চলতি বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত ১৬টি ম্যাচের ৩টি ভেসে গেছে বৃষ্টিতে। এর আগে ১৯৯২ ও ২০০৩ বিশ্বকাপে দুটি করে ম্যাচ পরিত্যক্ত হয় যা বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি ভেসে যাওয়া ম্যাচের সংখ্যা। কিন্ত চলতি বিশ্বকাপে তা ছাড়িয়ে গেছে এখনই। অথচ এত বড় আয়োজনে নেই কোনো রিজার্ভ ডে। 

">
bangla news

রিজার্ভ ডে না থাকা প্রসঙ্গে আইসিসির বিবৃতি

ওয়ার্ল্ড কাপ ডেস্ক | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম | আপডেট: ২০১৯-০৬-১২ ১০:৫৫:০৮ এএম
রিজার্ভ ডে না থাকা প্রসঙ্গে আইসিসির বিবৃতি
ছবি: সংগৃহীত

চলতি বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত ১৬টি ম্যাচের ৩টি ভেসে গেছে বৃষ্টিতে। এর আগে ১৯৯২ ও ২০০৩ বিশ্বকাপে দুটি করে ম্যাচ পরিত্যক্ত হয় যা বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি ভেসে যাওয়া ম্যাচের সংখ্যা। কিন্ত চলতি বিশ্বকাপে তা ছাড়িয়ে গেছে এখনই। অথচ এত বড় আয়োজনে নেই কোনো রিজার্ভ ডে। 

ইংলিশ আবহাওয়া সম্পর্কে আইসিসির জানা থাকা স্বত্ত্বেও নেই কোনো রিজার্ভ ডে। তাই ম্যাচ একবার পরিত্যক্ত হলে পয়েন্ট ভাগাভাগি ছাড়া আর কোনো উপায় রাখেনি আইসিসি। শুধু সেমিফাইনাল আর ফাইনালের জন্য রাখা হয়েছে রিজার্ভ ডে। আর আইসিসির এমন উদাসীনতায় বেশ জোরেশোরেই প্রশ্ন উঠেছে।

নিজেদের পক্ষেও সাফাই গাইতে দেরি করেনি আইসিসি। আইসিসির প্রধান নির্বাহী ডেভিড রিচার্ডসন এক বিবৃতিতে জানান, টুর্নামেন্টের দৈর্ঘ্যের কথা চিন্তা করেই রিজার্ভ ডে রাখা হয়নি। এই টুর্নামেন্টের সাথে আরও অনেক কিছু জড়িয়ে আছে যা অত্যন্ত জটিল। সবকিছু চিন্তা করেই তারা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘বিশ্বকাপে প্রতিটি ম্যাচের জন্য রিজার্ভ ডে রাখলে টুর্নামেন্টের দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি পাবে এবং এটা আয়োজন করা অনেক জটিল হয়ে যাবে। এর সাথে পিচ তৈরি, দলগুলোর তত্ত্বাবধান, ভেন্যু পাওয়া, টুর্নামেন্টের কর্মচারী, স্বেচ্ছাসেবক, ম্যাচ কর্মকর্তা, সম্প্রচার, সরবরাহকারী এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভ্রমণকারী দর্শকদের ম্যাচে থাকার সাথে প্রভাব রয়েছে। রিজার্ভ ডেতে বৃষ্টি হবে না তারও কোনো নিশ্চয়তা নেই।’

‘প্রতি ম্যাচে ১২০০ মানুষ যুক্ত থাকে। যারা ম্যাচের প্রতিটিক্ষনের সঙ্গে জড়িত থাকেন। এই ১২০০ মানুষ নিয়েই আমাদের এক ভেন্যু থেকে অন্য ভেন্যুতে যেতে হয়। সব কিছু মিলিয়ে জটিল একটা বিষয়কে আরও বড় করা সম্ভব ছিলো না।’ 

‘সব কিছু বিবেচনা করেই আমরা নক আউট পর্বে রিজার্ভ ডে রেখেছি। যেখানে একটা ম্যাচ আসলেই গুরুত্বপূর্ণ। এখানে বর্তমানে একেবারেই অদ্ভুত আবহাওয়া চলছে। গত দুদিনে আমরা প্রায় গড়ে এক মাসের বৃষ্টি দেখে ফেলেছি। অথচ জুন ইংল্যান্ডের তৃতীয় শুষ্ক মাস হওয়ার কথা।’

এবারের আসরের এরই মধ্যে পাকিস্তান-শ্রীলঙ্কা, উইন্ডিজ-দক্ষিণ আফ্রিকা ও বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার মধ্যকার তিনটি ম্যাচ পরিত্যক্ত হয়েছে। আবহাওয়ার পূর্বাভাস মতে বিশ্বকাপের আরও কিছু ম্যাচ বৃষ্টির কারণে পরিত্যক্ত হতে পারে। যার মধ্যে রয়েছে ভারত-নিউজিল্যান্ড ও পাকিস্তান-অস্ট্রেলিয়ার ম্যাচ।

বাংলাদেশ সময়: ১০৫৫ ঘণ্টা, জুন ১২, ২০১৯
এমকেএম

Phone: +88 02 8432181, 8432182, IP Phone: +880 9612123131, Newsroom Mobile: +880 1729 076996, 01729 076999 Fax: +88 02 8432346
Email: news@banglanews24.com , editor@banglanews24.com
Marketing Department: 01722 241066 , E-mail: marketing@banglanews24.com

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

কপিরাইট © 2019-07-22 09:26:16 | একটি ইডব্লিউএমজিএল প্রতিষ্ঠান