|

‘শাহবাগকে বুকে ধারণ করতেই বারবার আসি’
19 Feb 2013 03:20:37 AM Tuesday BdST
জেসমিন পাঁপড়ি, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
শাহবাগ প্রজন্ম চত্বর থেকে: ‘এক টুকরো শাহবাগ বুকের মধ্যে সবসময় রাখা প্রয়োজন। তবেই সামনের সকল বিপদ অতিক্রম করা যাবে। এই শাহবাগকে বুকে ধারণ করতেই প্রতিদিনই এখানে আসি। এখানে এসে আমার বয়স ১০ বছর কমে গেছে।’
মধ্যরাত পর্যন্ত শাহবাগ প্রজন্ম চত্বরে আন্দোলনে যোগ দিয়ে ফেরার পথে বাংলানিউজকে এসব কথা বলেন অভিনয় শিল্পী ইরেশ যাকের।
অভিনেতা দম্পতি সারা যাকের ও আলী যাকেরের পুত্র ইরেশ আলাপচারিতায় বাংলানিউজকে বলেন, ‘‘এই আন্দোলন বাংলাদেশের জন্য একটি টার্নিং পয়েন্ট। আমি দেশে ফিরেছি প্রায় আট বছর। দেশে ফিরে এক ধরনের আপোষের জীবন দেখে অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছিলাম। কিন্তু এ আন্দোলন সেখান থেকে বের করে নিয়ে এসেছে। এখন মনে হয় আমরা অনেক কিছু পারব।’’
ইরেশ বলেন, ‘‘একটা সময় শাহবাগের এই আন্দোলন শেষ হবে। আর তখনই আরেক যুদ্ধ শুরু হবে। ব্লগারসহ আন্দোলনকারীদের জীবনে নিরাপত্তাহীনতা আসতে পারে। সেটা প্রতিরোধ করতে হবে। জানিনা কিভাবে সেটা সম্ভব হবে। তবে সেটা অবশই সম্ভব করতে হবে। সেটা সম্ভব হবে যদি বুকের মধ্যে শাহবাগকে ধারণ করা যায়।’’
তিনি বলেন, ‘‘আমি প্রতিদিন অফিস শেষ করে এখানে আসি। রাত বারটা-একটা পর্যন্ত এখানে থাকি। আন্দোলনকারীদের সঙ্গে স্লোগান দেই, ছবি তুলি।’’
ইরেশ উদ্দীপ্ত কণ্ঠে বলেন, ‘‘তরুণ প্রজন্মের এ জেগে ওঠাকে যে কি বলে ব্যাখা করব বুঝতে পারছিনা। তবে এদেরকে দেখে বুকের ভেতরটা জেগে ওঠে। এখানে বারবার আসতে ইচ্ছা করে। আগামী দিনের সকল বিপদকে রুখতে শাহবাগকে বুকের ভেতর পুষে রাখতে চাই। সেখানে ধারণ করতে চাই এক টুকরো শাহবাগ।’’
ইরেশ যাকের বলেন, হরতাল ডেকে পিকেটিং না করাকে জামায়াতের দূর্বলতা ধরে নিলে চলবেনা। তারা হয়ত পর্যবেক্ষণ করছে। ওরা গাধা না। দূর্বলও না। তবে এ গণজোয়ারের কাছে তাদের মাথা নত করতেই হবে।
জামায়াতে ইসলামীর নেতা কাদের মোল্লাসহ যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দাবিতে শাহবাগের প্রজন্ম চত্বরের আন্দোলনের সোমবার ছিল ১৪তম দিন। এই আন্দোলনের ঢেউ দেশের সীমানা ছাড়িয়ে পৌঁছে গেছে প্রবাসেও। নানা শ্রেণী-পেশার মানুষ এই দাবির সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করছে।প্রতিদিনই যেনো বাড়ছে এ গণজোয়ারে আসা মানুষের সংখ্যা।
কাদের মোল্লার যাবজ্জীবন সাজার রায় প্রত্যাখ্যান করে গত ৫ ফেব্রুয়ারি বিকেলে শাহবাগ মোড়ে এই বিক্ষোভের সূচনা করে ব্লগার ও অনলাইন অ্যাকটিভিস্ট ফোরাম। এরপর বিভিন্ন সংগঠনের নেতা-কর্মীরা এ আন্দোলনে যোগ দেন।
গত ৮ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার অনুষ্ঠিত হয় মহাসমাবেশ। ১৫ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হয় জাগরণ সমাবেশ। উভয় সমাবেশেই যোগ দেয় লাখো জনতা। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এই লড়াই চলবে বলেও ঘোষণা দিয়েছে আন্দোলনকারীরা।
বাংলাদেশ সময়: ০৩১৫ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০১৩ জেপি/সম্পাদনা: নূরনবী সিদ্দিক সুইন, অ্যাসিসট্যান্ট আউটপুট এডিটর
মিডিয়া হাউজ, প্লট#৩৭১/এ (৩য় তলা), ব্লক#ডি, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, বারিধারা, ঢাকা-১২২৯, বাংলাদেশ
নিউজরুম মোবাইল ফোন: +৮৮-০১৭২৯০৭৬৯৯৬, ০১৭২৯০৭৬৯৯৯, ০১৭২৯০৭৭৩৩০, ০১৭২৯০৭৬৯৫৪
ফোন: +৮৮০ ২ ৮৪০২১৮১-২ আই.পি. ফোন: +৮৮০-৯৬১২১২০০০০ ফ্যাক্স: +৮৮০ ২ ৮৪০ ২৩৪৬
ইমেইল: news.bn24@gmail.com, news@banglanews24.com (সেন্ট্রালডেস্ক)
corr.bn24@gmail.com (কান্ট্রিডেস্ক), editor@banglanews24.com (এডিটর-ইন-চিফ)
বাংলায় লেখা হলে ইউনিকোডে পরিবর্তন করে ইমেইল করুন একটি ইডব্লিউএমজিএল প্রতিষ্ঠান কপিরাইট © 2013 banglanews24.com সকল স্বত্ব ® সংরক্ষিত
|
|