ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৮, ০২ ডিসেম্বর ২০২১, ২৬ রবিউস সানি ১৪৪৩

আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপ ২০১৯

ওয়ানডে বিশ্বকাপের যত রেকর্ড

স্পোর্টস ডেস্ক | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৮৩৩ ঘণ্টা, মে ২১, ২০১৯
ওয়ানডে বিশ্বকাপের যত রেকর্ড ওয়ানডে বিশ্বকাপের ট্রফি-ছবি:সংগৃহীত

২০১৯ ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে অনুষ্ঠেয় দ্বাদশ ওয়ানডে বিশ্বকাপ শুরু হতে আর মাত্র ৮দিন বাকি। প্রতিবারের মতো এবারের আসরটিও আগের সব আসরকে ছাড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টায় থাকবে। হতে পারে নতুন অনেক রেকর্ড।

এই পর্বটি সাজানো হয়েছে বিশ্বকাপের গত ১১ আসরের রেকর্ড নিয়ে। নিচে পাঠকদের জন্য তা তুলে ধরা হলো:

দলীয় পারফরম্যান্স:-
সর্বোচ্চ স্কোর: ২০১৫ বিশ্বকাপে ঘরের মাঠে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ৬ উইকেট হারিয়ে অস্ট্রেলিয়া ৪১৭ রান করেছিল।


সর্বনিম্ন স্কোর: ২০০৩ বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে কানাডার স্কোর ছিল ৩৬।
ম্যাচে দুই ইনিংসের সর্বোচ্চ: ২০১৫ বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়া ও শ্রীলঙ্কার মধ্যকার ম্যাচে ১৮ উইকেট হারিয়ে ৬৮৮ রান তোলে দু’দল।
দুই ইনিংসে সর্বনিম্ন: ২০০৩ বিশ্বকাপে কানাডা বনাম শ্রীলঙ্কা ম্যাচে ১১ উইকেট হারিয়ে ৭৩ রান উঠেছিল।
সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয়: ২০১১ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তাড়া করতে নেমে ৭ উইকেট হারিয়ে ৩২৯ করে আয়ারল্যান্ড জয় পায়।
সর্বোচ্চ জয়ের ব্যবধান: ২০১৫ বিশ্বকাপে আফগানিস্তানের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার ২৭৫ রানের জয়।
সর্বনিম্ন জয়ের ব্যবধান: ১৯৮৭ ও ১৯৯২ সালে দু’বারই ভারতের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়া ১ উইকেটে জয় পায়।
শতাংশ হিসেবে সর্বোচ্চ জয়: অস্ট্রেলিয়া-৭৫.৩০ শতাংশ।
সবচেয়ে বেশি জয়: অস্ট্রেলিয়া-৬২
সবচেয়ে বেশি হার: জিম্বাবুয়ে-৪২

এক আসরে শতভাগ জয়ের রেকর্ড:-
অস্ট্রেলিয়া: ২০০৭ (১১টি)
অস্ট্রেলিয়া: ২০০৩ (১১টি)
শ্রীলঙ্কা: ১৯৯৬ (৮টি)
ওয়েস্ট ইন্ডিজ (৫টি)
ওয়েস্ট ইন্ডিজ (৪টি)

জয় ও হারের ধারাবাহিকতা:-
# অস্ট্রেলিয়া ১৯৯৯ থেকে ২০১১ বিশ্বকাপ পর্যন্ত টানা ২৭টি ম্যাচে জয় পায়।
# ১৯৮৩ থেকে ১৯৯২ পর্যন্ত টানা ১৮ ম্যাচে হারের মুখ দেখে জিম্বাবুয়ে।

