ঢাকা: পদ্মানদীর ওপারেই বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মাহবুব আলী। 

 

">
bangla news

পদ্মার ওপারেই হচ্ছে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম | আপডেট: ২০১৯-০১-১৫ ১:৫৭:০৪ পিএম
পদ্মার ওপারেই হচ্ছে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর
প্রতীকী ছবি

ঢাকা: পদ্মানদীর ওপারেই বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মাহবুব আলী। 

 

মঙ্গলবার (১৫ জানুয়ারি) বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের কার্যালয় পরিদর্শনে গিয়ে তিনি এ কথা জানান। 

বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী বলেন, নতুন দায়িত্বে চ্যালেঞ্জ আছে। তবে চ্যালেঞ্জ জয় করাই হলো মানুষের কাজ। বিমানের ক্ষেত্রেও তাই। সমস্ত চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করেই সামনের দিকে এগিয়ে যাবে বিমান। পিছিয়ে থাকবো না। 

‘আমি আজকে প্রথম এলাম। কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেছি, তারা আমাকে একটা প্রেজেন্টেশন দেখিয়েছেন, আমাদের অনেক বড় বড় প্রকল্প চলমান আছে। যথা সময়ে প্রকল্পগুলো শেষ করাই আমার প্রাথমিক লক্ষ্যে।’কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন প্রতিমন্ত্রী মাহবুব আলী। ছবি: বাংলানিউজতিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাজ শুরু হয়নি তা নয়, কাজ শুরু হয়েছিল। মুন্সিগঞ্জে স্থানও নির্ধারণ করেছিলাম, কিন্তু স্থানীয় মানুষের বিরোধিতার কারণে সেটা হয়নি। এখন নতুনভাবে ফিজিবিলিটি স্ট্যাডি শেষ হয়েছে, সাইট সিলেকশন চূড়ান্ত হওয়ার পথে। এটা হবে পদ্মাসেতুর ওপারে, সেতুর পাশেই। এ বিমানবন্দর হবে প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের সেন্টার পয়েন্ট।

নিউইয়র্কে বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইট চালু প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, চলতি বছরের মার্চ থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে আমেরিকান ফেডারেশন অব সিভিল অ্যাভিয়েশন প্রতিনিধি দল বাংলাদেশ সফরে আসবে।  তাদের অনুমতির পরই নিউইয়র্কে ফ্লাইট সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

‘বিমানবন্দরে সেবার ক্ষেত্রে ভিআইপি ও সাধারণ যাত্রীরা সমান সুবিধা পায়, সে দিকে নজর থাকবে আমার। বাংলাদেশ বিমান যেমন আকাশে শান্তির নীড়, তেমনই বিমানবন্দরও একটি আনন্দ কেন্দ্র হয়ে ওঠবে।’ 

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিমানের বন্ধ হয়ে যাওয়া আন্তর্জাতিক রুটসহ নতুন নতুন রুট চালুর জন্য কাজ করে যাচ্ছে সরকার। এই জন্য ড্রিমলাইনারসহ কানাডা থেকে আরও উড়োজাহাজ সংগ্রহের কাজ চলছে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান এয়ার মার্শল এম নাঈম হাসান। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ২০১৩ সাল থেকে এখন পর্যন্ত বিমানবন্দর ব্যবহারে উড়োজাহাজ সংস্থাগুলো একই ধরনের চার্জ দিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু যন্ত্রপাতির দাম বাড়ায়, এই চার্জের রিভিউয়ের সময় এসেছে। ২০১৯ সালে এটা বাড়বে। আর সারচার্জ হলো বকেয়া চার্জের সুদ-আসল। তাই সময়মতো চার্জ পরিশোধ করলে বিমান সংস্থাগুলোকে সারচার্জ পরিশোধের প্রয়োজন হয় না। 

‘এমনিতেই বেবিচক সব বিমানবন্দর পরিচালনায় লোকসান দিয়ে যাচ্ছে। দেশীয় বেসরকারি বিমান সংস্থাগুলোকে সুবিধা দিতে এই লোকসান দেওয়া হয়।’

বাংলাদেশ সময়: ১৩৫২ ঘণ্টা, জানুয়ারি ১৫, ২০১৯/আপডেট: ১৪৩৪ ঘণ্টা
আরএম/এমএ/

Phone: +88 02 8432181, 8432182, IP Phone: +880 9612123131, Newsroom Mobile: +880 1729 076996, 01729 076999 Fax: +88 02 8432346
Email: news@banglanews24.com , editor@banglanews24.com
Marketing Department: 01722 241066 , E-mail: marketing@banglanews24.com

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

কপিরাইট © 2019-05-20 09:42:14 | একটি ইডব্লিউএমজিএল প্রতিষ্ঠান