ঢাকা, শুক্রবার, ৫ আশ্বিন ১৪২৬, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯
bangla news

বিদায়ী কিংবদন্তিদের একাদশ

ওয়ার্ল্ড কাপ ডেস্ক | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১৯-০৫-২৯ ৫:৪৫:০১ পিএম
মাশরাফি, ধোনি ও মালিঙ্গার এটাই শেষ বিশ্বকাপ

মাশরাফি, ধোনি ও মালিঙ্গার এটাই শেষ বিশ্বকাপ

প্রায় দুই যুগ পর ক্রিকেটের জন্মভূমি ইংল্যান্ড ও ওয়ালসে ফিরছে ওয়ানডে বিশ্বকাপ। ২০১৯ বিশ্বকাপে দীর্ঘদিন পর ফিরছে রাউন্ড-রবিন ফরম্যাট, যেখানে প্রতিটি দল একে অন্যের মোকাবিলা করবে। এছাড়া এবার অংশগ্রহণকারী দলের সংখ্যাও ১৪ থেকে কমে হয়েছে ১০টি। ফলে এবারের আসরটি বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ একথা বলাই যায়। 

বিশ্বকাপ শিরোপা এমন এক সাফল্যের মুকুট যা প্রতিটি খেলোয়াড়ের আজীবনের স্বপ্ন। এই স্বপ্ন সফল করার সুযোগ ক্যারিয়ারে খুব কম খেলোয়াড়ের কপালেই জোটে। অবসর নেওয়ার আগে এমন সাফল্য লাভ করতে চায় সবাই। তবে এমনও অনেক তারকা আছেন যারা এখনও খেলা চালিয়ে যাচ্ছেন এবং ক্রিকেটবিশ্বে কিংবদন্তির পর্যায়ে চলে গেছেন, কিন্তু এখনও সেই সাফল্যের দেখা পাননি। তাদের জন্য এটাই হয়তো শেষ সুযোগ।

আবার এমনও অনেকে আছেন এর আগে সাফল্য পেয়েছেন এবং যারা শেষটাও রাঙানোর স্বপ্ন নিয়ে ফের একবার লড়তে প্রস্তুত। এখনও খেলে যাচ্ছেন এবং এটাই যাদের শেষ বিশ্বকাপ এমন কয়েকজন কিংবদন্তিদের নিয়ে একাদশ গঠন করলে তা কেমন হবে চলুন দেখে আসি,

#১ ক্রিস গেইল

ওয়েস্ট ইন্ডিজ মানেই ক্রিকেটের নির্ভেজাল বিনোদন। আর চলতি শতাব্দীতে দলটির সেরা ক্রিকেট বিনোদনদাতা নিশ্চিতভাবেই ক্রিস গেইল। ১৯৯৯ সালে ভারতের বিপক্ষে অভিষেকের পর থেকে আজ পর্যন্ত ক্রমাগত নিজেকে ছাড়িয়ে যাচ্ছেন তিনি। জাতীয় দল কিংবা ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ যেখানেই খেলেছেন নিজেকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তারকা হিসেবে তুলে ধরেছেন এই বাঁহাতি ওপেনার। 

ক্রিকেটের ‘ইউনিভার্সাল বস’ গেইল ছোট ফরম্যাটের ক্রিকেটের অলিখিত রাজা। ৫০ ওভারের ফরম্যাটে ছয় বা তার বেশিবার ১৫০-এর অধিক রানের ইনিংসের মালিক এমন ছয়জনের একজন তিনি। বড় টুর্নামেন্টে তার সাফল্যও আছে। উইন্ডিজের ২০০৬ চ্যাম্পিয়নস ট্রফি জেতায় তার ভূমিকা ছিল অনন্য। আর একাই যেকোনো ম্যাচের ফল পাল্টে দেওয়ার মতো বিধ্বংসী ব্যাটিং তো আছেই। নিজেকে তিনি কিংবদন্তিদের পর্যায়ে নিয়ে গেছেন।

