ঢাকা, রবিবার, ১২ ফাল্গুন ১৪২৪, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮

bangla news
আঁধার ঠেলে উঁকি দিলো আগুনরঙা মানাসলু

আঁধার ঠেলে উঁকি দিলো আগুনরঙা মানাসলু

এ এক অবিস্মরণীয় মুহূর্ত। ভোর পাঁচটায় উঠে মাইনাস ছুঁই ছুঁই তাপমাত্রায় খোলা আকাশের নিচে বসে থাকা বৃথা গেলো না তাহলে। প্রথম সূর্যের আলো একটু একটু করে তাড়িয়ে দিলো মানাসলুর গায়ে লেগে থাকা আঁধার। পাগলের মতো ক্লিক করে যাচ্ছি। জানি ফিফটি এম এম লেন্সে এ জাদু বাস্তবের তেমন কিছু ধারণ করে রাখা যাবে না, তারপরও চোখের সামনে প্রকৃতির ভোল বদল নিদারুণ নিরাসক্তকেও আলোড়িত করবে।


২০১৭-১২-০১ ১০:৩২:২৬ এএম
হাতের নাগালে বরফ পাহাড়, বীরেন্দ্র লেকে মুগ্ধতা

হাতের নাগালে বরফ পাহাড়, বীরেন্দ্র লেকে মুগ্ধতা

সামারগাওয়ে আজ আমাদের বিশ্রামের দিন। এর উচ্চতা ৩ হাজার ৫২০ মিটার। ফলে অ্যাক্লেমাটাইজেশনের জন্য একদিন এখানে অবস্থান করে সামনে এগোনোর পরিকল্পনা। কিন্তু আগে থেকেই জানি বিশ্রাম আসলে নামেই বিশ্রাম। কারণ আজ আমাদের মানাসলু বেসক্যাম্পের দিকে যতদূর সম্ভব যেতে হবে।


২০১৭-১১-৩০ ৯:৩৯:২৩ এএম
সুন্দরতম গ্রাম লোহ, সামনে চোখ ধাঁধানো মানাসলু

সুন্দরতম গ্রাম লোহ, সামনে চোখ ধাঁধানো মানাসলু

অন্য রকম এক সকাল নামরুংয়ে। ট্রেকে প্রথমবারের মতো প্রায় হাত ছোঁয়া দূরত্বে বরফ চূড়া। প্রথম সূর্যের ছটা লেগেছে তার গায়ে। যদিও পাথুরে শরীরে শুভ্রতা অতটা নেই। হাড় কাঁপানো শীত। নিচে ফ্লিচের জ্যাকেট উপরে উইন্ড ব্রোকার চাপিয়ে নিলাম। কিন্তু খুলতে হলো আধঘণ্টার মধ্যেই। নামরুং ছাড়িয়ে কিছুদূর যেতেই শুরু হলো চড়াই।


২০১৭-১১-২৯ ৪:১১:২৮ এএম
১১ ঘণ্টা চড়াই-উৎরাই বেয়ে ৮৬৫০ ফুট উচ্চতার নামরুংয়ে

১১ ঘণ্টা চড়াই-উৎরাই বেয়ে ৮৬৫০ ফুট উচ্চতার নামরুংয়ে

আজ যাত্রা নামরুংয়ের দিকে। এমনিতে গতকালের নির্ধারিত জায়গা ড্যাং থেকে পঁয়তাল্লিশ মিনিট আগের পেওয়াতে থেকেছি। তার উপর আজকের পথ সম্বন্ধে গাইডদের ধারণা কম। সকালের আলো পাহাড় চূড়া ছুঁতে না ছুঁতেই আমরা ড্যাংয়ে এসে পৌঁছালাম। সেখানে চা বিরতি। ড্যাং এর পরে ভীষণ এক উৎরাই। একেবারে নেমে গেলাম বুড়িগন্ধাকীর পাড়ে। এরপর ভয়াবহ চড়াই।


২০১৭-১১-২৮ ৬:১০:১৩ এএম
বুড়িগন্ধাকীর সাসপেনশন ব্রিজ পেরিয়ে ফিলিম

বুড়িগন্ধাকীর সাসপেনশন ব্রিজ পেরিয়ে ফিলিম

আমরা ধীরে ধীরে উচ্চতার এক স্তর থেকে আরেক স্তরে প্রবেশ করছি তা জগত থেকে বের হয়েই বোঝা গেলো। হিমালয়ান অঞ্চলে বিদ্যুৎ সমস্যা দূর করতে নদী ও ঝরনার জলধারা ব্যবহার করে অসংখ্য মাইক্রো পাওয়ার প্ল্যান্ট নির্মাণ করা হচ্ছে। জগতে দেখা গেলো এ চিত্র। চারপাশে পাইন, ফার, বার্চ গাছের সমাহার। ন্যাড়া পাথরও চোখে পড়ছে প্রচুর। বুড়িগন্ধাকীর নদী খাত ঘেঁষে পাথর কেটে বানানো হয়েছে সরু রাস্তা। এ দিয়েই স্বাচ্ছন্দ্যে চলাফেরা করছে মানুষ, মালবাহী পশুর দল।


