামনা করে। পরে বন্যপ্রাণী বিভাগের তৎপরতায় এটি উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত সন্ধি কচ্ছপটি বন্যপ্রাণী অফিসে রয়েছে। 

এ উদ্ধার অভিযানে অংশগ্রহণ করেন বন্যপ্রাণী বিভাগের পক্ষে জুনিয়র ওয়াইল্ডফাইফ স্কাউট বুলবুল মোল্লা, রীশু বড়ুয়া, ফরেস্ট গার্ড সুব্রত সরকার এবং মিতা ফাউন্ডেশনের পক্ষে বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন এবং সুমন দেব। এছাড়া ঘোড়ামারা গ্রামের স্থানীয় কৃষ্ণ সিংহ, বাবুল সিংহ এবং সুখময় সিংহ এ কাজে বন্যপ্রাণী বিভাগকে সহযোগিতা করেন। 

সন্ধি কাছিমটিকে বন্যপ্রাণী বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হচ্ছে। ছবি: বাংলানিউজবন্যপ্রাণী বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা মোনায়েম হোসেন বাংলানিউজকে বলেন, মিতা ফাউন্ডেশনের কাছ থেকে একটি কচ্ছপ আটকের খবরটি জানার পরপরই আমরা দ্রুত সিদ্ধান্ত নেই সেটিকে উদ্ধার করতে হবে। জনৈক নির্মল সিংহ প্রথমে কচ্ছপটি দিতে না চাইলেও এ অবৈধ কাজটি সম্পর্কে বোঝানোর পর তিনি এটি বন্যপ্রাণী বিভাগের কাছে হস্তান্তর করেন। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পরামর্শক্রমে এ সন্ধি কাছিমটিকে শিগগির অবমুক্ত করা হবে।

‘সন্ধি কাছিম’কে কেউ কেউ ‘সুন্দি কাছিম’ বা ‘চিতি কাছিম’ও বলে থাকেন। বিপন্ন প্রজাতির প্রাণীটির ইংরেজি নাম Spotted Flapshell Turtle বা Indian Flap-shell Turtal। একসময় এটি দেশের জলাশয়গুলোতে প্রচুর দেখা গেলেও বর্তমানে বিলুপ্তির পথে। ক্রমাগত শিকারের কারণে এটি প্রকৃতি থেকে হারিয়ে যেতে বসেছে। 

বাংলাদেশ সময়: ০২৫১ ঘণ্টা, জুলাই ১৬, ২০১৯ 
বিবিবি/

        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

জলবায়ু ও পরিবেশ বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত

Alexa
cache_14 2019-07-16 02:56:23