এবার নিয়ে পঞ্চমবারের মতো বিশ্বকাপ খেলতে যাচ্ছেন গেইল। এরইমধ্যে তিনি ঘোষণাও দিয়ে দিয়েছেন এবারই শেষ। ফলে ভক্তদের জন্য এই ক্যারিবীয় দানবকে শেষবারের মতো ঝড় তুলতে দেখার এটাই শেষ সুযোগ। আমাদের একাদশের ওপেনিং ব্যাটসম্যান হিসেবে থাকছেন গেইল।

#২ হাশিম আমলা

বলা হয়, বিরাট কোহলি রেকর্ড গড়েন আর সেগুলো ভাঙার কাজটা সারেন হাশিম আমলা। কোহলির গড়া অনেক রেকর্ডই এখন এই প্রোটিয়া ব্যাটসম্যানের দখলে। ওয়ানডেতে সবচেয়ে দ্রুততম সময়ে ২০০০, ৩০০০, ৪০০০, ৫০০০, ৬০০০ এবং ৭০০০ রানের রেকর্ড আমলার সামর্থ্যের জানান দিচ্ছে।

দক্ষিণ আফ্রিকা দলের সর্বকালের অন্যতম সেরা ওপেনার আমলার সাম্প্রতিক ফর্ম অবশ্য আহামরি নয়। তবে প্রস্তুতিমূলক ম্যাচে ফর্মে ফেরার ইঙ্গিত দিয়ে রেখেছেন। প্রথম ম্যাচে ফিফটি আর বৃষ্টি বাধায় ধুয়ে যাওয়া ম্যাচেও তার ব্যাট কথা বলেছে। এটাই এই দুর্দান্ত ডানহাতি ব্যাটসম্যানের শেষ বিশ্বকাপ। আমাদের বিদায়ী একাদশে গেইলের ওপেনিং জুটি হিসেবে আমলাই সেরা।

#৩ মোহাম্মদ হাফিজ

ছোট ফরম্যাটের ক্রিকেটে পাকিস্তান বরাবরই বিপজ্জনক। কারণ দলটিতে কিছু অলরাউন্ডার থাকেন সবসময়, যারা ম্যাচের গতি পাল্টে দিতে সক্ষম। এর আগে নব্বইয়ের দশকে ইমরান খান, ২০০০ সালের পর শহীদ আফ্রিদি কিংবা আব্দুল রাজ্জাক কিংবা ওয়াসিম আকরামরা ব্যাট আর বল হাতে ছিলেন অনন্য।

মোহাম্মদ হাফিজ এমন এক অলরাউন্ডার যার মূল অস্ত্র গোছানো ব্যাটিং আর দুর্দান্ত অফ-স্পিন। ২০০৩ সালে অভিষেক হলেও দলে স্থায়ী হতে ৮ বছর লেগেছে। ২০১১ সালে একই ক্যালেন্ডার বছরে ১ হাজার রান আর ৩০ উইকেট নেওয়ার কীর্তি গড়েছিলেন।

৩৮ বছর বয়সী হাফিজের সবচেয়ে বড় সামর্থ্য ব্যাটসম্যানদের মন পড়তে পারা। তার স্পিনে শট খেলা ব্যাটসম্যানদের জন্য বেশ কঠিন। তার লাইন আর লেন্থ ব্যাটসম্যানদের বিভ্রান্ত করার জন্য যথেষ্ট, তাই তার সতীর্থরা তাকে ‘প্রফেসর’ ডাকেন। এটাই তার শেষ বিশ্বকাপ এতে কোনো সন্দেহ নেই। ব্যাটিং অর্ডারের তিনে আমরা তাকেই রাখছি।

#৪ ফাফ ডু প্লেসিস (সহ-অধিনায়ক)

বিশ্বকাপ কিংবা বড় কোনো আসর এলেই কি যেন হয় দক্ষিণ আফ্রিকার। নকআউট পর্ব এলেই চাপের কাছে হার মেনে বিদায় নিতে হয় সারা বছর দারুণ খেলতে থাকা দলটিকে। এজন্য তাদের নাম হয়ে গেছে ‘চোকার’। তবে বর্তমান অধিনায়ক ফাফ ডু প্লেসিস এই অপবাদ গায়ে মাখেন না।

ডু প্লেসিস অধিনায়কত্ব নেওয়ার পর থেকে প্রতিটি সিরিজ জেতার জন্য মরিয়া প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। অভিষেকের মাত্র এক বছরের মাথায় টি-টোয়েন্টি দলের অধিনায়কত্ব নিয়ে ২০১২ বিশ্বকাপের আসরে ফেভারিট ভারতকে বিদায় করে দেয় দক্ষিণ আফ্রিকা।

ডু প্লেসিসের ব্যাটিং সামর্থ্য কারো অজানা নয়। এর আগে অল্পের জন্য ওয়ানডেতে প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে টানা চার সেঞ্চুরি করার কীর্তি গড়তে পারেননি তিনি। শেষটায় ৯৬ রানে আউট হয়েছিলেন। তার ঝুলিতে আছে ‘ডাক’ মারার আগে ১০৮ ম্যাচ খেলার রেকর্ড আর মাত্র দ্বিতীয় অধিনায়ক হিসেবে সব আন্তর্জাতিক ফরম্যাটে সেঞ্চুরি হাঁকানোর কীর্তি। ৩৪ বছর বয়সীর এটাই শেষ বিশ্বকাপ।

#৫ রস টেইলর

নিউজিল্যান্ডের ইতিহাসের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান রস টেইলর এই বিশ্বকাপেও দলের বড় ভরসা। আগ্রাসী ব্যাটিং দিয়ে কিউইদের মিডল অর্ডার সামাল দিয়ে যাচ্ছেন দীর্ঘদিন। কিছুদিন আগে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ১২৮ রানের ইনিংস খেলে সেটা তিনি এবারও দেখিয়ে দিয়েছেন। 

ডানহাতি টেইলরের ব্যাটিংয়ের বড় শক্তির জায়গা হলো স্কয়ার লেগে পুল আর লেগ সাইডে অনায়াসে শট খেলা। ৩৫ বছর বয়সেও নিজের খেলার উন্নতির জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। এর ফলও পেয়েছেন। ব্ল্যাক ক্যাপসদের সেরা ব্যাটসম্যান এখন তিনিই। কিউইদের ইতিহাসে তিনিই সবচেয়ে বেশি ওয়ানডে সেঞ্চুরির (২০) মালিক। আর মাত্র ১২ রান করলেই ওয়ানডেতে নিউজিল্যান্ডের সবচেয়ে বেশি রানের মালিক বনে যাবেন শেষ বিশ্বকাপ খেলতে নামা এই ডানহাতি।

#৬ শোয়েব মালিক

বিশ্বকাপে পাকিস্তান দলে শোয়েব মালিকের উপস্থিতি কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। মাথা ঠাণ্ডা রেখে খেলে যাওয়ার অসাধারণ ক্ষমতা আছে এই অলরাউন্ডারের। আর অভিজ্ঞতার জায়গায় বর্তমান দলটিতে তার বিকল্প নেই। 

দ্রুত রান তোলার ক্ষেত্রে মালিকের সামর্থ্য আধুনিক ক্রিকেটে হয়তো কিছুটা বেমানান, কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে নিজের ব্যাটিং স্টাইলে অনেকটা পরিবর্তন এনেছেন তিনি। অবাক করা বিষয় হলো, ১১ নম্বর ছাড়া বাকি সব ব্যাটিং পজিশনে ব্যাট করার অস্বাভাবিক এক রেকর্ড তার দখলে। 

ব্যাট আর বল হাতে পাকিস্তানের বর্তমান দলটির সবচেয়ে বড় অস্ত্র সম্ভবত মালিক। তাছাড়া বর্তমানে খেলে যাচ্ছেন এমন খেলোয়াড়দের মধ্যে তিনি মাত্র দ্বিতীয় ব্যাটসম্যান যার নামের পাশে ৭ হাজার ৫০০ রান আর ১৫০ উইকেট আছে। পাকিস্তানের মিডল অর্ডারের বড় ভরসা ৩৭ বছর বয়সী মালিকের এটাই শেষ বিশ্বকাপ।

#৭ মহেন্দ্র সিং ধোনি (অধিনায়ক, উইকেটরক্ষক)

সংক্ষিপ্ত পরিসরের ক্রিকেটে অধিনায়ক হিসেবে কিংবা খেলোয়াড় হিসেবে বর্তমানে খেলে যাচ্ছেন এমন ক্রিকেটারদের মধ্যে সবচেয়ে অভিজ্ঞ মহেন্দ্র সিং ধোনি। ওয়ানডে ব্যাটিংকে তিনি অন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। সবচেয়ে দ্রুততম সময়ে (৪২ ইনিংসে) আইসিসি’র ওয়ানডে র‍্যাংকিংয়ের শীর্ষস্থান দখলের রেকর্ড এখনও তার।

এবারের বিশ্বকাপে ভারতের নেতৃত্ব বিরাট কোহলির হাতে হলেও মূল কাজটা আসলে করবেন ধোনি। তার অভিজ্ঞতাই দলের বড় শক্তি। মিডল অর্ডারে তার কোনো বিকল্প এখনও তৈরি হয়নি আর উইকেটরক্ষক হিসেবেও তিনিই এখনও সেরা। উইকেটের পেছনে তার উপস্থিতি যুজবেন্দ্র চাহাল এবং কুলদিপ যাদবের জন্য বড় অনুপ্রেরণা। 

#৮ ডেল স্টেইন

বর্তমান যুগের সেরা ফাস্ট বোলারের নাম জানতে চাইলে অনেকের মুখে এক বাক্যে যার নাম চলে আসবে তিনি হলেন ডেল স্টেইন। গতির সঙ্গে সিম আর সুইং করার অসাধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন স্টেইন ব্যাটসম্যানের মনে ভয় ধরাতে পারেন অনায়াসে। নতুন বলে তার আউট-সুইং দক্ষিণ আফ্রিকাকে উইকেট এনে দিতে বড় ভূমিকা রাখবে।

প্রোটিয়া বোলিং লিজেন্ড স্টেইন পুরনো বলেও রিভার্স সুইং করাতে পারেন, যা তার প্রজন্মের বোলারদের চেয়ে তাকে এক ধাপ এগিয়ে রেখেছে। তার ৯০ মাইলের চেয়ে বেশি গতির ইয়র্কার ব্যাটসম্যানদের হৃদয়ে কাঁপন ধরিয়ে দিতে পারে। ইনজুরি তার ক্যারিয়ারে প্রায় ২ বছরের বিরতি টানলেও ঠিকই নিজের শেষ বিশ্বকাপের আগে পুরনো রূপে ফিরে এসেছেন।

#৯ মাশরাফি বিন মর্তুজা

বাংলাদেশের ক্রিকেটের উত্থানে বড় ভূমিকা রেখেছেন মাশরাফি বিন মর্তুজা। বিশ্বকাপ ক্রিকেটেও তার অবদান অনস্বীকার্য। তামিম ইকবাল, সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম এবং মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের পাশাপাশি তিনিই বাংলাদেশের দলের অন্যতম প্রধান শক্তি। 

