ঢাকা, সোমবার, ১১ মাঘ ১৪২৭, ২৫ জানুয়ারি ২০২১, ১১ জমাদিউস সানি ১৪৪২

শিল্প-সাহিত্য

গ্রুপ থিয়েটারের বর্ষপূর্তির আয়োজন উৎসর্গ আলী যাকেরকে

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২১৩১ ঘণ্টা, নভেম্বর ২৯, ২০২০
গ্রুপ থিয়েটারের বর্ষপূর্তির আয়োজন উৎসর্গ আলী যাকেরকে গ্রুপ থিয়েটারের ৪০তম বর্ষপূর্তির আয়োজন উৎসর্গ করা হয়েছে আলী যাকেরকে। ছবি: রাজীন চৌধুরী

ঢাকা: করোনাকালে বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটারের ফেডারেশানের ৪০ বছর পূর্তির অনুষ্ঠানটি ঘিরে ছিল বেদনার আবহ। তাই বের হয়নি বর্ণিল শোভাযাত্রা, ওড়ানো হয়নি রঙিন বেলুন।

মহামারিতে নাট্য আন্দলনের পথিকৃৎ আলী যাকেরসহ সংস্কৃতিজনদের চলে যাওয়ার বিষাদ ভর করেছিল বর্ষপূর্তির এ আয়োজনে। ফেডারেশানের চার দশক পূর্তির অনুষ্ঠানটি উৎসর্গ করা হয় আলী যাকেরকে।

রোববার (২৯ নভেম্বর) শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে ফেডারেশানের সাবেক চেয়ারম্যান ও সেক্রেটারি জেনারেলদের দেওয়া হয় সম্মাননা। ছিল নাটকের পাঠ, নাটকের গান ও নৃত্য পরিবেশনা।

অনুষ্ঠানের সূচনালগ্নে নাট্যশালার বাইরের বারান্দায় মোমবাতি প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে স্মরণ করা হয় এ বছরের প্রয়াত সংস্কৃতিজনদের। এরপর সকলে আসেন নাট্যশালার ভেতরের লবিতে। সেখানে স্থাপিত গালে হাত দিয়ে হাস্যোজ্জ্বল অভিব্যক্তিতে দৃশ্যমান আলী যাকেরের প্রতিকৃতি। ফুল আর মোমবাতির আলোয় আলোকিত প্রতিকৃতির নিচে এই নাট্যজনকে শ্রদ্ধাঞ্জলি জানানো হয়।

আলোচনাসভা ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কেএম খালিদ। লাকী ইনামের সভাপতিত্বে আলোচনায় অংশ নেন আতাউর রহমান, মামুনুর রশীদ, ম. হামিদ, নাসির উদ্দিন ইউসুফ, দেবপ্রসাদ দুলাল দেবনাথ, ঝুনা চৌধুরী, কামাল বায়েজিদ ও আকতারুজ্জামান। শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন একাডেমির সচিব মো. নওশাদ হোসেন।

আলোচনার আগে প্রয়াত সংস্কৃতিজনদের স্মরণে পালন করা হয় এক মিনিটের নীরবতা। এরপর ফেডারেশানের সাবেক চেয়ারমান ও  সেক্রেটারি জেনারেলদের সম্মননা দেওয়া হয়। অসুস্থতার কারণে উপস্থিত ছিলেন না সাবেক চেয়ারম্যান রামেন্দু মজুমদার। সম্মাননা প্রাপ্ত বাকি চেয়ারম্যানরা হলেন আতাউর রহমান, মামুনুর রশীদ, নাসির উদ্দিন ইউসুফ, সারা যাকের ও ম. হামিদ। আর সাবেক সেক্রেটারি জেনারেল হিসেবে সম্মাননায় ভূষিত হন এসএম সোলায়মান (মরণোত্তর), ঝুনা চৌধুরী ও আকতারুজ্জামান।

আলোচনায় মামুনুর রশীদ বলেন, গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশানের প্রথম সভায় আমিও উপস্থিত ছিলাম। শুরু থেকে আমি ফেডারেশানের বিরোধীতা করেছিলাম। আজকে বুঝতে পারছি আমার সেই বিরোধীতা অমূলক নয়। কারণ সাংগঠনিকতা বৃদ্ধি পাওয়াতে সৃজনশীলতা কমে যাচ্ছে। যার কারণে নাটকের মানও এখন নিম্নমুখী। ঢাকার বাইরের নাটকের অবস্থা যাচ্ছে তাই। ঢাকার নাটকের উৎকর্ষতা বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে ঢাকার বাইরের নাটকের উৎকর্ষতা যদি বৃদ্ধি না পায়, তাহলে আমি মনে করি নাটকের সামগ্রিক মান এখনও অনুন্নত।

বাংলাদেশ সময়: ২১২১ ঘণ্টা, নভেম্বর ২৯, ২০২০
ডিএন/এইচএমএস

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa