[x]
[x]
ঢাকা, মঙ্গলবার, ৭ কার্তিক ১৪২৫, ২৩ অক্টোবর ২০১৮
bangla news

সুস্থ হয়ে নীড়ে ফিরলো পাখিগুলো

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১৮-০৯-২১ ৪:০৪:২০ পিএম
পাখি অবমুক্ত

পাখি অবমুক্ত

মৌলভীবাজার: বিভিন্ন সময় আহত অবস্থায় উদ্ধার করা সাতটি পাখি বন্যপ্রাণী গবেষক আলোকচিত্রি তানিয়া খানের তত্ত্বাবধানে সুস্থ হওয়ার পর পাঁচটি পাখি অবমুক্ত করা হয়েছে। বাকি দু’টি বন বিভাগের রেসকিউ সেন্টারে হস্তান্তর করা হয়েছে।

অবমুক্ত পাখিগুলোর মধ্যে রয়েছে- একটি ঘুঘু, একটি মৌটুসি, তিনটি শালিক পাখি। আর বনবিভাগের কাছে একটি ময়না ও একটি সাদা বক হস্তান্তর করা হয়।

শুক্রবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টায় তানিয়া খানের প্রতিষ্ঠিত ‘সেভ আওয়ার আনপ্রটেক্টেড লাইফ (সউল)’ রেসকিউ সেন্টার থেকে তাদের অবমুক্ত ও হস্তান্তর করা হয়।

পাখিগুলোর মধ্যে মৌটুসিকে বৃহস্পতিবার (২০ সেপ্টেম্বর) বাংলানিউজের ডিভিশনাল সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন উদ্ধার করে ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট মাহমুদ এইচ খানকে সঙ্গে নিয়ে তিনি তানিয়া খানের কাছে হস্তান্তর করেন। 

এরআগে পশুপাখিপ্রেমী রাজিব কুমার দে বিভিন্ন সময়ে তিনটি শালিক, একটি ঘুঘু, একটি বক ও একটি ময়না উদ্ধার করে আনেন। যেগুলো বিক্রির উদ্দেশ্যে বিভিন্ন বাজারে নিয়ে আসা হয়েছিল।

পাখিগুলো অবমুক্ত করার সময় উপস্থিত ছিলেন- রাজিব কুমার দে, রেঞ্জ অফিসার মোনায়েম আহমদ, গবেষক তানিয়া খান, বিটিভি জেলা প্রতিনিধি হাসানাত কামাল, স্থানীয় সাংবাদিক ও বনবিভাগের কর্মকর্তারা।

এ ব্যাপারে তানিয়া খান বাংলানিউজকে বলেন, ‘পাখিগুলোকে ধরে নিয়ে মানুষ বাজারে বিক্রি করার জন্য নিয়ে আসে। সেগুলোকে বিভিন্ন সময় কিছু পশুপাখিপ্রেমী লোক উদ্ধার করে আমার কাছে দিয়েছিলেন। সেগুলোকে আমি সুস্থ করার পর পাঁচটি পাখি অবমুক্ত ও দুটিকে বন বিভাগের রেসকিউ সেন্টারে হস্তান্তর করেছি।’ 

এর মধ্যে ময়না পাখিটিকে বনের সঙ্গে এডজাস্ট করতে হবে। তারপর সেটিকে অবমুক্ত করা হবে বলেও জানান তিনি।

বাংলাদেশ সময়: ১৬০৪ ঘণ্টা, সেপ্টেম্বর ২১, ২০১৮
জিপি

ক্লিক করুন, আরো পড়ুন :   মৌলভীবাজার
        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

জলবায়ু ও পরিবেশ বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত

Alexa
cache