শুধু বোলার হিসেবে নয়, অধিনায়ক হিসেবেও মাশরাফি দুর্দান্ত। তার নেতৃত্বে ২০১৫ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল আর ২০১৭ চ্যাম্পিয়নস ট্রফির সেমিফাইনালে পা রেখেছিল বাংলাদেশ। আর তার হাত ধরেই সর্বশেষ ত্রিদেশীয় সিরিজের শিরোপাও এসেছে। তাছাড়া ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক দুর্দান্ত পারফরম্যান্স এসেছে তার নেতৃত্বেই। দলের সবচেয়ে অভিজ্ঞ খেলোয়াড়ও তিনি।

বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বেশি ওয়ানডে উইকেট শিকারি মাশরাফি এবার শেষ বিশ্বকাপ খেলতে যাচ্ছেন। একটা যুগের সমাপ্তি ঘটবে তার হাতে ধরে। শেষটা সাফল্যে রাঙাতে চাইবেন এই টাইগার দলপতি, অন্তত শেষ চার তো আশা করাই যায়।

#১০ লাসিথ মালিঙ্গা

সংক্ষিপ্ত পরিসরের ক্রিকেটে সবচেয়ে সেরা বোলারদের একজন লাসিথ মালিঙ্গা। তার দুর্দান্ত ইয়র্কার আধুনিক ক্রিকেটের সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র হিসেবে স্বীকৃত। এছাড়া বোলিং অ্যাকশন না পাল্টেই স্লোয়ারে তার ইয়র্কারও কম নয়।

বিশ্বকাপের সঙ্গে মালিঙ্গার সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর। ক্রিকেট মহাযজ্ঞে একমাত্র বোলার হিসেবে দুটি হ্যাটট্রিকের মালিক তিনি। ২০০৭ বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টানা চার বলে উইকেট নিয়েছিলেন, কোনো ফরম্যাটেই এমন কীর্তি নেই আর কারও। 

ইনজুরির কারণে সাময়িক অবসর নিয়েছিলেন মালিঙ্গা। তবে গত কয়েক বছরে লঙ্কানদের বাজে পারফরম্যান্সের কারণে লড়াকু এই ফাস্ট বোলারকে ফিরিয়ে আনতে বাধ্য হয়েছে শ্রীলঙ্কার নির্বাচকরা। শেষ বিশ্বকাপটা নিশ্চয়ই রাঙাতে চাইবেন তিনি।

#১১ ইমরান তাহির

পাকিস্তানি বংশোদ্ভুত ইমরান তাহিরকে দক্ষিণ আফ্রিকার জার্সিতে খেলার জন্য ৩০ বছর বয়স পর্যন্ত অপেক্ষায় থাকতে হয়েছে। তবে দেরিতে শুরু করলেও সংক্ষিপ্ত পরিসরের ক্রিকেটে দুর্দান্ত সময় কাটাচ্ছেন এই লেগ স্পিনার। এমনকি অভিষেকের পর থেকে ওয়ানডেতে সবচেয়ে বেশি উইকেট শিকারি স্পিনারও তিনিই। তার সবচেয়ে বড় অস্ত্র দ্রুতগতি। বড় রান-আপও ব্যাটসম্যানদের জন্য তার বল খেলা কঠিন করে তোলে। 

তাহিরের সক্ষমতা বুঝতে পেরেই ২০১১ বিশ্বকাপে তাকে সরাসরি অভিষিক্ত করান সেসময়ের প্রোটিয়া অধিনায়ক গ্রায়েম স্মিথ। যদিও তার অভিজ্ঞতার ঝুলি এই স্কোয়াডের বাকিদের চেয়ে কম, কিন্তু তার গুরুত্ব কোনো অংশে কম নয়। এই বিশ্বকাপের পরই ওয়ানডে থেকে অবসর নেবেন তাহির। ক্রিকেটভক্তরা এই শেষবারের মতো তার বুনো উদযাপন দেখার জন্য মুখিয়ে আছেন।

বাংলাদেশ সময়: ১৭৪৪ ঘণ্টা, মে ২৯, ২০১৯
এমএইচএম

        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপ ২০১৯ বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত

Alexa
db 2019-05-29 17:45:01