ঢাকা, মঙ্গলবার, ৮ শ্রাবণ ১৪২৬, ২৩ জুলাই ২০১৯
bangla news

পটুয়াখালীতে নিরাপদ আশ্রয়ে সাড়ে তিন লাখ মানুষ 

ডিস্ট্রিক্ট ক‌রেসপ‌ন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১৯-০৫-০৪ ১:৫৮:৪৪ এএম
একটি আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শনে জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা

একটি আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শনে জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা

পটুয়াখালী: পটুয়াখালীর ৩৯১টি আশ্রয়কে‌ন্দ্রে ৯১ হাজা‌রেরও বেশি মানুষ আশ্রয় নি‌য়ে‌ছেন। ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’ আঘাত হানলে প্রাণহা‌নি এড়া‌তে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এ পর্যন্ত নিরাপদে আশ্রয়ে সরেছেন প্রায় সাড়ে তিন লাখ মানুষ।

শুক্রবার (৩ মে) রাত ৯টার দি‌কে সদর উপজেলার কয়েকটি আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শন করে বিষয়‌টি নি‌শ্চিত ক‌রে‌ছেন পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক মো. মতিউল ইসলাম চৌধুরী।

এসময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হেমায়ত উদ্দিন ও ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার মো. ফিরোজ আহম্মদ ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লতিফা জান্নাতি উপস্থিত ছিলেন।

জেলা প্রশাসক মতিউল ইসলাম চৌধুরী বাংলানিজকে বলেন, জেলার আশ্রয়কেন্দ্রগু‌লোর ম‌ধ্যে শিক্ষাপ্র‌তিষ্ঠান, ইউনিয়ন পরিষদ, সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার ভবন র‌য়ে‌ছে। আশ্রয়‌কেন্দ্র ও সেখা‌নে আশ্রয় নেওয়া মানু‌ষের দেখভালসহ যাবতীয় কা‌জে জেলা প্রশাস‌নের কর্মকর্তা, উপ‌জেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা দা‌য়িত্ব পালন কর‌ছেন।

নারী, শিশু ও জানমালের নিরাপত্তায় কাজ করছে পুলিশ, গ্রাম পুলিশ ও ভলান্টিয়াররা।

‘আমরা ঝুঁকিপূর্ণ ছয়টি উপজেলার সব জনগণকে আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছি। জেলা প্রশাসন, পুলিশ, কোস্টগার্ড, ফায়ার সার্ভিস ও কমিউনিটি ভলান্টিয়ার এবং রেড ক্রিসেন্টসহ সব দপ্তর বা সংস্থা কাজ করছে।’

আশ্রয়‌কে‌ন্দ্রে অবস্থান করা মানুষ‌দের স্থানীয়ভা‌বে সংগ্রহ করা শুক‌নো খাবার বা রান্না করা খিচুড়ি সরবরাহ শুরু করেছে উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় সরকার।

এদিকে আবহাওয়া অধিদপ্তরের জারি করা ভারী বর্ষণের সর্তকবার্তা রয়েছে। বিকেল থেকে হালকা, মাঝারি ও মাঝে মধ্যে তুমুল বৃষ্টি হচ্ছে। বৃষ্টির সঙ্গে রয়েছে প্রবল বেগে বাতাস। রাতের জোয়ারে স্বাভাবিকের তুলনায় পানির উচ্চতা ও প্রবাহ বেশি রয়েছে।

বাংলাদেশ সময়: ০১৫৬ ঘণ্টা, মে ০৪, ২০১৯
এএ

ক্লিক করুন, আরো পড়ুন :   ফণী
        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

জলবায়ু ও পরিবেশ বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত

Alexa
cache_14 2019-05-04 01:58:44