bangla news

ক্লাইমেট চেঞ্জ ট্রাস্ট ফান্ড, ৭৭ কোটি টাকার ২২ প্রকল্প অনুমোদন

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১৩-০৮-২০ ৯:১০:৩৫ এএম

জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি মোকাবেলায় ক্লাইমেট চেঞ্জ ট্রাস্ট ফান্ডের প্রায় ৭৭ কোটি টাকার ২২টি প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে ক্লাইমেট চেঞ্জ ট্রাস্টি বোর্ড। মঙ্গলবার সচিবালয়ে পরিবেশ ও মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত ট্রাস্টি বোর্ডের সভায় প্রকল্পগুলো অনুমোদন দেওয়া হয়।

ঢাকা: জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি মোকাবেলায় ক্লাইমেট চেঞ্জ ট্রাস্ট ফান্ডের প্রায় ৭৭ কোটি টাকার ২২টি প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে ক্লাইমেট চেঞ্জ ট্রাস্টি বোর্ড।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে পরিবেশ ও মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত ট্রাস্টি বোর্ডের সভায় প্রকল্পগুলো অনুমোদন দেওয়া হয়। পরিবেশ ও বনমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদের সভাপতিত্বে ট্রাস্টি বোর্ডের ২৯তম সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনি, নৌপরিবহনমন্ত্রী শাহজাহান খান, ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী এ এইচ মোহাম্মদ আলী, খাদ্যমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক উপস্থিত ছিলেন।

সভায় অন্যান্যের মধ্যে পিকেএসএফএর চেয়ারম্যান ড. কাজী খলীকুজ্জামান আহমদ ও পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের সচিব সফিকুর রহমান পাটোয়ারী উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবেলায় এক হাজার সাতশ কোটি টাকা ব্যয়ে একশ ৬০টি প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল।

সভাশেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে পরিবেশ ও বনমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘বাংলাদেশ ক্লাইমেট চেঞ্জ রিজিলিয়েন্স ফান্ডে (বিসিসিআরএফ) একশ ৯০ মিলিয়ন ডলার অনুদান পাওয়া গেছে। আরো ১০০ মিলিয়ন ডলারের কমিটমেন্ট আছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশ ক্লাইমেট চেঞ্জ রিজিলিয়েন্স ফান্ডে ১৩ মিলিয়ন ডলার অর্থ বরাদ্দ দিয়েছে।’

বাংলাদেশের কার্যক্রম বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী।

যেসব প্রকল্পে অর্থ অনমোদন
জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি মোকাবেলায় ২০১৩  সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় টর্নেডোতে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য দুর্যোগ সহনীয় গৃহ নির্মাণ। খরাপীড়িত এলাকায় খাল পুনর্খনন ও বৃক্ষ রোপনের মাধ্যমে জনসাধারণের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নসহ পরিবেশের ভারসাম্য আনা।

খুলনা জেলার দাকোপ উপজেলাধীন অবকাঠামোসমূহ পুনর্বাসন। সাতক্ষীরা জেলার পুনর্বাসন; কপোতাক্ষ নদের বন্যা ও জলাবদ্ধতা থেকে ঝিকরগাছা পৌর এলাকাসহ পার্শ্ববর্তী এলাকা রক্ষা;  কুমিল্লা জেলার ছয়টি ডুবন্ত বাঁধ ও নয়টি খাল পুনর্খনন; সিলেট জেলার কানাইঘাট উপজেলার লুবা নদীর তীর সংরক্ষণ কাজ; সিরাজগঞ্জ জেলার বেলকুচি উপজেলাধীন যমুনা নদীর ভাঙন থেকে রান্ধুনীবাড়ী ও আশুরিয়া নামক স্থান রক্ষা এবং শাহজাদপুর উপজেলাধীন গোপালপুর এলাকায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে যাওয়া ব্রহ্মপুত্রের ডান তীরের বাঁধ পুনরাকৃতিকরণ, টাঙ্গাইল জেলার মধুপুর উপজেলাধীন অডিটোরিয়াম ও শহীদ মিনার রক্ষার্থে স্থায়ী তীর প্রতিরক্ষামূলক কাজ বাস্তবায়ন।

চট্টগ্রাম জেলার সাতকানিয়া উপজেলার সাঙ্গু নদীর বাম তীরে চরতি ইউনিয়নের উত্তর ব্রাহ্মণডাঙ্গা ও তলাতলী নামক স্থান রক্ষা; সিলেট জেলার বিয়ানীবাজার উপজেলারর কুড়ার বাজার ইউনিয়নের অন্তর্গত কুড়ার বাজার স্থানটি কুশিয়ারা নদীর ভাঙন থেকে রক্ষার্থে প্রতিরক্ষা; জয়ন্তী ও আড়িয়াল খাঁ নদীর ভাঙন থেকে বরিশাল জেলার নাজিরপুর বাজার ও পার্শ্ববর্তী এলাকা রক্ষা।

পটুয়াখালী জেলাধীন রাঙ্গাবালী ও কলাপাড়া উপজেলার উপকূলীয় পোল্ডারগুলোর মধ্যে অবস্থিত খালগুলো পুনর্খনন করে মিষ্টি পানি সংরক্ষণের মাধ্যমে অধিক ফসল উৎপাদন ও জলাবদ্ধতা নিরসন।

সিলেট সদর উপজেরার লামাকাজী, শেখপাড়া, কুশিঘাট, দর্শা, ঝালুপাড়া, জাংগালিয়া-যোগীগাঁও, ফতেহপুর ও আকিলপুর নামক স্থানগুলোতে সুরমা নদীর তীর এবং বাদঘাট ও নোয়াগাঁওয়ে সিঙ্গার নদীর তীর সংরক্ষণ প্রকল্প।

বাংলাদেশ সময়: ১৯০৬ ঘণ্টা, আগস্ট ২০, ২০১৩
এসএমএ/এবি/জিসিপি

        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

জলবায়ু ও পরিবেশ বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত

Alexa
cache_14 2013-08-20 09:10:35