bangla news

শেষটাও বাংলাদেশের

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম | আপডেট: ২০১০-১০-১৭ ৭:৩৬:১৮ এএম
শেষটাও বাংলাদেশের

আশা নিরাশার দোলাচলে দুলতে দুলতে ৪৯.৩ ওভারে এসে জয়ের ঘন্টা বাজে। টুং টাং করে নয়। হাজার হাজার মানুষের গগণ কাপানো আনন্দ ধ্বনিতে ফেটে পড়ে মিরপুর। জয়, জয়, জয় শেষ ম্যাচেও জয় পেয়েছে বাংলাদেশ।

ঢাকা: আশা নিরাশার দোলাচলে দুলতে দুলতে ৪৯.৩ ওভারে এসে জয়ের ঘন্টা বাজে। টুং টাং করে নয়। হাজার হাজার মানুষের গগণ কাপানো আনন্দ ধ্বনিতে ফেটে পড়ে মিরপুর। জয়, জয়, জয় শেষ ম্যাচেও জয় পেয়েছে বাংলাদেশ।

বাংলাদেশ:  ১৭৪/১০ (৪৪.২ ওভার)
নিউজিল্যান্ড:  ১৭১/১০ (৪৯.৩ ওভার)

শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে তিন রানের জয় উপহার দিয়েছেন রুবেল হোসেন। শেষ ওভারের তৃতীয় বলে কাইল মিলসকে সরাসরি বোল্ড করে বিজয়ের নিশানা উড়ান। শেষ ওভারে নিউজিল্যান্ডের দরকার ছিলো ৮ রান। প্রথম বলে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে রানের ব্যবধান কমিয়ে আনেন মিলস। দ্বিতীয় বল ডট। তৃতীয় বল সজোরে আঘাত হানে মিলসের পেছনে থাকা স্ট্যাম্পে।   

হোয়াইটওয়াশ, বাংলাওয়াশ, ধবল ধোলাই যে নামেই বলা হোক নিউজিল্যান্ডকে ওয়াশ করেছে স্বাগতিকরা। ইতিহাসের সাক্ষী এই সাফল্য। পাঁচ ম্যাচের সিরিজ ৪-০ তে জিতেছে বাংলাদেশ। বৃষ্টিতে ভেসে গেছে অন্যটি।

রুবেল হোসেন, সাকিব আল হাসান, আব্দুর রাজ্জাক, সফিউল ইসলাম প্রত্যেকেই ধন্যবাদ পাওয়ার যোগ্য। অসম্ভব এক ম্যাচ নিউজিল্যান্ডের মুঠো থেকে ছিনিয়ে নিয়েছেন বোলাররা।

আগে ব্যাট করে ১৭৫ রানের মামুলি লক্ষ্য বেঁধে দেয় বাংলাদেশ। ছোট পুঁজিও ড্যানিয়েল ভেট্টোরিদের জন্য পাহাড় সমান হয়ে দাঁড়ায় ২০ রানের মধ্যে পাঁচ ব্যাটসম্যানের বিদায়ে। তখন খেলা হয়েছে ৬.৩ ওভার।

এরপর কিউইদের কোমড় সোজা করে দাঁড়ানোর কথা নয়। অথচ ভেট্টোরি এবং নাথান ম্যাককালামের ক্যাচ ফেলে সুযোগটা করে দেন জুনায়েদ সিদ্দিক। ব্যক্তিগত ১২ রানের মাথায় স্লিপে ক্যাচ তুলেও জুনায়েদের কল্যাণে জীবন পান কিউই অধিনায়ক। সাজঘরে ফেরার আগে ৪৩ রান করেন তিনি। নাথান ম্যাকালাম অবশ্য পুনর্জীবন পেয়েও ইনিংস বেশি দূর টানতে পারেননি। ভেট্টোরি এবং নাথান দুজনই সাকিবের শিকার হয়েছেন।

ষষ্ঠ উইকেট জুটিতে ৮৬ রান তোলেন ভেট্টোরি ও গ্রান্ট এলিয়ট। অষ্টম উইকেট হিসেবে সাজঘরে ফেরার আগে এলিয়টের সংগ্রহ ছিলো ৫৯ রান। মূলত দলের বিপদ মুহূর্তে কান্ডারি হয়ে ছিলেন ডানহাতি এই ব্যাটসম্যান। কিউইরা নবম উইকেট হারায় ১৪৫ রানে। জয়ের জন্য সফরকারীদের দরকার ছিলো ৩০ বলে ৩০ রান। শেষ উইকেট ২৬ রান পর্যন্ত তুলে ফেলে।

রুবেল হোসেন ৯.৩ ওভার বোলিং করে ৪ উইকেট শিকার করেছেন। এছাড় সাকিব, আব্দুর রাজ্জাক দুটি করে এবং সোহরাওয়ার্দী শুভ একটি উইকেট নেন।

এর আগে টস জিতে ব্যাটিং বেছে নিয়ে নিউজিল্যান্ডের বোলিং তোপের মুখে পড়ে বাংলাদেশ। শুরু থেকে উইকেট হারিয়ে প্রতিপক্ষকে চ্যালেঞ্জিং স্কোর ছুঁড়ে দেওয়া কঠিন হয়।

স্লো উইকেটে একজনও বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। নির্ভরতার প্রতীক হয়ে ওঠা ওয়ানডে র‌্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ অলরাউন্ডার সাকিবও ৩৬ রানে বিদায় নেন। জুটি বড় না হওয়ায় ৪৪.২ ওভারে ১৭৪ রান তুলতে সমর্থ হয় টাইগাররা। দলের পক্ষে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ইমরুল কায়েস ৩৪ (৫০) রান। এছাড়া মুশফিকুর রহিম ২৯ (৪১) এবং মাহমুদউল্লাহ ১৯ (৪১) রান করতে সমর্থ হন।  

নিউজিল্যান্ডের পক্ষে কাইল মিলস ও ড্যানিয়েল ভেট্টোরি ৩ করে এবং অ্যান্ডি ম্যাকাই ও গ্রান্ট এলিয়ট ২ করে উইকেট নেন।
ম্যাচসেরা হয়েছেন রুবেল হোসেন। সিরিজ সেরার পুরস্কার জেতেন বাংলাদেশ অধিনায়ক সাকিব আল হাসান।

বাংলাদেশ সময়: ১৩১২ ঘন্টা, অক্টোবর ১৭, ২০১০


 

Phone: +88 02 8432181, 8432182, IP Phone: +880 9612123131, Newsroom Mobile: +880 1729 076996, 01729 076999 Fax: +88 02 8432346
Email: news@banglanews24.com , editor@banglanews24.com
Marketing Department: 01722 241066 , E-mail: marketing@banglanews24.com

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

কপিরাইট © 2019-06-15 21:49:55 | একটি ইডব্লিউএমজিএল প্রতিষ্ঠান