২০১৭-১১-২৭ ৯:৩৩:১৮ এএম
পাহাড়ের গায়ে ঝোলা নেপালের একমাত্র ক্লিপ ব্রিজ

পাহাড়ের গায়ে ঝোলা নেপালের একমাত্র ক্লিপ ব্রিজ

রাতে তাপমাত্রা বেশ নেমে গিয়েছিলো। কম্বলের আরামে এক ঘুমে রাত পার। পথ আজ বেশ লম্বা। আমরা তাড়াতাড়ি রওয়ানা দিলাম। গাইড জয় মাল্লা আমাদের আগেই সতর্ক করে দিয়েছে। বেশ কয়েকটি ল্যান্ড স্লাইড জোন পার হতে হবে।


২০১৭-১১-২৬ ৬:৩৭:৩২ এএম
 কখনও সরু ফিতা কখনও এবড়ো-থেবড়ো পথে যাত্রা

কখনও সরু ফিতা কখনও এবড়ো-থেবড়ো পথে যাত্রা

লাপুবেসিতে গরমের উৎপাতে রাতে ভালো ঘুম হয়নি। ৮৮০ মিটারেই হিম ঠাণ্ডা আশা করা যায় না। কিন্তু এই পাহাড়ি উপত্যাকায় অন্তত স্বাভাবিক তাপমাত্রার চেয়েও বেশি উত্তাপ ছিল রাতে। অবশ্য রাতে আরেকটি ব্যাপার মন ভরিয়ে দিয়েছে। সামনের আকাশ ছোঁয়া পাহাড়ের গায়ে ঝুলে থাকা অচেনা গ্রামের সোলার লাইটের মেলা মেঘাচ্ছন্ন রাতের আকাশে তারার অভাব ভুলিয়ে দিয়েছে। ইচ্ছে হয়েছিলো সারা রাত বসে থাকি।


২০১৭-১১-২৫ ১২:০৮:২৩ পিএম
চারিদিকে বান্দরবান বান্দরবান গন্ধ, সামনে আরক্ষেত

চারিদিকে বান্দরবান বান্দরবান গন্ধ, সামনে আরক্ষেত

১৩ অক্টোবর শুরু হলো আমাদের আসল যাত্রা। সোয়া ৭টার মধ্যেই সবাই নাস্তা সেরে ব্যাকপ্যাক কাঁধে পুরো প্রস্তুত। শুরুতে মেঘের আনাগোনা থাকলেও বেলা বাড়তেই মেঘ কেটে গিয়ে নীল আকাশ। বহুদূরে দিগন্তের কাছে হালকা সাদার আনাগোনা দেখে বোঝা গেলো সেটি গনেশ হিমাল রেঞ্জ। আমরা ব্রিজ পার হয়ে চলে এলাম বুড়িগন্ধাকীর এ পারে গোর্খা জেলার সীমানায়।


২০১৭-১১-২৪ ৯:০২:১৮ এএম
ধুলোবালি গিলতে গিলতে ট্রেকিং শুরুর আরুঘাট (পর্ব-৩)

ধুলোবালি গিলতে গিলতে ট্রেকিং শুরুর আরুঘাট (পর্ব-৩)

গাড়ি দুলছে বিক্ষুব্ধ সমুদ্র খাবি খেতে থাকা জাহাজের মতো। সঙ্গে দুনিয়াটাও দুলছে যেন। বন্ধ দরজা জানলার ফাঁক গলেই যে পরিমাণ ধুলো আসছে খোলা থাকলে বোধহয় ধুলোর সমুদ্রেই আমাদের সলীল সমাধি হতো। আমরা চলেছি আরুঘাটের পথে। আমাদের অভিযানের ট্রেকিং এখান থেকে শুরু হবে।


২০১৭-১১-২৩ ৭:৫৮:১২ এএম
হিমালয়ের মানাসলু ট্রেকিংয়ের অদম্য নেশায় যাত্রা (পর্ব-১)

হিমালয়ের মানাসলু ট্রেকিংয়ের অদম্য নেশায় যাত্রা (পর্ব-১)

