bangla news
আমাদের সেনাপতিদের তালিপ্রীতি

আমাদের সেনাপতিদের তালিপ্রীতি

কিছুদিন আগে কবি আল-মাহমুদ জামায়াতের কাছ থেকে সংবর্ধনা নেওয়ার পর সাংবাদিকরা চেপে ধরেছিলেন, কেন তিনি জামায়াতের কাছ থেকে সংবর্ধনা নিলেন? তিনি অকপটে বলেছিলেন, ‘আওয়ামী লীগতো আর আমাকে ডেকে সংবর্ধনা দেবে না।`


২০১১-১০-১৬ ৫:৩৯:৫৪ এএম
দিবানিদ্রা ভঙ্গ করিয়া টাইমবোমায় জল সিঞ্চনই শ্রেয়

দিবানিদ্রা ভঙ্গ করিয়া টাইমবোমায় জল সিঞ্চনই শ্রেয়

পদাধিকার বলে জ্ঞানী নই বলে আমার কথার বাজারমূল্য হয়তো নেই। তবুও বলি, আমি একটি টাইমবোমার টিক্-টিক শব্দ শুনতে পাচ্ছি। এ  শব্দ ক্রমশ স্পষ্টতর হচ্ছে।


২০১১-১০-১৬ ৪:৪০:৩১ এএম
পরিষ্কার দিনলিপি, অস্বচ্ছ উন্নয়ন ফিরিস্তি

পরিষ্কার দিনলিপি, অস্বচ্ছ উন্নয়ন ফিরিস্তি

আমাদের প্রধানমন্ত্রী তার রাজনৈতিক জীবনের শুরু থেকেই কথার কারণে মাঝে মাঝেই বিব্রতকর পরিস্থিতির শিকার হয়েছেন। একবারতো আদালত  এজন্য তাকে ভর্ৎসনাও করে। জনসভায় ‘একটা লাশ পড়লে দশটা লাশ পড়বে’ বক্তব্যটি বেশ ঘৃণা কুড়িয়েছিল। বিপরীতে বিরোধী নেত্রীর অন্তত: বাচনে বেশ ভদ্রতা ছিল আগে।


২০১১-১০-১৬ ৩:০০:২২ এএম
আরো অনেক খোলাসা হতে হবে

আরো অনেক খোলাসা হতে হবে

বিচার প্রক্রিয়া তখনই গ্রহণযোগ্য হয় যখন অভিযুক্ত মামলার পূর্ণাঙ্গ বিবরণ শুনে-বুঝে আত্মপক্ষ সমর্থনে সক্ষম হন। প্রচলিত ধারা সম্পর্কে পর্যাপ্ত জ্ঞান এবং যুক্তি-তর্ক ও বিশ্লেষণের কৌশলগত প্রয়োগের অভাবেই অভিযুক্তরা আত্মপক্ষ সমর্থনে কৌঁসুলি বা আইনজীবী নিয়োগ দেন। অভিযুক্তর সাথে একান্ত কথাবার্তা বলার অধিকার ও সুযোগ আইনজীবীদের প্রাপ্য।


২০১১-১০-১৬ ৮:০৪:২৯ এএম
সেঁজুতি যেতে চায়, যাক...

সেঁজুতি যেতে চায়, যাক...

সেঁজুতিকে নিয়ে সুমি খানের লেখাটা পড়ে আঁচড় কাটল মনে। তার সঙ্গে কথা বলার লোভ সামাল দিতে পারিনা। কিন্তু তার নাম্বার কোথায়! আজকাল এ’ত কোন সমস্যা না।


২০১১-১০-১৪ ৯:৫৯:৫৫ পিএম
পদ্মাসেতু না ঠিকাদারী ব্যবসায়ী মন্ত্রী আবুল?

পদ্মাসেতু না ঠিকাদারী ব্যবসায়ী মন্ত্রী আবুল?

পদ্মাসেতুর দুর্নীতি নিয়ে বিশ্বব্যাংকের অভিযোগের ব্যাপারটি আর কানাঘুষার পর্যায়ে নেই। বিশ্বব্যাংক এর মাঝে স্পষ্ট করে বলে দিয়েছে, তাদের দুর্নীতির অভিযোগটি সরাসরি যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেনের বিরুদ্ধে।


২০১১-১০-১৪ ৩:১৯:৩৩ এএম
সেঁজুতিকে ফেরানো গেলো না!

সেঁজুতিকে ফেরানো গেলো না!

সাংবাদিকতার সাথে নৈতিকতার বৈরিতা নাকি বন্ধুত্ব? কার কাছে দায়বদ্ধ আজকের সাংবাদিকতা? পুঁজি,  ব্যক্তিস্বার্থ, গোষ্ঠীস্বার্থ আর হিংসা প্রতিহিংসার কাছে? তাহলে বিবেক কোথায় বন্দী রেখেছেন তারা? এ প্রশ্ন আজ বড়ো জটিল হয়ে দেখা দিয়েছে সাংবাদিক এবং পাঠকদের মনে।


