ঢাকা: ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় পরোয়ানাভুক্ত আসামি ফেনীর সোনাগাজী থানার সাবেক ওসি মোয়াজ্জেম হোসেনকে গ্রেফতারে সর্বাত্মক চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ সদর দফতর।

">
bangla news

ওসি মোয়াজ্জেমকে গ্রেফতারে সর্বাত্মক চেষ্টা করছে পুলিশ

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম | আপডেট: ২০১৯-০৬-১২ ৯:২১:০২ পিএম
ওসি মোয়াজ্জেমকে গ্রেফতারে সর্বাত্মক চেষ্টা করছে পুলিশ
ওসি মোয়াজ্জেম

ঢাকা: ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় পরোয়ানাভুক্ত আসামি ফেনীর সোনাগাজী থানার সাবেক ওসি মোয়াজ্জেম হোসেনকে গ্রেফতারে সর্বাত্মক চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ সদর দফতর।

বুধবার (১২ জুন) সন্ধ্যায় পুলিশ সদর দফতরের সহকারী মহা-পরিদর্শক (এআইজি) সোহেল রানা বাংলানিউজকে বিষয়টি জানান।

তিনি বলেন, ফেনীর সোনাগাজী থানার সাবেক ওসি মোয়াজ্জেম হোসেনের বিষয়ে বাংলাদেশ পুলিশের অবস্থান অত্যন্ত পরিষ্কার ও সুস্পষ্ট। তার বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্দেশ দিয়েছেন আইজিপি। তাকে গ্রেফতারের সর্বাত্মক চেষ্টা চলছে।

সোনাগাজীতে পুড়িয়ে হত্যা করা মাদরাসাছাত্রী নুসরাত জাহানের জবানবন্দির ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়ানোর অভিযোগে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দায়ের করা এক মামলার আসামি মোয়াজ্জেম হোসেন। বাংলাদেশ সাইবার ট্রাইব্যুনাল তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির পর থেকে তিনি পলাতক রয়েছেন।

নুসরাতকে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনায় ওসি মোয়াজ্জেম হোসেনের বিরুদ্ধে দায়িত্বে অবহেলার সত্যতা মিলেছে আগেই। পুলিশের বিভাগীয় ব্যবস্থার অংশ হিসেবে মোয়াজ্জেমকে সাময়িক বরখাস্ত করে রংপুর রেঞ্জে সংযুক্ত করা হয়।

একই অভিযোগে ফেনী জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) জাহাঙ্গীর আলম সরকারকে প্রত্যাহার করে পুলিশ সদর দফতরে সংযুক্ত করা হয়। এছাড়া, অভিযুক্ত এসআই মো. ইউসুফকে খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয় এবং এসআই মো. ইকবাল আহাম্মদকে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায় সংযুক্ত করা হয়।

সে সময় পুলিশ সদর দফতর জানায়, নুসরাত হত্যাকাণ্ডের ঘটনা তদন্তে পুলিশ সদর দফতরের গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের সুপারিশ অনুযায়ী অভিযুক্ত সবার বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থার অংশ হিসেবে এসপিসহ অভিযুক্ত চার পুলিশ সদস্যকেই অন্যত্র সংযুক্ত করা হয়েছে।

গত ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদরাসার আলিম পরীক্ষার্থী নুসরাতকে যৌন নিপীড়নের দায়ে ওই মাদরাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এরপর ৬ এপ্রিল মাদরাসার ছাদে ডেকে নিয়ে অধ্যক্ষের সহযোগীরা নুসরাতের শরীরে আগুন ধরিয়ে দেয়। ১০ এপ্রিল রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে নুসরাত মারা যান।

বাংলাদেশ সময়: ২১১০ ঘণ্টা, জুন ১২, ২০১৯
পিএম/এএ

Phone: +88 02 8432181, 8432182, IP Phone: +880 9612123131, Newsroom Mobile: +880 1729 076996, 01729 076999 Fax: +88 02 8432346
Email: news@banglanews24.com , editor@banglanews24.com
Marketing Department: 01722 241066 , E-mail: marketing@banglanews24.com

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

কপিরাইট © 2019-07-16 15:25:30 | একটি ইডব্লিউএমজিএল প্রতিষ্ঠান