নিজের ব্যালকনিতে দাঁড়িয়ে আকাশের সেই গাঢ় নীলটা খোঁজার চেষ্টার করছি। এদিক-ওদিক ইতি-উতি তাকাই। মেঘ নেই কোনো। ঘিঞ্জি নগরের ধোঁয়াটে বিষণ্নতা ঘিরে রাখে আকাশ। অথচ মনের ফ্ল্যাশব্যাক বোতাম টিপলেই কি দারুণ নীলে হারিয়ে যেতে পারছি।


২০১৭-১১-২১ ২:২৪:০৬ পিএম
তপ্ত রোদে প্রাণ জুড়ালো সিকিম তৈসা

তপ্ত রোদে প্রাণ জুড়ালো সিকিম তৈসা

সাজেক, রুইলুই পাড়া (রাঙামাটি) থেকে ফিরে: পাহাড়ি সবুজ অরণ্যের আঁকাবাঁকা পথ পেরিয়ে যখন সাজেক পৌঁছালাম, দুপুরের সূর্য তখন পুরোদমে তেজ দেখাচ্ছে। অগত্যা গোসল আর দুপুরের খাবারের পালা চুটিয়ে একটা ঘুমের সিদ্ধান্তই এসময় শ্রেষ্ঠ। কিন্তু গোসলে যাওয়ার আগেই ভ্রমণসঙ্গীদের মাঝে রব উঠলো- সাজেকে গোসল ঝরনার জলে!


২০১৭-১১-২১ ১১:৫৬:৩২ এএম
এক টুকরো আফ্রিকা (পর্ব-১)

এক টুকরো আফ্রিকা (পর্ব-১)

মহা উৎসাহে ইন্টারনেট ঘাঁটাঘাঁটি শুরু করলাম। কেনিয়ার মানচিত্র দেখে তো অবাক! প্রায় পুরোটা সাদা রং। অল্প কিছু অংশ সবুজ, নীল রঙের ছোঁয়া নেই বললেই চলে।


২০১৭-১১-২১ ১:৩৬:৩১ এএম
সুন্দরী জলকন্যা ‘সন্দ্বীপ’

সুন্দরী জলকন্যা ‘সন্দ্বীপ’

সন্দ্বীপ (চট্টগ্রাম) থেকে ফিরেঃ পশ্চিমে জেগে উঠছে বিশাল চর, পূর্বাঞ্চলে ভাঙ্গন। ভাঙ্গা-গড়ার এ খেলায়ও তার রূপ একটু কমেনি। যেন চির যৌবনা সে। সাগর আর নদীর অথই জলপথ পেরিয়ে দ্বীপের ভূখণ্ডে নামলেই শরীর যেন শিহরিত হয়ে ওঠে। চারিদিকে এক পলক চেয়ে মুহূর্তে মুগ্ধ হতে হয়। এমন সৌন্দর্য চট্টগ্রামের দ্বীপ উপজেলা সন্দ্বীপের। এমন রূপ নিয়ে বঙ্গোপসাগরের মোহনায় জেগে ওঠা হাজার বছরের পুরনো দ্বীপটি হাতছানি দিয়ে ডাকছে সৌন্দর্য পিপাসু পর্যটকদের।


২০১৭-১১-১৮ ১১:৩৫:০৪ এএম
কক্সবাজারের আকাশে রোমাঞ্চকর প্যারাসেইলিং

কক্সবাজারের আকাশে রোমাঞ্চকর প্যারাসেইলিং

কক্সবাজার থেকে ফিরে:  কেবল সৈকত আর ঢেউ দেখে দেখে কতোটুকুইবা সময়ই কাটে! ‍পর্যটক চান আরো একটু রোমাঞ্চ। কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের সুনীল আকাশে উড়ে বেড়ানো এমনই এক রোমাঞ্চ ‘প্যারাসেইলিং’।


২০১৭-১১-১৩ ১১:৪৪:৪১ এএম
মেঘের ওপর বসবাস, মেঘের সঙ্গে খেলা

মেঘের ওপর বসবাস, মেঘের সঙ্গে খেলা

সাজেক, রুইলুই পাড়া (রাঙামাটি) থেকে: সকালের আলো ফুটতে খুব বেশি দেরি নেই। সন্ধ্যায় দুটো পাহাড়ের মাঝখান দিয়ে চালনের মতো বড় যে চাঁদটা উঠেছিলো, সেটি এখন মাথার উপর। আকাশের কোটি তারার মধ্য থেকে হিমেল হাওয়ায় তখনো খসে পড়ছে দু’একটি। সব মিলিয়ে বেশ রোম্যান্টিক পরিবেশ। আর সারাটাদিন চোখের সামনে যে সবুজ পাহাড় ছিলো, তা এখন শুধুই মেঘের রাজ্য।


২০১৭-১১-১২ ২:০৬:২২ পিএম