ঢাকা, রবিবার, ২৭ আষাঢ় ১৪২৭, ১২ জুলাই ২০২০, ২০ জিলকদ ১৪৪১

বঙ্গবন্ধু বিপিএল-২০১৯

লিটন ঝড়ে কুপোকাত চট্টগ্রাম

স্পোর্টস করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০২০-১১-০১ ১০:১০:৪৪ পিএম
লিটন ঝড়ে কুপোকাত চট্টগ্রাম ছবি: শোয়েব মিথুন

চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের ছুড়ে দেওয়া মাঝারি লক্ষ্যকে পাত্তাই দিল না রাজশাহী রয়্যালস। লিটস দাসের ৭৫ আর শোয়েব মালিকের ৪৩ রানের দুটি ঝড়ো ইনিংসেই চট্টগ্রামকে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে এখন আন্দ্রে রাসেলবাহিনী। 

বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ৪১তম ম্যাচে শনিবার (১১ জানুয়ারি) মিরপুরের শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শুরুতে ব্যাট করতে নেমে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৫৫ রানের মাঝারি সংগ্রহ পায় চট্টগ্রাম। জবাবে ৮ উইকেট হাতে রেখেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় রাজশাহী।

লক্ষ্য তাড়ায় রাজশাহীকে দুর্দান্ত শুরু এনে দেন লিটন দাস ও আফিফ হোসেন। দুজনের ওপেনিং জুটিতে আসে ৮৮ রান। ৩১ বলে ৩২ রানের ইনিংস খেলে আফিফ বিদায় নিলেও অপর প্রান্তে জয়ের পথে তৈরি করতে থাকেন লিটন। এর মাঝে দুর্দান্ত এক ফিফটি তুলে দেন এই উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান।

.আফিফের পর লিটনের সঙ্গে যোগ দেন শোয়েব মালিক। দুজনে মিলে ৫০ রানের জুটিও গড়েন। তবে দলকে জয় থেকে ১৮ রান দূরত্বে রেখে বিদায় নেন লিটন। তার ৪৮ বলে ৭৫ রানের ইনিংসটি ১১টি চার ও ১ ছক্কায় সাজানো। এরপর বাকি পথ অনায়াসে পাড়ি দেন মালিক।  

অধিনায়ক আন্দ্রে রাসেলকে নিয়ে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেওয়া শোয়েব মালিক ৪৩ রান নিয়ে অপরাজিত থাকেন। ২৫ বল স্থায়ী এই পাকিস্তানি অলরাউন্ডারের ইনিংসটি ৩টি চার ও ২টি ছক্কায় সাজানো। আর ২ রানে অপরাজিত থাকেন রাসেল।

বল হাতে চট্টগ্রামের হয়ে ১টি করে উইকেট নিয়েছেন নাসুম আহমেদ ও জিয়াউর রহমান।

এর আগে রাজশাহীর আমন্ত্রণে ব্যাট করতে নেমে ঝড় তুলতে ব্যর্থ হন গেইল ও জুনায়েদ সিদ্দিকী। দুজনেই ধীরগতিতে রান তোলার কারণে ভালো শুরু পায়নি চট্টগ্রাম। দলকে ৩৮ রানে রেখে জুনায়েদ বিদায় নেওয়ার আগে ২৩ বলে ঠিক ২৩ রান করেন। আর দলীয় ৬০ রানের মাথায় বিদায় নেওয়া ক্যারিবীয় ব্যাটিং দানবের ব্যাট থেকে আসে ২১ বলে ২৩ রানের বেমানান ইনিংস।

.দুই ওপেনারের বিদায়ের পরও চট্টগ্রামের ব্যাটসম্যানদের ব্যাটে ঝড়ের দেখা পাওয়া যাচ্ছিল না। মাঝে ১৮ বলে ১৯ রান করে আউট হন ইমরুল কায়েস। ওয়ালটনের ব্যাট থেকে আসে ৬ বলে ৪ রান। তবে এখান থেকে দলকে সম্মানজনক সংগ্রহের পথ দেখান মাহমুদউল্লাহ ও নুরুল। দুজনে মিলে যোগ করেন ৩৭ রান।

মোহাম্মদ ইরফানের বলে রবি বোপারার হাতে ক্যাচ তুলে দেওয়ার আগে নুরুলের ব্যাট থেকে আসে ১৭ বলে ৪ চার ও ১ ছক্কায় ৩০ রানের ইনিংস। তবে নুরুলের বিদায়ের পর মাহমুদউল্লাহর ব্যাটে ঝড়ের দেখা পাওয়া যায়। শেষ পর্যন্ত ৪৮ রানে অপরাজিত থাকেন চট্টগ্রামের অধিনায়ক। মাঠ ছাড়ার আগে ৩৩ বলে ২ চার ও ৩ ছক্কায় ইনিংস সাজান তিনি। ৭ রানে অপরাজিত থাকেন জিয়াউর রহমান।

.বল হাতে রাজশাহীর হয়ে ১টি করে উইকেট পেয়েছেন ইরফান, আবু জায়েদ, শোয়েব মালিক, আফিফ হোসেন ও তাইজুল ইসলাম।  

ম্যাচ সেরা নির্বাচিত হয়েছেন রাজশাহীর লিটন দাস।

এই জয়ে ১২ ম্যাচ শেষে ১৬ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষস্থানে এখন রাজশাহী। দুইয়ে নেমে যাওয়া চট্টগ্রামের পয়েন্টও ১৬। কিন্তু নেট রান রেটের হিসাবে পিছিয়ে চট্টগ্রাম। তবে এই অবস্থান সাময়িক। দিনের বাকি দুই খেলা শেষে নির্ধারিত হবে মূল তালিকা।

বাংলাদেশ সময়: ১৭১০ ঘণ্টা, জানুয়ারি ১১, ২০২০
এমএইচএম

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa