bangla news

‘সত্য গল্প সুন্দরভাবে সাজালে উপন্যাস হয়’

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১৯-১১-০৮ ২:৩৩:১৬ পিএম
লেখক নাদিম জামান ও সঞ্চালক রিফাত মুনিম (ডান থেকে)। ছবি: শাকিল আহমেদ

লেখক নাদিম জামান ও সঞ্চালক রিফাত মুনিম (ডান থেকে)। ছবি: শাকিল আহমেদ

ঢাকা: বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মার্কিন লেখক নাদিম জামান বলেছেন, প্রতিটি সত্য ঘটনায় প্রচুর চরিত্র থাকে, যার কোনোটি প্রত্যক্ষ, কোনোটি পরোক্ষ। প্রতিটি চরিত্রের আলাদা গল্প থাকে। এসব গল্প সুন্দরভাবে সাজাতে পারলে একটি উপন্যাস তৈরি হয়।

শুক্রবার (৮ নভেম্বর) ঢাকা লিট ফেস্টের দ্বিতীয় দিনে বাংলা একাডেমির আব্দুল করিম সাহিত্যবিশারদ মিলনায়তনে ‘ইন দ্য টাইম অব দ্য আদার্স’ শিরোনামের অধিবেশনে তিনি এসব কথা বলেন। অধিবেশনটি সঞ্চালনা করেন রিফাত মুনিম।

আলাপনের শুরুতেই জানানো হয়, নাদিম জামানের লেখা প্রথম উপন্যাস ‘ইন দ্য টাইম অব দ্য আদার্স’, যার প্রেক্ষাপট বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ। উপন্যাসের মূল চরিত্র ইমতিয়াজের ১৯৭১ সালের মার্চে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান ভ্রমণের অভিজ্ঞতা নিয়ে আলোচনা হয় এ অধিবেশনে।

এ বিষয়ে নাদিম জামান বলেন, সত্য ঘটনার অনুপ্রেরণায় কিছু চরিত্র সৃষ্টি করা হয়েছে। এর মাধ্যমে সরাসরি স্বাধীনতা যুদ্ধের বাইরের মানুষগুলো যুদ্ধটি কীভাবে দেখেছেন, সেটি ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করেছি। পাশাপাশি, সেসময় পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের জীবন কেমন ছিল, সেসব ফুটিয়ে তোলা হয়েছে এ উপন্যাসে।

প্রাথমিক আলাপন শেষে প্রশ্নোত্তর পর্বে নাদিম জামানের কাছে ঢাকা ট্রিবিউন সম্পাদক জাফর সোবহান প্রশ্ন করেন- উপন্যাসের শিরোনাম ‘ইন দ্য টাইম অব দ্য আদার্স’ কেন? উত্তরে তিনি বলেন, যেহেতু উপন্যাসে বর্ণিত ‘আদার্স’ বা অন্যরাই এখানে মুখ্য। যুদ্ধ চলাকালে তাদের গল্পগুলো, তাদের সময়টাই উপন্যাসের মূল উপজীব্য। সেজন্যই উপন্যাসের এ নাম রাখা হয়েছে। 

নতুন লেখকদের প্রতি তার কোনো পরামর্শ আছে কি-না জানতে চাইলে নাদিম জামান বলেন, পড়ো, পড়ো এবং পড়ো। তারপরেই লেখো। লেখার জন্য কোনো অজুহাত দেওয়া যাবে না। লেখায় ভাটা পড়ার জন্য শুধু লেখকই দায়ী। 

বাংলাদেশ সময়: ১৪৩২ ঘণ্টা, নভেম্বর ০৮, ২০১৯
ডিএন/এফএম

        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

শিল্প-সাহিত্য বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত

Alexa
cache_14 2019-11-08 14:33:16