সব আসর মিলিয়ে ব্যাটিং রেকর্ড:-
সর্বোচ্চ রান: শচীন টেন্ডুলকার (ভারত, ২২৭৮)
সর্বোচ্চ গড় (অন্তত ২০ ইনিংস খেলা): এবি ডি ভিলিয়ার্স (দক্ষিণ আফ্রিকা, ৬৩.৫২)
সর্বোচ্চ স্ট্রাইক রেট (অন্তত ২০ ইনিংস খেলা): ব্র্যান্ডন ম্যাককালাম (নিউজিল্যান্ড, ১২০.৮৪)
দ্রুততম ডাবল সেঞ্চুরি: ২০১৫ বিশ্বকাপে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ১৩৮ বলে ওয়েস্ট ইন্ডিজ তারকা ক্রিস গেইল।
দ্রুততম দেড়শ রানের ইনিংস: ২০১৫ বিশ্বকাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ডি ভিলিয়ার্স ৬৪ বলে।
দ্রুততম সেঞ্চুরি: ২০১১ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে আয়ারল্যান্ডের কেভিন ও’ব্রাইন ৫০ বলেন।
দ্রুততম হাফসেঞ্চুরি: ২০১৫ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাককালাম ১৮ বলে।
সবচেয়ে বেশি সেঞ্চুরি: শচীন (৬টি)
সবচেয়ে বেশি হাফসেঞ্চুরি: শচীন (২১টি)
সবচেয়ে বেশি শূন্য রানে আউট: নাথান অ্যাস্টেল (নিউজিল্যান্ড, ২২ ম্যাচে ৫বার)
সবচেয়ে বেশি ছক্কা: গেইল ও ডি ভিলিয়ার্স (সমান ৩৭টি)
এক ইনিংসে সবচেয়ে বেশি ছক্কা: ২০১৫ বিশ্বকাপে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে গেইলের ১৬টি।
সর্বোচ্চ স্কোর: ২০১৫ বিশ্বকাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে নিউজিল্যান্ডের মার্টিন গাপটিল ২৩৭ রানে অপরাজিত ছিলেন।
বাউন্ডারিতে এক ইনিংসে সবচেয়ে বেশি রান: ২০১৫ বিশ্বকাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে গাপটিল ১৬২ রান।
সর্বোচ্চ পার্টনারশিপ: ২০১৫ বিশ্বকাপে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে গেইল ও মারলন স্যামুয়েলস ক্যারিবীয়দের হয়ে ৩৭২ রানের জুটি গড়েছিলেন।

এক টুর্নামেন্টের ব্যাটিং রেকর্ড:-
সবচেয়ে বেশি সেঞ্চুরি: ২০১৫ বিশ্বকাপে কুমার সাঙ্গাকারা (শ্রীলঙ্কা, ৪টি)
সবচেয়ে বেশি হাফসেঞ্চুরি: ২০০৩ বিশ্বকাপে শচীন (৭টি)
সবচেয়ে বেশি রান: ২০০৩ বিশ্বকাপে শচীন (১১ ইনিংসে ৬৭৩)
সবচেয়ে বেশি ছক্কা: ২০১৫ বিশ্বকাপে গেইল (৬ ইনিংসে ২৬টি)।

ব্যাটিংয়ের ধারাবাহিকতা:-
টানা সেঞ্চুরি: ২০১৫ বিশ্বকাপে সাঙ্গাকারা (৪টি)
টানা হাফসেঞ্চুরি: ২০১৫ বিশ্বকাপে স্টিভেন স্মিথ (অস্ট্রেলিয়া, ৫টি)
টানা শূন্য রানে আউট: নিকোলাস ডি গ্রুট (কানাডা, ২০০৩ সাল) ও শেম এনগোচে (কেনিয়া, ২০১১ সাল) ৩টি করে।

সব আসর মিলিয়ে বোলিং রেকর্ড:-
সর্বোচ্চ উইকেট: গ্লেন ম্যাকগ্রা (অস্ট্রেলিয়া, ৭১টি)
সবচেয়ে ভালো গড় (অন্তত ১০০০ বল করেছেন): ম্যাকগ্রা (১৮.১৯)
ইকোনোমি রেট (অন্তত ১০০০ বল করেছেন): অ্যান্ডি রবের্টস (ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ৩.২৪)
স্ট্রাইক রেট (অন্তত ১০০০ বল করেছেন): লাসিথ মালিঙ্গা (শ্রীলঙ্কা, ২৩.৮)
সেরা বোলিং ফিগার: ২০০৩ সালে নামিবিয়ার বিপক্ষে ম্যাকগ্রার ১৫ রানের বিনিময়ে ৭ উইকেট।
টানা সর্বোচ্চ উইকেট: ২০০৭ বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে মালিঙ্গার ৪ উইকেট।
এক টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ উইকেট শিকার: ম্যাকগ্রা (২০০৭, ২৬টি)

