bangla news

আসছেন পাঠক, কিনছেন বই

ফিচার রিপোর্টার | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১৯-০২-০৪ ৫:২২:৫৬ পিএম
বইমেলায় এখন যারা যাচ্ছেন তারা বই কিনেই ঘরে ফিরছেন/ছবি: বাদল

বইমেলায় এখন যারা যাচ্ছেন তারা বই কিনেই ঘরে ফিরছেন/ছবি: বাদল

অমর একুশে গ্রন্থমেলা থেকে: দুপুর গড়িয়ে এখন বিকেল। রোদের তীব্রতা কমে তাতে মেখেছে স্নিগ্ধতার আবেশ। সে আবেশে ভালোবাসা জাগে। আর সে ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে প্রতিটি বইপ্রেমী পরম আবেগে হাতে তুলে নেয় নিজের পছন্দের বইটি।

সোমবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বাংলা একাডেমি ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অমর একুশে গ্রন্থমেলার দ্বার খুলতেই মেলার মাঠে ভিড় জমান বইপ্রেমীরা। এদিন যারা এসেছেন, তাদের প্রায় প্রত্যেককেই কিনতে দেখা গেছে বই। বিভিন্ন স্টলের বিক্রয়কর্মীরাও জানিয়েছেন এমন তথ্যই।

এ প্রসঙ্গে কথাপ্রকাশ প্রকাশনীর স্টলের ইনচার্জ মো. ইউনুস আহমেদ বাংলানিউজকে বলেন, আজ মেলার শুরু থেকেই বিক্রিটা ভালো আছে। অন্তত প্রথম কয়েকদিনের তুলনায় আজ মেলায় আরো মানুষ আসবে বলেই মনে হচ্ছে।

তার স্টলে এদিন যারা এসেছেন, তারা সবাই বই কিনেছেন বলেও জানান তিনি। আরো জানান, খুব দ্রুতই জমজমাট হবে মেলা। কেননা ইতোমধ্যেই পাঠকদের বই কেনা শুরু হয়ে গেছে।বইমেলায় এখন যারা যাচ্ছেন তারা বই কিনেই ঘরে ফিরছেন/ছবি: বাদলমাওলা প্রকাশনীর সামনে কথা হয় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আরিফুর রহমানের সঙ্গে। তিনি কিনেছেন শাহাদুজ্জামানের প্রবন্ধের বই গুগল গুরু। সঙ্গে আছে তার বন্ধুরাও। শুধু বইমেলায় অংশগ্রহণের জন্যই তিনি রাজশাহী থেকে ঢাকা এসেছেন বন্ধুদের সঙ্গে।

কথা হলে আরিফ বলেন, বর্তমান সময়ের লেখকদের মধ্যে শাহাদুজ্জামান আমার প্রিয় একজন লেখক। তাই আজ প্রিয় লেখকের বই দিয়েই বই কেনা শুরু করলাম। গত কয়েকদিন বিভিন্ন স্টল ঘুরে আরো কিছু বইয়ের লিস্ট করেছি, আস্তে আস্তে সেগুলোও কিনে নেবো।

মেলা ঘুরে দেখা যায়, এদিন শুরু থেকেই লোক সমাগম বেশ। অনেকে বিভিন্ন স্টলে ঘুরে ঘুরে বইয়ের তালিকা সংগ্রহ করছেন। আবার অনেকেই কিনছেন আগের বছর বা পুরনো সময়ের প্রিয় কোনো বই।

বাংলাদেশ সময়: ১৭০৫ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ০৪, ২০১৯
এইএমএস/এএ

        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

শিল্প-সাহিত্য বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত

Alexa
cache_14 2019-02-04 17:22:56