২০১১-১০-১৩ ৫:৫৪:৪৮ এএম
যার ধর্ম তার কাছে

যার ধর্ম তার কাছে

নারীনেত্রী শিরিন হক ও অকালপ্রয়াত নাসরিন হকের মায়ের নামটি এ মুহূর্তে মনে পড়ছে না। ধর্ম নিয়ে আমাদের দুই নেত্রী খালেদা-হাসিনার সর্বশেষ বাহাসের রিপোর্ট পড়তে পড়তে তার কথা খুব মনে পড়েছে।


২০১১-১০-১৩ ১:৫৬:৫১ এএম
‘রাজনৈতিক’ সাইলেন্স

‘রাজনৈতিক’ সাইলেন্স

বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলের সংখ্যা শতাধিক। গোটা পাঁচেক বাদে বাদবাকীগুলো ওয়ান ম্যান শো। এই দলগুলোর অস্তিত্ত্ব কেবল খুঁজে পাওয়া যায় সংবাদপত্রে প্রকাশিত বিবৃতিতে। গুরুত্বপূর্ণ-অগুরুত্বপূর্ণ কিছুই বাদ যায় না বিবৃতির বিষয় থেকে।


২০১১-১০-১২ ১:২১:১১ এএম
রোডমার্চ শেষ ডাণ্ডাবেড়ি তত্ত্বে!

রোডমার্চ শেষ ডাণ্ডাবেড়ি তত্ত্বে!

খালেদা জিয়ার বেশ সফল সিলেট রোডমার্চ অতঃপর ডাণ্ডাবেড়ির মতো একটি প্রতিহিংসা তত্ত্বের মাধ্যমে শেষ হয়েছে! সিলেটের জনসভায় ডাণ্ডাবেড়ির তত্ত্বটি দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘনিষ্ট আত্মীয় ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ!


২০১১-১০-১১ ১১:৩৯:১৫ পিএম
স্রোতের বিপরীতে....

স্রোতের বিপরীতে....

সৌদি আরবে আটজন বাঙালির শিরশ্ছেদে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হবার পরে সংবাদপত্র, ফেসবুক, ব্লগ এবং অন্যান্য মাধ্যমগুলো ঢুঁ মারলে স্পষ্টতঃ দুইটি ভিন্ন ধারার প্রতিক্রিয়া ল্য করা যায়। এক পক্ষ ঘটনাটিকে বর্বর বলে তীব্র সমালোচনা করছে;


২০১১-১০-১৪ ২:৪২:১৪ এএম
যে ভুল পথে যেতে চাইছেন খালেদা

যে ভুল পথে যেতে চাইছেন খালেদা

রোডমার্চের প্রথম দিনেই মোটামুটি সফল খালেদা জিয়া। অর্থাৎ সিলেট রোড মার্চের পথে পথে তার কর্মসূচি ঘিরে জনসমাগম ভালো হয়েছে। পথসভাগুলো রূপান্তরিত হয়েছে জনসভায়। খালেদা জিয়ার আগের একটি আলোচিত রোডমার্চ ছিল পার্বত্য শান্তি চুক্তির বিরুদ্ধে। সেই রোডমার্চ কাচপুরের কাছে শামীম ওসমান বাহিনীর কাছে বাধাগ্রস্ত হলে থেমে থাকে সারাদিন।


২০১১-১০-১১ ১২:৫৮:২৪ এএম
অক্ষমের আর্তনাদ...

অক্ষমের আর্তনাদ...

সৌদি আরবে ৮ বাংলাদেশির শিরোশ্ছেদ নিয়ে আমরা সবাই হতবাক, শোকার্ত এবং ক্ষুব্ধ! কিন্তু লক্ষ্য করে দেখবেন এ নিয়ে বাংলাদেশ সরকারের পাশাপাশি মূলধারার রাজনৈতিক দলগুলো আওয়ামী লীগ-বিএনপি-জাতীয় পার্টি বা জামায়াতেরও কোন রা’ নেই!


২০১১-১০-১০ ১:১০:৪৮ এএম
শরিয়া আইনেই যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই

শরিয়া আইনেই যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই

জামায়াতের ’মুরুব্বী’ সউদিরা ’দুর্বল’ দেশের মানুষদের বিচারে শরিয়া আইনের ইস্তেমাল করে থাকেন। একই অপরাধে ধনী ও শক্তিমত্ত দেশের নাগরিকদের বিচার হয় ভিন্ন তরিকায়। নিজেদের রাজ পরিবারের কেউ হলেতো সকল আইনই অচল! একই যাত্রার ভিন্ন ফলাফল।


২০১১-১০-০৯ ১২:২৫:০৯ পিএম
এই বর্বরতাকে ধিক্কার!!

এই বর্বরতাকে ধিক্কার!!

মধ্যযুগ, ঘোর মধ্যযুগ! না হলে কী প্রকাশ্যে মানুষের ধড় থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন করার প্রথা টিকে থাকে কোনো সমাজে?  যখন দুনিয়ার দিকে দিকে আধুনিকতা, গণতন্ত্র  আর মানবাধিকারের ধ্বজা উড়ছে, যখন মানুষ হয়ে উঠছে তার স্বপ্নের সমান বড়, তখন গাড়ি চালানোর , একাকী বাইরে বেরোবার অধিকারটুকুও পাচ্ছে না সৌদি নারীরা।


২০১১-১০-০৯ ১১:২৩:৪৫ এএম