ফিল্ডিংয়ের রেকর্ড:-
সবচেয়ে বেশি ডিসমিসাল (উইকেটরক্ষক): সাঙ্গাকারা (৫৪টি)
সবচেয়ে বেশি ক্যাচ: রিকি পন্টিং (অস্ট্রেলিয়া, ২৮টি)
এক টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ ডিসমিসাল: ২০০৩ বিশ্বকাপে অ্যাডাম গিলক্রিস্ট (অস্ট্রেলিয়া, ২১টি)
সর্বোচ্চ ক্যাচ: ২০০৩ বিশ্বকাপে পন্টিং (১১টি)
এক ম্যাচের সর্বোচ্চ ডিসমিসাল: গিলক্রিস্ট ২০০৩ সালে ও সরফরাজ আহমেদ ২০১৫ সালে ৬টি করেন।
সর্বোচ্চ ক্যাচ: ২০০৩ সালে ভারতের মোহাম্মদ কাইফ এবং ২০১৫ সালে বাংলাদেশের সৌম্য সরকার ও পাকিস্তানের উমর আকমল ৪টি করে।

অনান্য রেকর্ড:-
সবচেয়ে বেশি বিশ্বকাপ জয়ী দল: অস্ট্রেলিয়া (৫বার)
এক ইনিংসে সর্বোচ্চ অতিরিক্ত রান: ১৯৯৯ বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিপক্ষে স্কটল্যান্ড ৫৯ রান দিয়েছিল।
সবচেয়ে বেশি ম্যাচ আয়োজন (ভেন্যু): ইংল্যান্ডের হেডেংলি।
আম্পায়ার হিসেবে সবচেয়ে বেশি ম্যাচে দায়িত্ব পালন: ডেভিড শেফার্ড (ইংল্যান্ড, ৪৬)
সবচেয়ে বেশি ফাইনালে দায়িত্ব পালন: স্টিভ বাকনার (ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ৫টি)
সবচেয়ে বেশি বিশ্বকাপ খেলা ক্রিকেটার: পাকিস্তানের জাভেদ মিয়াঁদাদ ও শচীন (৬টি)
বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলা ক্রিকেটার: পন্টিং (৪৬টি)
একটির বেশি দেশের হয়ে বিশ্বকাপ খেলা ক্রিকেটার: অ্যান্ডারসন কামিন্স, কেপলার ওয়েলস, এড জয়েস ও ইয়ন মরগান।
সবচেয়ে বেশি বিশ্বকাপ জয়ী ক্রিকেটার: অস্ট্রেলিয়া গিলক্রিস্ট, ম্যাকগ্রা ও পন্টিং যথাক্রমে টানা ১৯৯৯, ২০০৩ ও ২০০৭ বিশ্বকাপ জিতেছেন।
সবচেয়ে বয়স্ক ক্রিকেটার: ১৯৯৬ সালে নেদারল্যান্ডসের নোলান ক্লার্ক ৪৭ বছর ২৫৭ দিনে খেলেন।
কম বয়সী ক্রিকেটার: ২০১১ সালে কানাডার নিতীশ কুমার ১৬ বছর ২৮৩ দিনে খেলেন।
সবচেয়ে বেশি ম্যাচে নেতৃত্ব: পন্টিং (২৯টি)
অধিনায়ক হিসেবে সবচেয়ে বেশি জয়ের হার (অন্তত ১০ ম্যাচ): পন্টিং ৯২.৮৫ শতাংশ (২৯ ম্যাচে)
কম বয়সী অধিনায়ক হিসেবে শিরোপা জয়: কপিল দেব (১৯৮৩ সালে ভারতের হয়ে ২৪ বছর, ৫ মাস, ১৯ দিনে)

বাংলাদেশ সময়: ১৪৩০ ঘণ্টা, মে ২১, ২০১৯
এমএমএস

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপ ২০১৯ এর সর্বশেষ

Alexa